কৃষি
পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এখন আগের চেয়ে বেশি করে পরিবেশবান্ধব চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। এরই অংশ হিসেবে মাঠে মাঠে জৈব সারের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকেরা বলছেন, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে জমির উর্বরতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তাই বিকল্প হিসেবে গোবর সার, কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্ট ও সবুজ সার ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন তারা।
জৈব সার ব্যবহারে মাটির গুণাগুণ বজায় থাকছে, ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে ফলনও স্থিতিশীল থাকছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত ফসল বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের জৈব চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা হচ্ছে, অন্যদিকে টেকসই কৃষি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এখন আগের চেয়ে বেশি করে পরিবেশবান্ধব চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। এরই অংশ হিসেবে মাঠে মাঠে জৈব সারের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকেরা বলছেন, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে জমির উর্বরতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তাই বিকল্প হিসেবে গোবর সার, কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্ট ও সবুজ সার ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন তারা।
জৈব সার ব্যবহারে মাটির গুণাগুণ বজায় থাকছে, ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে ফলনও স্থিতিশীল থাকছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত ফসল বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের জৈব চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা হচ্ছে, অন্যদিকে টেকসই কৃষি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।
