বিদ্যুৎ
আহত এক কর্মকর্তা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের শিমরাইল গ্রামে টানা এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিদ্যুৎ সরবরাহকারী বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) স্থানীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পিডিবির এক কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিমরাইল গ্রামের একটি বড় অংশে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক নেই। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর সমাধান না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ভোগান্তি বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের জন্য তারা একাধিকবার পিডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় ক্ষোভ ক্রমেই বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন পিডিবি কার্যালয়ে গিয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এ সময় কার্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
হামলার সময় পিডিবির এক কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে একদিকে দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবি উঠেছে, অন্যদিকে সরকারি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার মতো জনদুর্ভোগের দ্রুত সমাধান করা যেমন কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, তেমনি কোনো অবস্থাতেই সরকারি সম্পদে হামলা বা কর্মকর্তাদের ওপর আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে, শিমরাইল গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে পিডিবির পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ঠিক কী কারণে এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে—তা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
তথ্য-প্রেক্ষাপট-জনদুর্ভোগ—সব মিলিয়ে শিমরাইলের বিদ্যুৎ সংকট এখন শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়; এটি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সংকটেরও বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
আহত এক কর্মকর্তা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের শিমরাইল গ্রামে টানা এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিদ্যুৎ সরবরাহকারী বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) স্থানীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পিডিবির এক কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিমরাইল গ্রামের একটি বড় অংশে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক নেই। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর সমাধান না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ভোগান্তি বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের জন্য তারা একাধিকবার পিডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় ক্ষোভ ক্রমেই বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন পিডিবি কার্যালয়ে গিয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এ সময় কার্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
হামলার সময় পিডিবির এক কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে একদিকে দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবি উঠেছে, অন্যদিকে সরকারি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার মতো জনদুর্ভোগের দ্রুত সমাধান করা যেমন কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, তেমনি কোনো অবস্থাতেই সরকারি সম্পদে হামলা বা কর্মকর্তাদের ওপর আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে, শিমরাইল গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে পিডিবির পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ঠিক কী কারণে এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে—তা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
তথ্য-প্রেক্ষাপট-জনদুর্ভোগ—সব মিলিয়ে শিমরাইলের বিদ্যুৎ সংকট এখন শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়; এটি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সংকটেরও বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
