ক্রিকেট
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আরেকবার ইতিহাস লিখলো বাংলাদেশ। দুই টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ তে হোয়াইটওয়াশ করলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ টানা চতুর্থ টেস্ট জিতলো পাকিস্তানের বিপক্ষে, আর ঘরের মাটিতে প্রথমবার কোনো টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করলো।
ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলো মুশফিক-লিটনের ব্যাটিং:
খেলার প্রথম দিনে টসে জিতে ফিল্ডিং নেয় পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭৮ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১২৬ রান করেন লিটন কুমার দাস। জবাবে নাহিদ রানার গতিতে মাত্র ২৩২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান, ৪৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাচ নিজেদের করে নেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞরা। মুশফিকুর রহিম ১৩৭ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন। বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট হয়ে পাকিস্তানকে দেয় ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য।
পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভেঙে দিলো স্পিন জুটি:
৪৩৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তান লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয়। বাবর আজম ৬০ রান করেন এবং মো: রিজওয়ান ৯৪ রান করে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান। কিন্তু মিরাজ-তাইজুলের স্পিন জুটি আবারও ভাঙে পাকিস্তানের মিডল অর্ডার।
প্রথম টেস্টের মতো এখানেও মিরাজ উইকেট নেন। তাইজুল, তাসকিন, শরিফুলরা ভাগাভাগি করে উইকেট নেন।
মুশফিকের রেকর্ড সেঞ্চুরি:
এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের হয়ে ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি করেন, যা দেশের হয়ে সর্বোচ্চ।
মুশফিক বলেন, “সিলেটের উইকেটে স্পিনাররা সাহায্য পেয়েছে। আমরা প্রথম ইনিংসে লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে চাপটা পুরোপুরি পাকিস্তানের ওপর দিয়ে দিতে পেরেছি”।
অধিনায়ক শান্তর কণ্ঠে উচ্ছ্বাস:
নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, “মিরপুরে জেতার পর সিলেটেও একই মানসিকতা নিয়ে নেমেছিলাম। পুরো দল যেভাবে দায়িত্ব নিয়েছে, এটা অবিশ্বাস্য। ঘরের মাটিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করা সহজ না”।
এই সিরিজ জয়ের ফলে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে বড় লাফ দিলো বাংলাদেশ। পাকিস্তানের জন্য এটা বড় ধাক্কা — তাদের ডব্লিউটিসি ক্যাম্পেইন এখন কঠিন হয়ে গেলো। বাংলাদেশ এখন ৩টির মধ্যে ৩টি সিরিজ জিতে আছে। পরের মিশন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জুলাইয়ে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আরেকবার ইতিহাস লিখলো বাংলাদেশ। দুই টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ তে হোয়াইটওয়াশ করলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ টানা চতুর্থ টেস্ট জিতলো পাকিস্তানের বিপক্ষে, আর ঘরের মাটিতে প্রথমবার কোনো টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করলো।
ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলো মুশফিক-লিটনের ব্যাটিং:
খেলার প্রথম দিনে টসে জিতে ফিল্ডিং নেয় পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭৮ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১২৬ রান করেন লিটন কুমার দাস। জবাবে নাহিদ রানার গতিতে মাত্র ২৩২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান, ৪৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাচ নিজেদের করে নেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞরা। মুশফিকুর রহিম ১৩৭ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন। বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট হয়ে পাকিস্তানকে দেয় ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য।
পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভেঙে দিলো স্পিন জুটি:
৪৩৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তান লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয়। বাবর আজম ৬০ রান করেন এবং মো: রিজওয়ান ৯৪ রান করে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান। কিন্তু মিরাজ-তাইজুলের স্পিন জুটি আবারও ভাঙে পাকিস্তানের মিডল অর্ডার।
প্রথম টেস্টের মতো এখানেও মিরাজ উইকেট নেন। তাইজুল, তাসকিন, শরিফুলরা ভাগাভাগি করে উইকেট নেন।
মুশফিকের রেকর্ড সেঞ্চুরি:
এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের হয়ে ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি করেন, যা দেশের হয়ে সর্বোচ্চ।
মুশফিক বলেন, “সিলেটের উইকেটে স্পিনাররা সাহায্য পেয়েছে। আমরা প্রথম ইনিংসে লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে চাপটা পুরোপুরি পাকিস্তানের ওপর দিয়ে দিতে পেরেছি”।
অধিনায়ক শান্তর কণ্ঠে উচ্ছ্বাস:
নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, “মিরপুরে জেতার পর সিলেটেও একই মানসিকতা নিয়ে নেমেছিলাম। পুরো দল যেভাবে দায়িত্ব নিয়েছে, এটা অবিশ্বাস্য। ঘরের মাটিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করা সহজ না”।
এই সিরিজ জয়ের ফলে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে বড় লাফ দিলো বাংলাদেশ। পাকিস্তানের জন্য এটা বড় ধাক্কা — তাদের ডব্লিউটিসি ক্যাম্পেইন এখন কঠিন হয়ে গেলো। বাংলাদেশ এখন ৩টির মধ্যে ৩টি সিরিজ জিতে আছে। পরের মিশন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জুলাইয়ে।
