ফুটবল
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নাটকীয় লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা। মেসির নেতৃত্বাধীন দল এবার স্বপ্নের শিরোপা থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে।
টানটান উত্তেজনায় পূর্ণ স্টেডিয়ামে চললো ফুটবলের উন্মাদনা। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে আর্জেন্টিনা। মেসির ম্যাজিক আর দলগত বোঝাপড়ায় ইংল্যান্ডের রক্ষণ বারবার ভেঙে পড়ে।
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে দুর্দান্ত কামব্যাক:
৫৫ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ার পরও হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। মেসির নেতৃত্বে ২-১ গোলের জয় নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো আলবিসেলেস্তেরা।
প্রথমার্ধে ম্যাচের শুরুটা ছিল টানটান উত্তেজনার। দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ করেছে। কিন্তু গোলের দেখা মেলেনি। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫ মিনিটে গোল করে ইংল্যান্ড। হঠাৎ পাল্টা আক্রমণে গোল হজম করে বসে আর্জেন্টিনা। স্টেডিয়ামে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের উল্লাস।
এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। গোল খাওয়ার পর মেসি দলকে জাগিয়ে তোলেন। আর্জেন্টিনা মরিয়া হয়ে আক্রমণ শুরু করে। মিডফিল্ডের দখল নিয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে তাকে। ৮৫ মিনিটে ফার্নান্ডোসের গোলে এগিয়ে গিয়ে অতিরিক্ত সময়ে লাউতারো মার্তিনেজের গোলে ব্যবধান বাড়ায় তারা। চূড়ান্ত ফলফলে ইংল্যান্ডে ১ - ২ গোলে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ৩ টা মূল পয়েন্ট:
1. ৫৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর ভেঙে না পড়ে ঘুরে দাঁড়ানোই ছিল জয়ের চাবিকাঠি। এটাই চ্যাম্পিয়ন দলের লক্ষণ।
2. অধিনায়ক হিসেবে মেসি শুধু খেলেননি, পুরো দলকে টেনেছেন। তার জাদুতেই ফাইনালের টিকিট কনফার্ম।
3. ইংল্যান্ডও ভালো লড়েছে। কিন্তু আর্জেন্টিনার আক্রমণের পরাজিত হয়েছে।
এই জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা পৌঁছে গেল বিশ্বকাপ ফাইনালে। স্বপ্নের শিরোপার আর এক ধাপ কাছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নাটকীয় লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা। মেসির নেতৃত্বাধীন দল এবার স্বপ্নের শিরোপা থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে।
টানটান উত্তেজনায় পূর্ণ স্টেডিয়ামে চললো ফুটবলের উন্মাদনা। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে আর্জেন্টিনা। মেসির ম্যাজিক আর দলগত বোঝাপড়ায় ইংল্যান্ডের রক্ষণ বারবার ভেঙে পড়ে।
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে দুর্দান্ত কামব্যাক:
৫৫ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ার পরও হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। মেসির নেতৃত্বে ২-১ গোলের জয় নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো আলবিসেলেস্তেরা।
প্রথমার্ধে ম্যাচের শুরুটা ছিল টানটান উত্তেজনার। দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ করেছে। কিন্তু গোলের দেখা মেলেনি। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫ মিনিটে গোল করে ইংল্যান্ড। হঠাৎ পাল্টা আক্রমণে গোল হজম করে বসে আর্জেন্টিনা। স্টেডিয়ামে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের উল্লাস।
এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। গোল খাওয়ার পর মেসি দলকে জাগিয়ে তোলেন। আর্জেন্টিনা মরিয়া হয়ে আক্রমণ শুরু করে। মিডফিল্ডের দখল নিয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে তাকে। ৮৫ মিনিটে ফার্নান্ডোসের গোলে এগিয়ে গিয়ে অতিরিক্ত সময়ে লাউতারো মার্তিনেজের গোলে ব্যবধান বাড়ায় তারা। চূড়ান্ত ফলফলে ইংল্যান্ডে ১ - ২ গোলে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ৩ টা মূল পয়েন্ট:
1. ৫৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর ভেঙে না পড়ে ঘুরে দাঁড়ানোই ছিল জয়ের চাবিকাঠি। এটাই চ্যাম্পিয়ন দলের লক্ষণ।
2. অধিনায়ক হিসেবে মেসি শুধু খেলেননি, পুরো দলকে টেনেছেন। তার জাদুতেই ফাইনালের টিকিট কনফার্ম।
3. ইংল্যান্ডও ভালো লড়েছে। কিন্তু আর্জেন্টিনার আক্রমণের পরাজিত হয়েছে।
এই জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা পৌঁছে গেল বিশ্বকাপ ফাইনালে। স্বপ্নের শিরোপার আর এক ধাপ কাছে।
