অন্যান্য
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন কবলিত ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা উপজেলার রাণীগঞ্জ ও চিলমারী ইউনিয়ন গতকাল শনিবার পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ভাঙ্গনের ঝুকিতে থাকা উপদ্রুত অঞ্চল গুলো সরেজমিন অবলোকন করেছেন। নদের ভাঙ্গনের শিকার কাচকোল সড়কটারী, শিমুল তলী এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধে নির্মিত ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধসে যাওয়া অংশ ও আশ-পাশের সম্ভাব্য ভাঙ্গনের ঝুকিতে থাকা অংশ গুলো জরুরী ভিত্তিতে রক্ষার পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে । এলাকাবাসী তার নিকট ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। সেখান থেকে তিনি ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে চরাঞ্চলের ইউনিয়ন চিলমারীর শাখাহাতি এলাকার তীব্র নদী ভাঙ্গন এলাকাও পরিদর্শন করেন। চরাঞ্চলের স্থায়ী নদী ভাঙ্গন রোধে চর উন্নয়ন কমিটি দীর্ঘ তিন ধরে চরাঞ্চলের ভাঙ্গন রোধে দাবী জানিয়ে আসছে। সকালে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ চিলমারীতে পৌছলে দলীয় নেতৃবৃন্দ ও সরকারী কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লালগালিচা প্রদান করা হয়। এসময় শুভেচ্ছা জানান, কুড়িগ্রাম -৩ ও ৪ আসনের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সুরাইয়া জেরিন রনি, বিএনপি চিলমারী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার, যগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল হক, মহিলা দলের সভাপতি জান্নাত ফেরদৌসি চায়না, সদস্য সচিব রোজি সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপুর্ণা দেবনাথ, চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, চিলমারী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ নয়ন কুমার । পরে তিনি নদের ভাঙ্গন উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে চিলমারী নদীবন্দরের রমনা ঘাট এলাকায় যান। সেখানে তিনি সাংবাদিকগনের সাথে কথা বলে জানান, সরকার সারাদেশে নদীর ভাঙ্গন রোধের বিষয়ে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। কুড়িগ্রামে ১০০ টির মতো ভাঙ্গনে এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। নদের ভাঙ্গন রোধকল্পে বাধ নির্মাণ করা হলে সবাই উপকৃত হবে, কে কোন দল করে নদের ভাঙ্গন তা বুঝবেনা। তিনি আরো বলেন, শুধু চিলমারী, রাজিবপুর না গোটা কুড়িগ্রামকে আমরা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে চাই। নদের ভাঙ্গন উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি মানুষের দুঃখ, দূর্দশার কথা শুনতে ভাঙ্গন পীড়িত মানুষের আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। এসময় তার সফর সঙ্গী হয়েছিলেন, কুড়িগ্রাম - ৩ ও ৪ আসনের সংরক্ষিত (নারী) আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, কুড়িগ্রাম-৪ এর সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সাংসদ মাহবুব সালেহী, বিএনপি, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান হাছিব প্রমূখ। সরকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপুর্ণা দেবনাথ সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্দ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাগন প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্পিড বোটে করে চিলমারী, রৌমারী, রাজীবপুর ও গাইবান্ধা জেলার ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন কবলিত ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা উপজেলার রাণীগঞ্জ ও চিলমারী ইউনিয়ন গতকাল শনিবার পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ভাঙ্গনের ঝুকিতে থাকা উপদ্রুত অঞ্চল গুলো সরেজমিন অবলোকন করেছেন। নদের ভাঙ্গনের শিকার কাচকোল সড়কটারী, শিমুল তলী এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধে নির্মিত ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধসে যাওয়া অংশ ও আশ-পাশের সম্ভাব্য ভাঙ্গনের ঝুকিতে থাকা অংশ গুলো জরুরী ভিত্তিতে রক্ষার পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে । এলাকাবাসী তার নিকট ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। সেখান থেকে তিনি ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে চরাঞ্চলের ইউনিয়ন চিলমারীর শাখাহাতি এলাকার তীব্র নদী ভাঙ্গন এলাকাও পরিদর্শন করেন। চরাঞ্চলের স্থায়ী নদী ভাঙ্গন রোধে চর উন্নয়ন কমিটি দীর্ঘ তিন ধরে চরাঞ্চলের ভাঙ্গন রোধে দাবী জানিয়ে আসছে। সকালে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ চিলমারীতে পৌছলে দলীয় নেতৃবৃন্দ ও সরকারী কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লালগালিচা প্রদান করা হয়। এসময় শুভেচ্ছা জানান, কুড়িগ্রাম -৩ ও ৪ আসনের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সুরাইয়া জেরিন রনি, বিএনপি চিলমারী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার, যগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল হক, মহিলা দলের সভাপতি জান্নাত ফেরদৌসি চায়না, সদস্য সচিব রোজি সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপুর্ণা দেবনাথ, চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, চিলমারী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ নয়ন কুমার । পরে তিনি নদের ভাঙ্গন উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে চিলমারী নদীবন্দরের রমনা ঘাট এলাকায় যান। সেখানে তিনি সাংবাদিকগনের সাথে কথা বলে জানান, সরকার সারাদেশে নদীর ভাঙ্গন রোধের বিষয়ে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। কুড়িগ্রামে ১০০ টির মতো ভাঙ্গনে এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। নদের ভাঙ্গন রোধকল্পে বাধ নির্মাণ করা হলে সবাই উপকৃত হবে, কে কোন দল করে নদের ভাঙ্গন তা বুঝবেনা। তিনি আরো বলেন, শুধু চিলমারী, রাজিবপুর না গোটা কুড়িগ্রামকে আমরা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে চাই। নদের ভাঙ্গন উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি মানুষের দুঃখ, দূর্দশার কথা শুনতে ভাঙ্গন পীড়িত মানুষের আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। এসময় তার সফর সঙ্গী হয়েছিলেন, কুড়িগ্রাম - ৩ ও ৪ আসনের সংরক্ষিত (নারী) আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, কুড়িগ্রাম-৪ এর সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সাংসদ মাহবুব সালেহী, বিএনপি, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান হাছিব প্রমূখ। সরকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপুর্ণা দেবনাথ সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্দ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাগন প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্পিড বোটে করে চিলমারী, রৌমারী, রাজীবপুর ও গাইবান্ধা জেলার ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।
