ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
যশোরের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী সমাজকে পেছনে রেখে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি নারীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) উপশহর কলেজ মাঠে বৃহত্তর যশোরে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রতিটি গৃহিণী বা মায়ের কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তারা প্রতি মাসে সরকারি সুবিধা পাবেন । তিনি আরও বলেন, নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলেই দেশ পুনর্গঠন সম্ভব।
তিনি বলেন, যারা দেশের মা-বোনদের সম্মান দিতে জানে না, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না।
কৃষি ও উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপি আবারও সারাদেশে ‘খাল খনন কর্মসূচি’ শুরু করবে। তিনি বিশেষ করে যশোরের ঐতিহাসিক উলসী খাল প্রকল্পের উল্লেখ করেন এবং ক্ষমতায় গেলে এই প্রকল্পসহ অন্যান্য মৃতপ্রায় জলাশয় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন । এছাড়া কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ প্রবর্তন এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করার ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন তিনি যশোরের স্থানীয় শিল্পের উন্নয়নে তারেক রহমান বলেন, যশোরের ফুল চাষ একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। এই শিল্পকে পোশাক শিল্পের মতো বিদেশে রপ্তানি করার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনি কলগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশ্বাস দেন তিনি ।
তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে আইটি পার্ক নির্মাণ, আইটি ট্রেনিং এবং ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান তারেক রহমান। এছাড়া মসজিদ-মাদ্রাসার ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য সরকারিভাবে সম্মানজনক ভাতার ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার করেন তিনি । আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ‘দেশপ্রেমিক ও দেশবিরোধীদের লড়াই’ হিসেবে অভিহিত করে তারেক রহমান নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। ১২ তারিখ সারাদিন ভোটকেন্দ্র পাহারা দিন এবং ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করুন ।যশোরের এই জনসভায় ৭ জেলার ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, জাকির হোসেন, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, আলী আহমেদ, আব্দুল মজিদ, কুতুব উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
নির্বাচনী সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি তারেক রহমান জুলাই বিপ্লবে যুদ্ধাহত এবং শহীদদের পিতা-মাতার সাথে কুশল বিনিময় করেন।
এর আগে সকালে খুলনার খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে প্রভাতী স্কুল মাঠে মহানগর ও জেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোরের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী সমাজকে পেছনে রেখে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি নারীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) উপশহর কলেজ মাঠে বৃহত্তর যশোরে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রতিটি গৃহিণী বা মায়ের কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তারা প্রতি মাসে সরকারি সুবিধা পাবেন । তিনি আরও বলেন, নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলেই দেশ পুনর্গঠন সম্ভব।
তিনি বলেন, যারা দেশের মা-বোনদের সম্মান দিতে জানে না, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না।
কৃষি ও উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপি আবারও সারাদেশে ‘খাল খনন কর্মসূচি’ শুরু করবে। তিনি বিশেষ করে যশোরের ঐতিহাসিক উলসী খাল প্রকল্পের উল্লেখ করেন এবং ক্ষমতায় গেলে এই প্রকল্পসহ অন্যান্য মৃতপ্রায় জলাশয় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন । এছাড়া কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ প্রবর্তন এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করার ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন তিনি যশোরের স্থানীয় শিল্পের উন্নয়নে তারেক রহমান বলেন, যশোরের ফুল চাষ একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। এই শিল্পকে পোশাক শিল্পের মতো বিদেশে রপ্তানি করার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনি কলগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশ্বাস দেন তিনি ।
তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে আইটি পার্ক নির্মাণ, আইটি ট্রেনিং এবং ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান তারেক রহমান। এছাড়া মসজিদ-মাদ্রাসার ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য সরকারিভাবে সম্মানজনক ভাতার ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার করেন তিনি । আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ‘দেশপ্রেমিক ও দেশবিরোধীদের লড়াই’ হিসেবে অভিহিত করে তারেক রহমান নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। ১২ তারিখ সারাদিন ভোটকেন্দ্র পাহারা দিন এবং ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করুন ।যশোরের এই জনসভায় ৭ জেলার ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, জাকির হোসেন, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, আলী আহমেদ, আব্দুল মজিদ, কুতুব উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
নির্বাচনী সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি তারেক রহমান জুলাই বিপ্লবে যুদ্ধাহত এবং শহীদদের পিতা-মাতার সাথে কুশল বিনিময় করেন।
এর আগে সকালে খুলনার খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে প্রভাতী স্কুল মাঠে মহানগর ও জেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
