ফলাফল
নন্দিত কথাসাহিত্যিক, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের পৈতৃক ভিটায় তাঁর নিজ হাতে গড়ে তোলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাসের পাশাপাশি ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সেরা দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এ সাফল্যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়নের কুতুবপুরে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাঁর হাতে মানপত্র তুলে দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি কৃতী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সাবেক অভিভাবক সদস্য মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জসিমউদ্দীন খোকন, রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন ভূঁইয়া সুরুজ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু ছিদ্দিক ভূঁইয়া, সহকারী প্রধান শিক্ষক শরীফ আনিস, সিনিয়র শিক্ষক মাহাবুব আলম ও অফিস সহকারী জাহাঙ্গীর আলম। এ ছাড়া শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি ড. হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি ও শিক্ষার প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের অন্যতম নিদর্শন। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যে সাফল্য অর্জন করেছে, তা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এ সাফল্য ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি ড. হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুততম সময়ে মাধ্যমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীদের আবাসনের সুবিধার্থে একটি আবাসিক ছাত্রাবাস নির্মাণেরও আশ্বাস দেন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ থেকে মোট ৩৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের সবাই কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। শতভাগ পাসের পাশাপাশি এমন ফলাফল অর্জন করায় প্রতিষ্ঠানটি নেত্রকোনা জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সেরা দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান গর্বের সঙ্গে বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের কোনো শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়নি। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিদ্যালয়টি শতভাগ পাসের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে।
অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ড. হুমায়ূন আহমেদের রত্নগর্ভা জননী প্রয়াত আয়েশা ফয়েজের স্বপ্ন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে গড়ে ওঠা শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ আজ জেলার শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাতারে স্থান করে নিয়েছে। এই অর্জন তাদের জন্য গর্বের ও অনুপ্রেরণার।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষানুরাগী, স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
নন্দিত কথাসাহিত্যিক, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের পৈতৃক ভিটায় তাঁর নিজ হাতে গড়ে তোলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাসের পাশাপাশি ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সেরা দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এ সাফল্যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়নের কুতুবপুরে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাঁর হাতে মানপত্র তুলে দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি কৃতী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সাবেক অভিভাবক সদস্য মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জসিমউদ্দীন খোকন, রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন ভূঁইয়া সুরুজ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু ছিদ্দিক ভূঁইয়া, সহকারী প্রধান শিক্ষক শরীফ আনিস, সিনিয়র শিক্ষক মাহাবুব আলম ও অফিস সহকারী জাহাঙ্গীর আলম। এ ছাড়া শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি ড. হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি ও শিক্ষার প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের অন্যতম নিদর্শন। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যে সাফল্য অর্জন করেছে, তা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এ সাফল্য ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি ড. হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুততম সময়ে মাধ্যমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীদের আবাসনের সুবিধার্থে একটি আবাসিক ছাত্রাবাস নির্মাণেরও আশ্বাস দেন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ থেকে মোট ৩৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের সবাই কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। শতভাগ পাসের পাশাপাশি এমন ফলাফল অর্জন করায় প্রতিষ্ঠানটি নেত্রকোনা জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সেরা দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান গর্বের সঙ্গে বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের কোনো শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়নি। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিদ্যালয়টি শতভাগ পাসের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে।
অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ড. হুমায়ূন আহমেদের রত্নগর্ভা জননী প্রয়াত আয়েশা ফয়েজের স্বপ্ন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে গড়ে ওঠা শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ আজ জেলার শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাতারে স্থান করে নিয়েছে। এই অর্জন তাদের জন্য গর্বের ও অনুপ্রেরণার।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষানুরাগী, স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
