ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে নির্বাচনী প্রচার শেষে ফেরার পথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমীর মাস্টার নুমায়ন আলীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি নেতার নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক।
প্রাপ্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোদাগাড়ী উপজেলা আমীর মাস্টার নুমায়ন আলী নির্বাচনী কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির নেতৃত্বে একদল সশন্ত্র ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হয়। হামলাকারীরা তার গাড়ি থামিয়ে চাবি কেড়ে নেয় এবং তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করে। জামায়াত নেতাদের দাবি, শুধু হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি ওই চক্রটি; বরং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও লোকমুখে ঘটনাটি নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক বলেন,
"নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, প্রার্থীরা এককভাবে ভোটারদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও স্বাভাবিক প্রচার চালাতে পারবেন। আমরা সেই আইনি কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কিন্তু একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার পাঁয়তারা করছে।"
বিবৃতিতে অধ্যাপক খালেক বর্তমান পরিস্থিতিকে 'গণতন্ত্রবিরোধী' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনতিবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একইসাথে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর আহ্বান জানান।
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই সন্ত্রাস ও অপপ্রচারের জবাব সাধারণ জনগণ আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি 'নীরব ব্যালট বিপ্লবের' মাধ্যমে দেবে। ইনশাআল্লাহ।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে নির্বাচনী প্রচার শেষে ফেরার পথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমীর মাস্টার নুমায়ন আলীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি নেতার নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক।
প্রাপ্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোদাগাড়ী উপজেলা আমীর মাস্টার নুমায়ন আলী নির্বাচনী কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির নেতৃত্বে একদল সশন্ত্র ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হয়। হামলাকারীরা তার গাড়ি থামিয়ে চাবি কেড়ে নেয় এবং তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করে। জামায়াত নেতাদের দাবি, শুধু হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি ওই চক্রটি; বরং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও লোকমুখে ঘটনাটি নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক বলেন,
"নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, প্রার্থীরা এককভাবে ভোটারদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও স্বাভাবিক প্রচার চালাতে পারবেন। আমরা সেই আইনি কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কিন্তু একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার পাঁয়তারা করছে।"
বিবৃতিতে অধ্যাপক খালেক বর্তমান পরিস্থিতিকে 'গণতন্ত্রবিরোধী' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনতিবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একইসাথে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর আহ্বান জানান।
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই সন্ত্রাস ও অপপ্রচারের জবাব সাধারণ জনগণ আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি 'নীরব ব্যালট বিপ্লবের' মাধ্যমে দেবে। ইনশাআল্লাহ।
