কৃষি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) পরিচালিত চারটি গভীর নলকূপ তালাবদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ায় কয়েক হাজার কৃষক চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত চারটি গভীর নলকূপে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে নলকূপের অপারেটর ও লাইনম্যানদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যের নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল সেখানে গিয়ে পূর্বের তালা খুলে নতুন করে তালা লাগিয়ে দেয়। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের কক্ষ থেকে তাদের ব্যক্তিগত মালামাল বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নলকূপ বন্ধ থাকায় সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। তাদের ভাষ্য, চলতি মৌসুমে ধানসহ অন্যান্য ফসলের আবাদে নিয়মিত সেচ প্রয়োজন। দ্রুত পানি সরবরাহ চালু না হলে উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এসব নলকূপ পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি নতুন অপারেটর নিয়োগের পর স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তিনি বিষয়টি দেখভাল করেন। তার দাবি, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যেই তিনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “ঘটনাটি আগে জানা ছিল না। এখন অবগত হয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশাসনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সেচ কার্যক্রম স্বাভাবিক করা জরুরি, যাতে কৃষকরা ক্ষতির মুখে না পড়েন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) পরিচালিত চারটি গভীর নলকূপ তালাবদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ায় কয়েক হাজার কৃষক চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত চারটি গভীর নলকূপে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে নলকূপের অপারেটর ও লাইনম্যানদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যের নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল সেখানে গিয়ে পূর্বের তালা খুলে নতুন করে তালা লাগিয়ে দেয়। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের কক্ষ থেকে তাদের ব্যক্তিগত মালামাল বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নলকূপ বন্ধ থাকায় সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। তাদের ভাষ্য, চলতি মৌসুমে ধানসহ অন্যান্য ফসলের আবাদে নিয়মিত সেচ প্রয়োজন। দ্রুত পানি সরবরাহ চালু না হলে উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এসব নলকূপ পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি নতুন অপারেটর নিয়োগের পর স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তিনি বিষয়টি দেখভাল করেন। তার দাবি, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যেই তিনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “ঘটনাটি আগে জানা ছিল না। এখন অবগত হয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশাসনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সেচ কার্যক্রম স্বাভাবিক করা জরুরি, যাতে কৃষকরা ক্ষতির মুখে না পড়েন।
