বিদ্যুৎবিদ্যুৎ

গোদাগাড়ীতে লোডশেডিংয়ের মহোৎসব: দিনে-রাতে নেই বিদ্যুৎ, অন্ধকারে জনপদ

শেয়ার করুন
অ+ অ-
গোদাগাড়ীতে লোডশেডিংয়ের মহোৎসব: দিনে-রাতে নেই বিদ্যুৎ, অন্ধকারে জনপদ
দাঁড়িয়ে আছে গ্রিড লাইন, নেই বিদ্যুৎ: গোদাগাড়ীতে গত তিন দিন ধরে চলা নজিরবিহীন লোডশেডিংয়ে এভাবেই স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। অঘোষিত এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনমনে বাড়ছে তীব্র ক্ষোভ।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে গত তিন দিন ধরে বিদ্যুতের চরম অস্থিরতায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দিনভর লোডশেডিংয়ের পর রাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। কর্তৃপক্ষের কোনো আগাম ঘোষণা বা মাইকিং ছাড়াই এমন নজিরবিহীন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

​অন্ধকারে পুরো এলাকা:

বিগত ৭২ ঘণ্টা ধরে গোদাগাড়ীর পৌর এলাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ ভয়াবহভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। দিনে কয়েক ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ আসলেও কিছুক্ষণ পর আবার চলে যাচ্ছে। রাতের চিত্র আরও ভয়াবহ; ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ শিশু ও বয়স্করা। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং অসুস্থ রোগীদের জীবনযাপন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

​ব্যবসায়িক ও দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত:

বিদ্যুতের অভাবে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থবিরতা নেমে এসেছে। কম্পিউটার দোকান, ইন্টারনেট পরিষেবা এবং ক্ষুদ্র কল-কারখানাগুলো প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, "সারাদিন তো বিদ্যুৎ থাকেই না, রাতেও একই অবস্থা। আমরা ব্যবসা করব কীভাবে? আর কাউকে অভিযোগ দেওয়ারও সুযোগ নেই।"

​কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা:

সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায়। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, কেন এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে—সেটি না জানানো হচ্ছে মাইকিং করে, না দেওয়া হচ্ছে সংবাদপত্রে কোনো বিজ্ঞপ্তি। কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি জাতীয় গ্রিডের সমস্যা, সে সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য না মেলায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

​জনদাবি:

গোদাগাড়ীবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই অঘোষিত লোডশেডিং বন্ধ করতে হবে। যদি বড় কোনো মেরামতের কাজ থাকে, তবে তা আগে থেকে মাইকিং করে জনগণকে জানাতে হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহে এমন বৈষম্য ও দায়িত্বহীনতা চললে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকাবাসী

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


গোদাগাড়ীতে লোডশেডিংয়ের মহোৎসব: দিনে-রাতে নেই বিদ্যুৎ, অন্ধকারে জনপদ

প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে গত তিন দিন ধরে বিদ্যুতের চরম অস্থিরতায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দিনভর লোডশেডিংয়ের পর রাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। কর্তৃপক্ষের কোনো আগাম ঘোষণা বা মাইকিং ছাড়াই এমন নজিরবিহীন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

​অন্ধকারে পুরো এলাকা:

বিগত ৭২ ঘণ্টা ধরে গোদাগাড়ীর পৌর এলাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ ভয়াবহভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। দিনে কয়েক ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ আসলেও কিছুক্ষণ পর আবার চলে যাচ্ছে। রাতের চিত্র আরও ভয়াবহ; ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ শিশু ও বয়স্করা। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং অসুস্থ রোগীদের জীবনযাপন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

​ব্যবসায়িক ও দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত:

বিদ্যুতের অভাবে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থবিরতা নেমে এসেছে। কম্পিউটার দোকান, ইন্টারনেট পরিষেবা এবং ক্ষুদ্র কল-কারখানাগুলো প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, "সারাদিন তো বিদ্যুৎ থাকেই না, রাতেও একই অবস্থা। আমরা ব্যবসা করব কীভাবে? আর কাউকে অভিযোগ দেওয়ারও সুযোগ নেই।"

​কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা:

সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায়। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, কেন এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে—সেটি না জানানো হচ্ছে মাইকিং করে, না দেওয়া হচ্ছে সংবাদপত্রে কোনো বিজ্ঞপ্তি। কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি জাতীয় গ্রিডের সমস্যা, সে সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য না মেলায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

​জনদাবি:

গোদাগাড়ীবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই অঘোষিত লোডশেডিং বন্ধ করতে হবে। যদি বড় কোনো মেরামতের কাজ থাকে, তবে তা আগে থেকে মাইকিং করে জনগণকে জানাতে হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহে এমন বৈষম্য ও দায়িত্বহীনতা চললে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকাবাসী


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত