ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গতকাল জামায়তে ইসলামীর দাড়ি পাল্লা জয়লাভ করায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতা ও কর্মীগন। অনেকের সাথে কথা বলার সময় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই নির্বাচনে এবার আওয়ামীলীগের সাধারন ও হিন্দু ভোটাররা দাড়ি পাল্লা প্রতীকে সকলেই ভোট দিয়েছেন। বিগত নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের ভোটের তুলনায় জামায়াতের ভোট চিলমারী উপজেলায় কম ছিল। কিন্তু এবারে নির্বাচনে আওয়ামীগের ভেটের হদীস না পাওয়ায় এ ভোট গুলি দাড়ি পাল্লা প্রতীকের বাক্সে পড়েছে মর্মে মন্তব্য করছেন স্থানীয় বিএনপি কর্মীগন। বালাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মৎসজীবি দলের চিলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি আমজাদ হোসেনের অভিযোগ, জামায়াত আগে থেকেই প্রশাসনের সহানুভূতি অর্জন সহ বাড়ি বাড়ি মহিলাদের সমর্থন আদায়ে দীর্ঘ দিন থেকে নানান কলা-কৌশল খাটিয়েছেন। তিনি আরো জানান, রাতে ভোট গননাকালীন থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে হঠাৎ বিদ্যূৎ চলে যাওয়ায় অন্ধকারে প্রিজাইডিং অফিসারের মাধ্যমে অনিয়ম করা হয়েছে। এ বিষয়ে উক্ত কেন্দ্রের ধানের শীষ প্রতিকের পোলিং এজেন্ট কনা বেগম অভিযোগ করেন, ভোট গননার সময় হঠাৎ বিদ্যূৎ চলে যায়,ঠিক এ সময়ে ধানের শীষের ব্যালট গুলো প্রিজাইডিং অফিসার মুঠো করে বস্তায় ঢুকান। তিনি প্রতিবাদ করে ব্যালট পূনরায় গননার দাবী জানালে প্রিজাইডিং অফিসার গননা করবেননা বলে চ্যালেঞ্জ করলে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। খবরটি বিএনপি'র নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষনিক ভাবে ছুটে এসে প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এসময় আইন শৃংঙ্খল রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। একই অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকগন বলেন, ভোট গননার মতে একটি গুরুত্বপূর্ন সময়ে হঠাৎ বিদ্যূৎ চলে যাওয়া অবশ্যই সন্দেহ জনক। তাছাড়াও জামায়াতের নেতা কর্মীরা এলাকার মসজিদ, মাদরাসা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষক, এমনকি গ্রামের বাড়ি বাড়ি বিভিন্ন বোরকা পরিহিত মহিলারা বেহেস্ত লাভের নানান লোভ দেখিয়ে প্রতারিত করে তাদের সমর্থন আদায় করেছেন। ভোট গ্রহনকারী কর্মীদের অভিযোগ, চিলমারী নির্বাচন অফিসে প্রতি ভোটেই তারা নিয়োগের নোটিশ অফিসের দেওয়ালে সাটিয়ে প্রকাশ করলেও এবারে প্রকাশ না করে কৌশল অবলম্বন করে ট্রেনিং প্রাপ্ত অনেকেই বাদ পড়েছেন এবং ট্রেনিং অংশগ্রহন ছাড়াই অনেকেই ভোট গ্রহনের দায়িত্বও পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গতকাল জামায়তে ইসলামীর দাড়ি পাল্লা জয়লাভ করায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতা ও কর্মীগন। অনেকের সাথে কথা বলার সময় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই নির্বাচনে এবার আওয়ামীলীগের সাধারন ও হিন্দু ভোটাররা দাড়ি পাল্লা প্রতীকে সকলেই ভোট দিয়েছেন। বিগত নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের ভোটের তুলনায় জামায়াতের ভোট চিলমারী উপজেলায় কম ছিল। কিন্তু এবারে নির্বাচনে আওয়ামীগের ভেটের হদীস না পাওয়ায় এ ভোট গুলি দাড়ি পাল্লা প্রতীকের বাক্সে পড়েছে মর্মে মন্তব্য করছেন স্থানীয় বিএনপি কর্মীগন। বালাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মৎসজীবি দলের চিলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি আমজাদ হোসেনের অভিযোগ, জামায়াত আগে থেকেই প্রশাসনের সহানুভূতি অর্জন সহ বাড়ি বাড়ি মহিলাদের সমর্থন আদায়ে দীর্ঘ দিন থেকে নানান কলা-কৌশল খাটিয়েছেন। তিনি আরো জানান, রাতে ভোট গননাকালীন থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে হঠাৎ বিদ্যূৎ চলে যাওয়ায় অন্ধকারে প্রিজাইডিং অফিসারের মাধ্যমে অনিয়ম করা হয়েছে। এ বিষয়ে উক্ত কেন্দ্রের ধানের শীষ প্রতিকের পোলিং এজেন্ট কনা বেগম অভিযোগ করেন, ভোট গননার সময় হঠাৎ বিদ্যূৎ চলে যায়,ঠিক এ সময়ে ধানের শীষের ব্যালট গুলো প্রিজাইডিং অফিসার মুঠো করে বস্তায় ঢুকান। তিনি প্রতিবাদ করে ব্যালট পূনরায় গননার দাবী জানালে প্রিজাইডিং অফিসার গননা করবেননা বলে চ্যালেঞ্জ করলে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। খবরটি বিএনপি'র নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষনিক ভাবে ছুটে এসে প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এসময় আইন শৃংঙ্খল রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। একই অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকগন বলেন, ভোট গননার মতে একটি গুরুত্বপূর্ন সময়ে হঠাৎ বিদ্যূৎ চলে যাওয়া অবশ্যই সন্দেহ জনক। তাছাড়াও জামায়াতের নেতা কর্মীরা এলাকার মসজিদ, মাদরাসা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষক, এমনকি গ্রামের বাড়ি বাড়ি বিভিন্ন বোরকা পরিহিত মহিলারা বেহেস্ত লাভের নানান লোভ দেখিয়ে প্রতারিত করে তাদের সমর্থন আদায় করেছেন। ভোট গ্রহনকারী কর্মীদের অভিযোগ, চিলমারী নির্বাচন অফিসে প্রতি ভোটেই তারা নিয়োগের নোটিশ অফিসের দেওয়ালে সাটিয়ে প্রকাশ করলেও এবারে প্রকাশ না করে কৌশল অবলম্বন করে ট্রেনিং প্রাপ্ত অনেকেই বাদ পড়েছেন এবং ট্রেনিং অংশগ্রহন ছাড়াই অনেকেই ভোট গ্রহনের দায়িত্বও পেয়েছেন।
