শিক্ষা
দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমের অনলাইন ভার্সনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে শতভাগ উৎসব ভাতা পেতে পারেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যে, এ বিষয়ে তার কাছে স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, "এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদের আগেই শতভাগ উৎসব ভাতার বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এ ধরনের কোনো বিষয় এখনো আলোচনাই হয়নি।"
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, "শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে এই ঈদের পূর্বে উৎসব ভাতা শতভাগ করা নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান করতে কত টাকা বাজেট দরকার, সেটি আগে বের করতে হবে। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর আমাদের প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে অর্থের সংস্থানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় অর্থ দিতে সম্মতি দিলে পরিপত্র জারি হবে। কাজেই ঈদের আগে শতভাগ উৎসব ভাতা পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নাই।"
এর আগে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিং এ শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই সরকারের আমলে শিক্ষকদের শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, "বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের উৎসব ভাতার বিষয়টি সরকার অবগত। সরকার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে।" তার এই আশ্বাসকে ভিত্তি করেই মূলত বিভিন্ন মাধ্যমে শতভাগ উৎসব ভাতার রিউমারটি ছড়িয়ে পড়ে। তবে বাংলাদেশের প্রায় ছয় লক্ষাধিক এমপিও শিক্ষক কর্মচারী এই খবরের বাস্তব প্রয়োগ দেখতে চাই।
উল্লেখ্য যে, পূর্বে শিক্ষকদের ২৫ শতাংশ এবং কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদান করা হতো। গত বছর এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের পর শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ করা হয়। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা ও ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পেয়ে থাকেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমের অনলাইন ভার্সনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে শতভাগ উৎসব ভাতা পেতে পারেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যে, এ বিষয়ে তার কাছে স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, "এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদের আগেই শতভাগ উৎসব ভাতার বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এ ধরনের কোনো বিষয় এখনো আলোচনাই হয়নি।"
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, "শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে এই ঈদের পূর্বে উৎসব ভাতা শতভাগ করা নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান করতে কত টাকা বাজেট দরকার, সেটি আগে বের করতে হবে। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর আমাদের প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে অর্থের সংস্থানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় অর্থ দিতে সম্মতি দিলে পরিপত্র জারি হবে। কাজেই ঈদের আগে শতভাগ উৎসব ভাতা পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নাই।"
এর আগে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিং এ শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই সরকারের আমলে শিক্ষকদের শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, "বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের উৎসব ভাতার বিষয়টি সরকার অবগত। সরকার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে।" তার এই আশ্বাসকে ভিত্তি করেই মূলত বিভিন্ন মাধ্যমে শতভাগ উৎসব ভাতার রিউমারটি ছড়িয়ে পড়ে। তবে বাংলাদেশের প্রায় ছয় লক্ষাধিক এমপিও শিক্ষক কর্মচারী এই খবরের বাস্তব প্রয়োগ দেখতে চাই।
উল্লেখ্য যে, পূর্বে শিক্ষকদের ২৫ শতাংশ এবং কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদান করা হতো। গত বছর এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের পর শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ করা হয়। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা ও ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পেয়ে থাকেন।
