নারী-শিশুনারী-শিশু

ধুনটে মনোহারী দোকানঘরে নিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ

ধুনটে মনোহারী দোকানঘরে নিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ
প্রতীকি ছবি

বাড়িতে একা রেখে যাওয়ার সুযোগটাই কাজে লাগালেন প্রতিবেশী এক ব্যবসায়ী—বগুড়ার ধুনট উপজেলার উলুরচাপড় গ্রামে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৪) কৌশলে ডেকে নিয়ে মনোহারী দোকানে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রফিকুল ইসলাম মধুর (৫০) বিরুদ্ধে।

শিউলী মোড় এলাকায় মধু মার্কেটের পাশেই বসতবাড়ি এক অটোরিকশাচালকের পরিবারের। গত ২২ আগস্ট সকালে জীবিকার তাগিদে বাড়ির সবাই কাজে বের হলে বাক-প্রতিবন্ধী মেয়েটি থেকে যায় একা। এই ফাঁকেই বেলা ১১টার দিকে তাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যান আলতাব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম, নিয়ে যান মধু মার্কেটের একটি পরিত্যক্ত মনোহারী দোকানে। সেখানেই আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।

মেয়েকে না পেয়ে দুশ্চিন্তায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে সেই পরিত্যক্ত দোকানের ভেতরই আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন রফিকুল ইসলাম—তবে স্বজনদের উপস্থিতি টের পেয়ে মুহূর্তেই পালিয়ে যান তিনি। এই ঘটনার তিন দিন পর, ২৫ আগস্ট থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন কিশোরীর বাবা। তবে ঘটনার পর থেকেই লাপাত্তা অভিযুক্ত ব্যবসায়ী।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Public Voice

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ধুনটে মনোহারী দোকানঘরে নিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাড়িতে একা রেখে যাওয়ার সুযোগটাই কাজে লাগালেন প্রতিবেশী এক ব্যবসায়ী—বগুড়ার ধুনট উপজেলার উলুরচাপড় গ্রামে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৪) কৌশলে ডেকে নিয়ে মনোহারী দোকানে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রফিকুল ইসলাম মধুর (৫০) বিরুদ্ধে।


শিউলী মোড় এলাকায় মধু মার্কেটের পাশেই বসতবাড়ি এক অটোরিকশাচালকের পরিবারের। গত ২২ আগস্ট সকালে জীবিকার তাগিদে বাড়ির সবাই কাজে বের হলে বাক-প্রতিবন্ধী মেয়েটি থেকে যায় একা। এই ফাঁকেই বেলা ১১টার দিকে তাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যান আলতাব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম, নিয়ে যান মধু মার্কেটের একটি পরিত্যক্ত মনোহারী দোকানে। সেখানেই আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।


মেয়েকে না পেয়ে দুশ্চিন্তায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে সেই পরিত্যক্ত দোকানের ভেতরই আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন রফিকুল ইসলাম—তবে স্বজনদের উপস্থিতি টের পেয়ে মুহূর্তেই পালিয়ে যান তিনি। এই ঘটনার তিন দিন পর, ২৫ আগস্ট থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন কিশোরীর বাবা। তবে ঘটনার পর থেকেই লাপাত্তা অভিযুক্ত ব্যবসায়ী।


ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত