ধর্ম
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত মসজিদটির জন্য প্রতিষ্ঠাতা মরহুম সৈয়দ মৌলভী শাহজাহান আলী ১৮ শতাংশ জমি ওয়াকফ করে দেন। একই ব্যক্তি পাশের মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিও দান করেছিলেন।
বর্তমানে মসজিদটি ইটের দেয়াল ও টিনের ছাউনিতে পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরম এবং শীতকালে তীব্র ঠান্ডার কারণে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। মসজিদে এখনও পাকা ছাদ নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার এইচ আর হাবিব বলেন, “স্থানীয় মানুষের সহায়তায় কিছু ছোটখাটো সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। তবে এলাকার অধিকাংশ মানুষ আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় বড় ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।”
তিনি আরও বলেন, “মসজিদের নামে পর্যাপ্ত ওয়াকফকৃত জমি রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে মসজিদটিকে আধুনিক ও টেকসই অবকাঠামোয় রূপান্তর করা সম্ভব।”
মসজিদের মুয়াজ্জিন জহুরুল ইসলাম জানান, টিনশেডের কারণে আবহাওয়াজনিত কষ্টের মধ্যে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে হয়। তিনি মসজিদটির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এদিকে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও মসজিদটির উন্নয়নে বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। তাদের মতে, ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটি সরকারি সহায়তা পাওয়ার যোগ্য।
তবে মসজিদটির জন্য অতীতে কোনো বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছিল কি না এবং হলে তা বাস্তবে ব্যয় হয়েছে কি না— সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মসজিদ পরিচালনা কমিটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জেলা পরিষদ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছে। তাদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে ভবিষ্যতে এলাকাবাসীর জন্য একটি আধুনিক ও আরামদায়ক ইবাদতের পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত মসজিদটির জন্য প্রতিষ্ঠাতা মরহুম সৈয়দ মৌলভী শাহজাহান আলী ১৮ শতাংশ জমি ওয়াকফ করে দেন। একই ব্যক্তি পাশের মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিও দান করেছিলেন।
বর্তমানে মসজিদটি ইটের দেয়াল ও টিনের ছাউনিতে পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরম এবং শীতকালে তীব্র ঠান্ডার কারণে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। মসজিদে এখনও পাকা ছাদ নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার এইচ আর হাবিব বলেন, “স্থানীয় মানুষের সহায়তায় কিছু ছোটখাটো সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। তবে এলাকার অধিকাংশ মানুষ আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় বড় ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।”
তিনি আরও বলেন, “মসজিদের নামে পর্যাপ্ত ওয়াকফকৃত জমি রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে মসজিদটিকে আধুনিক ও টেকসই অবকাঠামোয় রূপান্তর করা সম্ভব।”
মসজিদের মুয়াজ্জিন জহুরুল ইসলাম জানান, টিনশেডের কারণে আবহাওয়াজনিত কষ্টের মধ্যে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে হয়। তিনি মসজিদটির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এদিকে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও মসজিদটির উন্নয়নে বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। তাদের মতে, ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটি সরকারি সহায়তা পাওয়ার যোগ্য।
তবে মসজিদটির জন্য অতীতে কোনো বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছিল কি না এবং হলে তা বাস্তবে ব্যয় হয়েছে কি না— সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মসজিদ পরিচালনা কমিটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জেলা পরিষদ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছে। তাদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে ভবিষ্যতে এলাকাবাসীর জন্য একটি আধুনিক ও আরামদায়ক ইবাদতের পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
