ক্রিকেট
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ-সাইফের ফিফটি আর মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের শেষ ওভারের ঝড়ে ২০ ওভারে ১৮৬/৫ সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট। ফলে ৩৪ রানের বড় জয় নিয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল টাইগাররা।
শুরুতে তানজিদ হাসান ৪৪ বলে ৫৮ রান করে দলকে উড়ন্ত সূচনা দেন। ৪টা চার আর ২টা ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস।
অপরপ্রান্তে সাইফ হাসান ও কম যাননি। ৪৫ বলে ৫৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে জুটি বড় করেন। দুজনের ওপেনিং জুটিতেই আসে ১২০ রান। যা বাংলাদেশের পক্ষে এই ফরমেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির রান।
মিডল অর্ডার কিছুটা ধীর হলেও শেষের ফিনিশটা ছিল চোখ ধাঁধানো। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মাত্র ১০ বল খেলে অপরাজিত ৩১ রান করেন। পরপর চার ছক্কায় শেষ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১৮০ এর উপরে নিয়ে যান তিনি। তার এই ক্যামিওই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড নাগারভা ২/২৩ এবং ব্র্যাড ইভান্স ২/৬৫ উইকেট নেন।
১৮৭ রানের টার্গেটে নেমে জিম্বাবুয়ের শুরুটা ভালো ছিল। রায়ান বুর্ল ২৯(১৯), সিকান্দার রাজা ২৮(১২), ব্র্যাড ইভান্স ২৫(১৪) চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেনি।
আসল খেলাটা দেখিয়েছেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। রিশাদ হোসেন ৩.৪ ওভারে মাত্র ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ একাই শেষ করে দেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইন। তার সাথে মাহেদী হাসান ৪ ওভারে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন। নাহিদ রারান সম্পূরক হিসাবে বল করতে এসে সাইফ হাসান ও ১.৩ ওভারে ৪ রানে তুলে নেন ১ উইকেট।
এই জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরের ম্যাচে নামবে বাংলাদেশ। আশাকরি টপ অর্ডার + ফিনিশার + স্পিন - তিন ডিপার্টমেন্টেই জ্বলে উঠেছে টাইগাররা।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ-সাইফের ফিফটি আর মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের শেষ ওভারের ঝড়ে ২০ ওভারে ১৮৬/৫ সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট। ফলে ৩৪ রানের বড় জয় নিয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল টাইগাররা।
শুরুতে তানজিদ হাসান ৪৪ বলে ৫৮ রান করে দলকে উড়ন্ত সূচনা দেন। ৪টা চার আর ২টা ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস।
অপরপ্রান্তে সাইফ হাসান ও কম যাননি। ৪৫ বলে ৫৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে জুটি বড় করেন। দুজনের ওপেনিং জুটিতেই আসে ১২০ রান। যা বাংলাদেশের পক্ষে এই ফরমেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির রান।
মিডল অর্ডার কিছুটা ধীর হলেও শেষের ফিনিশটা ছিল চোখ ধাঁধানো। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মাত্র ১০ বল খেলে অপরাজিত ৩১ রান করেন। পরপর চার ছক্কায় শেষ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১৮০ এর উপরে নিয়ে যান তিনি। তার এই ক্যামিওই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড নাগারভা ২/২৩ এবং ব্র্যাড ইভান্স ২/৬৫ উইকেট নেন।
১৮৭ রানের টার্গেটে নেমে জিম্বাবুয়ের শুরুটা ভালো ছিল। রায়ান বুর্ল ২৯(১৯), সিকান্দার রাজা ২৮(১২), ব্র্যাড ইভান্স ২৫(১৪) চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেনি।
আসল খেলাটা দেখিয়েছেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। রিশাদ হোসেন ৩.৪ ওভারে মাত্র ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ একাই শেষ করে দেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইন। তার সাথে মাহেদী হাসান ৪ ওভারে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন। নাহিদ রারান সম্পূরক হিসাবে বল করতে এসে সাইফ হাসান ও ১.৩ ওভারে ৪ রানে তুলে নেন ১ উইকেট।
এই জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরের ম্যাচে নামবে বাংলাদেশ। আশাকরি টপ অর্ডার + ফিনিশার + স্পিন - তিন ডিপার্টমেন্টেই জ্বলে উঠেছে টাইগাররা।
