অন্যান্য
অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা তিব্র পানির তোড়ে সোমবার গভীর রাতে (২৯/০৬/২০২৬ ইং) চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল এলাকার বিশার পাড়ার চরের আশ্রায়ন কেন্দ্রের ২৫ টি পরিবার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। আতঙ্কে ঘর- বাড়ি সরাতে ব্যস্ত রয়েছেন চরের বসতি। সেই সাথে অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে বন্যার আশংঙ্খা করেছেন আবহাওয়া অফিস। জানা গেছে, সোমবার রাত আড়াইটার সময় নদের প্রবল স্রোতে তীব্র ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। ফলে বিশার পাড়া আশ্রায়ন প্রকল্পটিতে বসবাসরত ১৬০ টি পরিবারের মধ্যে এক রাতেই ২৫ টি পরিবারের ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক ভাবে প্রানহানির ঘটনা না ঘটলেও পরিবার গুলো ঘর-বাড়ি হারিয়ে অফুরন্ত ক্ষয়ক্ষতিতে পড়েছেন। আজ তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীন যাপন করছেন। গবাদি পশু সহ আসবাব পত্র সামলাতে গৃহহীন পরিবার গুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ভাঙ্গনে কবলে পড়ে ঘরবাড়ি হারানো আজিদ, আজম, আলম, মতিয়ার , নজরুল, হামিদ, লাল মিয়া, মোকলেছুর, শাহীন , আর: রহিম, বক্কর,রসিদ, রুবিনা,মনছুর জানান, আমাদের ঘর- বাড়ি গুলো স্থানান্তর সহ খাদ্য সামগ্রী, ঔষধ-পত্র ও জরুরী সামগ্রী সহায়তা দেয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট অনুরোধ করছি।
চিলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল কাজী জানান, হঠাৎ নদের ভাঙ্গন শুরু হয়ে নিমিষেই ঘর-বাড়ি গুলো এমন ভাবে ভেঙ্গে গেছে যে জিনিষ-পত্র সড়ানোর সময় হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভূক্ত ভোগী পরিবার তাদের ঘরবাড়িগুলো যেন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলেন। সোমবার উক্ত গৃহহীনদের মাঝে রিলিফ বিতরন করা হলেও তা প্রয়োজনের তূলনায় অপ্রতুল। অপর দিকে অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে চিলমারীতে বন্যা হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
এলাকাবাসীরা জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন প্রতিরোধে এখনই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে, অব্যাহত নদের ভাঙ্গনে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নদের বুকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা তিব্র পানির তোড়ে সোমবার গভীর রাতে (২৯/০৬/২০২৬ ইং) চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল এলাকার বিশার পাড়ার চরের আশ্রায়ন কেন্দ্রের ২৫ টি পরিবার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। আতঙ্কে ঘর- বাড়ি সরাতে ব্যস্ত রয়েছেন চরের বসতি। সেই সাথে অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে বন্যার আশংঙ্খা করেছেন আবহাওয়া অফিস। জানা গেছে, সোমবার রাত আড়াইটার সময় নদের প্রবল স্রোতে তীব্র ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। ফলে বিশার পাড়া আশ্রায়ন প্রকল্পটিতে বসবাসরত ১৬০ টি পরিবারের মধ্যে এক রাতেই ২৫ টি পরিবারের ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক ভাবে প্রানহানির ঘটনা না ঘটলেও পরিবার গুলো ঘর-বাড়ি হারিয়ে অফুরন্ত ক্ষয়ক্ষতিতে পড়েছেন। আজ তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীন যাপন করছেন। গবাদি পশু সহ আসবাব পত্র সামলাতে গৃহহীন পরিবার গুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ভাঙ্গনে কবলে পড়ে ঘরবাড়ি হারানো আজিদ, আজম, আলম, মতিয়ার , নজরুল, হামিদ, লাল মিয়া, মোকলেছুর, শাহীন , আর: রহিম, বক্কর,রসিদ, রুবিনা,মনছুর জানান, আমাদের ঘর- বাড়ি গুলো স্থানান্তর সহ খাদ্য সামগ্রী, ঔষধ-পত্র ও জরুরী সামগ্রী সহায়তা দেয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট অনুরোধ করছি।
চিলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল কাজী জানান, হঠাৎ নদের ভাঙ্গন শুরু হয়ে নিমিষেই ঘর-বাড়ি গুলো এমন ভাবে ভেঙ্গে গেছে যে জিনিষ-পত্র সড়ানোর সময় হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভূক্ত ভোগী পরিবার তাদের ঘরবাড়িগুলো যেন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলেন। সোমবার উক্ত গৃহহীনদের মাঝে রিলিফ বিতরন করা হলেও তা প্রয়োজনের তূলনায় অপ্রতুল। অপর দিকে অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে চিলমারীতে বন্যা হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
এলাকাবাসীরা জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন প্রতিরোধে এখনই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে, অব্যাহত নদের ভাঙ্গনে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নদের বুকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।
