ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নেত্রকোনার ৫টি সংসদীয় আসনে ২২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ও ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী:
নেত্রকোনা-১: (কলমাকান্দা-দূর্গাপুর) আসনের মোট ৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী গোলাম রব্বানী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শান্ত, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল মান্নান সোহাগ, কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আলকাস উদ্দিন মীর এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ও সমাজতান্ত্রিক দলের প্রার্থী মো. বেলাল হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফুর রহমান ডিপ্টির (রুবেল) এর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনা-২: (সদর-বারহাট্টা) আসনের মোট ৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডাক্তার মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা এনামূল হক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী এবিএম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাও. আব্দুল কাইয়ুম, এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠান এর মনোনয়ন বৈধ এবং খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী গাজী আব্দুর রহীম রুহী এর মনোনয়নপত্র বাতিল ও ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী শরিফ উদ্দিন তাং এর মনোনয়নপত্র স্থগীত ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনা-৩: (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনের ৬টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালী, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খায়রুল কবীর নিয়োগী, ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী জাকির হোসেন, ইমলামী ঐক্যফন্ট এর প্রার্থী শামছুজ্জোহা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল এর মনোনয়ন বৈধ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবুল হোসেন তাং এর প্রার্থীতা স্থগীত ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনা-৪: (মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি) আসনের ৬টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক আল-হেলাল তালুকদার, ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মো. মুখলেছুর রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন বৈধ এবং বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির চম্পা রানী’র মনোনয়নপত্র বাতিল ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী জলি তালুকদারের প্রার্থীতা স্থগীত ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনা-৫: (পূর্বধলা) আসনের ৪টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার ও ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম এর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান আজাদ এর মনোনয়নপত্র বাতিল ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাসুম মোস্তফার প্রার্থীতা স্থগীত ঘোষণা করা হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলার ৫টি আসনে মোট ৪২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ৩০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। নেত্রকোনার ৫টি আসনে জমাকৃত মোট ৩০টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ২২টি বৈধ, ৫টি বাতিল ও ৩টি মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন ও যাদের প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়েছে তারা বেধে দেয়া সময় সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে তাদেরও মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হবে। মনোনয়নপত্র যাচা-বাছাইকালে জেলা পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নেত্রকোনার ৫টি সংসদীয় আসনে ২২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ও ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী:
নেত্রকোনা-১: (কলমাকান্দা-দূর্গাপুর) আসনের মোট ৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী গোলাম রব্বানী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শান্ত, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল মান্নান সোহাগ, কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আলকাস উদ্দিন মীর এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ও সমাজতান্ত্রিক দলের প্রার্থী মো. বেলাল হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফুর রহমান ডিপ্টির (রুবেল) এর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনা-২: (সদর-বারহাট্টা) আসনের মোট ৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডাক্তার মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা এনামূল হক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী এবিএম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাও. আব্দুল কাইয়ুম, এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠান এর মনোনয়ন বৈধ এবং খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী গাজী আব্দুর রহীম রুহী এর মনোনয়নপত্র বাতিল ও ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী শরিফ উদ্দিন তাং এর মনোনয়নপত্র স্থগীত ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনা-৩: (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনের ৬টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালী, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খায়রুল কবীর নিয়োগী, ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী জাকির হোসেন, ইমলামী ঐক্যফন্ট এর প্রার্থী শামছুজ্জোহা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল এর মনোনয়ন বৈধ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবুল হোসেন তাং এর প্রার্থীতা স্থগীত ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনা-৪: (মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি) আসনের ৬টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক আল-হেলাল তালুকদার, ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মো. মুখলেছুর রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন বৈধ এবং বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির চম্পা রানী’র মনোনয়নপত্র বাতিল ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী জলি তালুকদারের প্রার্থীতা স্থগীত ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনা-৫: (পূর্বধলা) আসনের ৪টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার ও ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম এর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান আজাদ এর মনোনয়নপত্র বাতিল ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাসুম মোস্তফার প্রার্থীতা স্থগীত ঘোষণা করা হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলার ৫টি আসনে মোট ৪২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ৩০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। নেত্রকোনার ৫টি আসনে জমাকৃত মোট ৩০টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ২২টি বৈধ, ৫টি বাতিল ও ৩টি মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন ও যাদের প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়েছে তারা বেধে দেয়া সময় সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে তাদেরও মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হবে। মনোনয়নপত্র যাচা-বাছাইকালে জেলা পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
