নারী-শিশু
প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে দেখা করতে এসে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের অভিযানে এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকেণার কেন্দুয়া উপজেলায়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এর আগে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ওই গ্রামের ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন কাশিপুর গ্রামের মঙ্গল মিয়ার ছেলে বিল্লাল (২২), রুস্তম আলীর ছেলে হারুন (২৭) ও এখলাছ মিয়ার ছেলে রুবেল (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পুবাইল গ্রামে। কাশিপুর গ্রামের বিল্লালের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে। ওই সম্পর্কের সূত্র ধরে শনিবার রাতে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ থেকে কেন্দুয়ায় আসেন। পরে কাশিপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে তাঁকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর কেন্দুয়া থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সজল সরকার বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে দেখা করতে এসে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের অভিযানে এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকেণার কেন্দুয়া উপজেলায়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এর আগে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ওই গ্রামের ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন কাশিপুর গ্রামের মঙ্গল মিয়ার ছেলে বিল্লাল (২২), রুস্তম আলীর ছেলে হারুন (২৭) ও এখলাছ মিয়ার ছেলে রুবেল (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পুবাইল গ্রামে। কাশিপুর গ্রামের বিল্লালের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে। ওই সম্পর্কের সূত্র ধরে শনিবার রাতে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ থেকে কেন্দুয়ায় আসেন। পরে কাশিপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে তাঁকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর কেন্দুয়া থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সজল সরকার বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
