কৃষিকৃষি

তীব্র শীতে গোদাগাড়ীতে বোরো চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

শেয়ার করুন
অ+ অ-
তীব্র শীতে গোদাগাড়ীতে বোরো চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা
ঘন কুয়াশা ও শীতের প্রভাবে গোদাগাড়ীতে বোরো চাষে অনিশ্চয়তা।

তীব্র শীতের কারণে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় চলতি মৌসুমের বোরো ধান চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ঘন কুয়াশা ও নিম্ন তাপমাত্রার প্রভাবে বীজতলা ঠিকমতো বাড়ছে না, অনেক জায়গায় চারা হলদে হয়ে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গোদাগাড়ীতে প্রায় ১৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে শীতের প্রকোপ দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। বীজতলা রক্ষায় অনেকে প্লাস্টিক শিট দিয়ে ঢেকে রাখা ও সেচ দেওয়ার মতো বাড়তি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, এতে খরচও বেড়ে যাচ্ছে।

কৃষকরা জানান, শীত কমতে দেরি হলে নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে হতে পারে, যা সময় ও অর্থ—দু’দিক থেকেই ক্ষতির কারণ হবে। এদিকে কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন এবং বীজতলায় হালকা সেচ, আগাছা পরিষ্কার ও প্রয়োজন অনুযায়ী ঢেকে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, আবহাওয়া অনুকূলে না এলে বোরো আবাদ ও ফলনে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, যা গোদাগাড়ীর কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


তীব্র শীতে গোদাগাড়ীতে বোরো চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

তীব্র শীতের কারণে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় চলতি মৌসুমের বোরো ধান চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ঘন কুয়াশা ও নিম্ন তাপমাত্রার প্রভাবে বীজতলা ঠিকমতো বাড়ছে না, অনেক জায়গায় চারা হলদে হয়ে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গোদাগাড়ীতে প্রায় ১৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে শীতের প্রকোপ দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। বীজতলা রক্ষায় অনেকে প্লাস্টিক শিট দিয়ে ঢেকে রাখা ও সেচ দেওয়ার মতো বাড়তি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, এতে খরচও বেড়ে যাচ্ছে।

কৃষকরা জানান, শীত কমতে দেরি হলে নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে হতে পারে, যা সময় ও অর্থ—দু’দিক থেকেই ক্ষতির কারণ হবে। এদিকে কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন এবং বীজতলায় হালকা সেচ, আগাছা পরিষ্কার ও প্রয়োজন অনুযায়ী ঢেকে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, আবহাওয়া অনুকূলে না এলে বোরো আবাদ ও ফলনে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, যা গোদাগাড়ীর কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত