ক্যাম্পাসক্যাম্পাস

দিনাজপুর বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেনি ৪৯ প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল ঘোষণা করেন। এবারের পরীক্ষায় বোর্ডের অধীনে আটটি জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন, ফলে সামগ্রিক পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশে। তাদের মধ্যে পাশ করেছেন ৫১ হাজার ৩৯৮ জন।

ফলাফলের উদ্বেগজনক দিক হলো, এবার ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এর বিপরীতে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ছয়টি। বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাশের হার ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তবে মানবিক বিভাগে ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাশের হার ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এ বছর মোট ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। লিঙ্গভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, ছাত্রীদের পারফরম্যান্স ছাত্রদের তুলনায় ভালো। ছেলেদের পাশের হার ৪১ দশমিক ৩১ শতাংশ হলেও মেয়েদের ক্ষেত্রে তা ৫০ দশমিক ২৬ শতাংশ। এছাড়া জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ১ হাজার ৩৮৩ জন ছেলে এবং ১ হাজার ৫৭০ জন মেয়ে। অর্থাৎ, সামগ্রিক পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জন—উভয় সূচকেই মেয়েরা এগিয়ে রয়েছেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পাশের হার বেশ কম। ফলাফলের এই নিম্নমুখী প্রবণতা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Public Voice

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


দিনাজপুর বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেনি ৪৯ প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল ঘোষণা করেন। এবারের পরীক্ষায় বোর্ডের অধীনে আটটি জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন, ফলে সামগ্রিক পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশে। তাদের মধ্যে পাশ করেছেন ৫১ হাজার ৩৯৮ জন।

ফলাফলের উদ্বেগজনক দিক হলো, এবার ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এর বিপরীতে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ছয়টি। বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাশের হার ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তবে মানবিক বিভাগে ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাশের হার ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এ বছর মোট ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। লিঙ্গভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, ছাত্রীদের পারফরম্যান্স ছাত্রদের তুলনায় ভালো। ছেলেদের পাশের হার ৪১ দশমিক ৩১ শতাংশ হলেও মেয়েদের ক্ষেত্রে তা ৫০ দশমিক ২৬ শতাংশ। এছাড়া জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ১ হাজার ৩৮৩ জন ছেলে এবং ১ হাজার ৫৭০ জন মেয়ে। অর্থাৎ, সামগ্রিক পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জন—উভয় সূচকেই মেয়েরা এগিয়ে রয়েছেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পাশের হার বেশ কম। ফলাফলের এই নিম্নমুখী প্রবণতা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত