অন্যান্য
নেত্রকোনার বারহাট্টায় যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি, তথা 'শুভ জন্মাষ্টমী'। এ উপলক্ষে (৪ সেপ্টেম্বর) শুক্রবার সকালে বারহাট্টা শ্রীশ্রী মদনমোহন আশ্রমের আয়োজনে আশ্রম প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মদনমোহন আশ্রম প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তরা নেচে-গেয়ে এই শোভাযাত্রা উদযাপন করেন।
মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেন বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার, বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ কমল, সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্কাস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাবুর রহমান হানিফ, বারহাট্টা উপজেলার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মানিক আজাদ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রাণেশ পাল, শ্রী শ্রী মদন মোহন সেবাঙ্গঁন আশ্রমের সভাপতি মনোরঞ্জন সরকার, শ্রী শ্রী মদন মোহন সেবাঙ্গন আশ্রমের সাবেক সভাপতি সুধীন্দ্র সরকারসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা শত শত নারী-পুরুষ ভক্তবৃন্দ।
এছাড়াও বিশ্ব জাকের মঞ্জিল, বারহাট্টা শাখার ভক্তবৃন্দদের আয়োজনে ভাগবত পাঠ ও ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
হিন্দু পুরাণ অনুসারে, 'ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস হলো, যখন পাশবিক শক্তি ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটেছিল। তাদের আরও বিশ্বাস, দুষ্টের দমন করতে এভাবেই যুগে যুগে ভগবান মানুষের কাছে নেমে আসেন এবং সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করেন।'
শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। কাজেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তারা বলেন, 'আমরা অত্যাচারীর বাংলাদেশ চাই না, আমরা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই। আপনি-আমি সবাই মানুষ, হিন্দু-মুসলিম আমরা সকলে ভাই ভাই। আমরা কেউ সংখ্যালঘু নই, সকলেই আমরা সংখ্যাগুরু।' এ সময় বক্তারা সকল সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করার আহ্বান জানান।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোনার বারহাট্টায় যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি, তথা 'শুভ জন্মাষ্টমী'। এ উপলক্ষে (৪ সেপ্টেম্বর) শুক্রবার সকালে বারহাট্টা শ্রীশ্রী মদনমোহন আশ্রমের আয়োজনে আশ্রম প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মদনমোহন আশ্রম প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তরা নেচে-গেয়ে এই শোভাযাত্রা উদযাপন করেন।
মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেন বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার, বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ কমল, সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্কাস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাবুর রহমান হানিফ, বারহাট্টা উপজেলার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মানিক আজাদ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রাণেশ পাল, শ্রী শ্রী মদন মোহন সেবাঙ্গঁন আশ্রমের সভাপতি মনোরঞ্জন সরকার, শ্রী শ্রী মদন মোহন সেবাঙ্গন আশ্রমের সাবেক সভাপতি সুধীন্দ্র সরকারসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা শত শত নারী-পুরুষ ভক্তবৃন্দ।
এছাড়াও বিশ্ব জাকের মঞ্জিল, বারহাট্টা শাখার ভক্তবৃন্দদের আয়োজনে ভাগবত পাঠ ও ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
হিন্দু পুরাণ অনুসারে, 'ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস হলো, যখন পাশবিক শক্তি ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটেছিল। তাদের আরও বিশ্বাস, দুষ্টের দমন করতে এভাবেই যুগে যুগে ভগবান মানুষের কাছে নেমে আসেন এবং সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করেন।'
শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। কাজেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তারা বলেন, 'আমরা অত্যাচারীর বাংলাদেশ চাই না, আমরা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই। আপনি-আমি সবাই মানুষ, হিন্দু-মুসলিম আমরা সকলে ভাই ভাই। আমরা কেউ সংখ্যালঘু নই, সকলেই আমরা সংখ্যাগুরু।' এ সময় বক্তারা সকল সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করার আহ্বান জানান।
