সাক্ষাৎকার
ফায়ার! ফায়ার! ফায়ার! কাকা, কিসের শব্দ? হায়রে গেল-গেল, শেষ হয়ে গেল একেবারে, শেষ হয়ে গেল সব… হায় আল্লাহ! হায়! নাফি ঐখানে এত মানুষ কেন? হঠাৎ অ্যাম্বুল্যান্স ছুটে এসে রহিম মিয়াকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। কে জানে, আর কত দুঃখিনী মায়ের বুক আজ শূন্য হলো। গত ১৭ বছরে দেশের নির্বাচনী দৃশ্যপট ঠিক এমনভাবেই সাজানো হতো। মায়েদের বুক খালি হতো, সন্তানের লাশের রক্তে ভিজে যেত রাজপথ, আর সেই আহাজারি দেখার যেন কেউ থাকত না। সহিংসতা, গুলি, রক্ত, এসবই যেন ছিল নির্বাচনের অবধারিত অনুষঙ্গ।
হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছে এক নতুন বাংলাদেশ। সেই রক্তের উপর দিয়েই হতে যাচ্ছে আগামীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রশ্ন হলো, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সংস্কারের এই সময়ে এমন পরিবেশ কি আবার চাইবে সাধারণ জনগণ বা শিক্ষার্থীরা? তারা কি চায় আবার বুকের ওপর গুলি আসুক, রাজপথ রঞ্জিত হোক তাজা রক্তে? নিশ্চয়ই নয়। এই নতুন বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশি। তারা চায় এমন একটি নির্বাচন, যেখানে ভয় নয়, থাকবে উৎসব, রক্ত নয়, থাকবে রায়, সহিংসতা নয়, থাকবে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। সেই প্রত্যাশার কথাই তুলে ধরেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের নির্বাচন দিনের ভাবনা ও আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম।
"রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, সহিংসতাহীন ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ চাই"
প্রশাসনে রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব থাকায় বাংলাদেশের নির্বাচন বরাবরই ঝুকিপূর্ণ। প্রশাসনে ক্ষমতার ভারকেন্দ্র বিভিন্ন দিকে ঝুকে থাকায় মাঠপর্যায়ে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনা। ফলশ্রুতিতে ছোটখাটো মারামারি থেকে শুরু করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটার পূর্ব ইতিহাস রয়েছে। তবে ৫ই আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে প্রশাসনিক পর্যায়ে ব্যাপক সংস্কার করায় আশা করছি জটিলতা কম হবে। গণভোট পরবর্তী সময়ে পুলিশ কমিশন গঠন যেহেতু হবে তাই আশা রাখছি প্রশাসনের উপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কমে আসবে। তবে এতোকিছুর পরও প্রার্থীরা যখন ভোটকেন্দ্র দখলের আশঙ্কা করে তখন আমরা হতাশ হই। একটি গণঅভ্যুত্থানের পরও একটা সুন্দর নির্বাচনী সিস্টেম ডেভেলপ করতে না পারার ব্যার্থতা ইন্টেরিমকে নিতে হবে। আশা রাখছি ১২ই ফেব্রুয়ারী এদেশের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে একটি অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যেখানে অতীতের মতো কেন্দ্র দখল কিংবা হানাহানী থাকবেনা। তবে যারা আওয়ামী স্টাইলে কেন্দ্র দখল, ভোট প্রদানে বাধা দেয়া এবং ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে যাবে তাদের পরিণতিও হবে আওয়ামী লীগের মতো।
আরাফ ভূইয়া
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ
"শহীদের রক্তের মর্যাদায় উৎসবমুখর ও ফেয়ার নির্বাচনই নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি"
আমরা চাই একটা সুন্দর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর হোক।রক্তক্ষয়ী বিপ্লব পরবর্তী নির্বাচন হওয়ায় মানুষের প্রত্যাশা বেশি। এবারের নির্বাচন শুধু একটি নির্বাচন হবে না, এটা নতুন বাংলাদেশ গঠনের কারিগর। ফেয়ার ইলেকশন অবশ্যই উপহার দিতে হবে। যেহেতু শহীদের রক্তের উপর দিয়েই এ নির্বাচন। যদি এদেশের মানুষ নিজের প্রতিনিধি বাছাই করার সুযোগ না পায়। কোনোভাবে পরিবেশ ঘোলাটে করে কোনো পক্ষ সুযোগ নিতে চায়, কেন্দ্র দখল করতে চায় তা হবে জুলাইয়ের রক্তের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা। অধিকাংশ দলগুলোই মজলুম ছিল৷ সেখান থেকে জুলাই আমাদের নির্বাচনের সুযোগ করে দিল। মুক্ত মাঠে মুক্তবুলি বলতে দিল। সে জুলাইয়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভালো ফল বয়ে আনবে না। সকল দলকে জনগনের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। এবং আমরা আশাকরি বিপ্লবোত্তর বর্তমান সরকার একটা ফেয়ার ইলেকশনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কায়সুর রহমান
রসায়ন বিভাগ
"আমরা সরকার বা প্রশাসন এর নির্বাচন সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদী হলেও শতভাগ আস্থা রাখতে পারছিনা"
বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে এবং সবাই ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। সেই ভোট যাতে নির্বিঘ্নে সবাই দিতে পারে সেইটাই জুলাইয়ে স্বার্থকতা। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি নির্বাচন পূর্ববর্তী এই সময়ে সহিংসতার মাত্রা কয়েকগুন বেড়ে গিয়েছে নির্বাচনের দিনেও যে এমন আচরন দুষ্টচক্র করবে না তার নিশ্চয়তা হয়তো কেউই দিতে পারবে না। আমরা সরকার বা প্রশাসন এর নির্বাচন সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদী হলেও শতভাগ আস্থা রাখতে পারছিনা। তবে এতটুকু বিশ্বাস আছে যে গ্রামে-গঞ্জে যেইখানেই ভোট কারচুপি করার চেষ্টা করা হবে সেইখানেই জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
ফারুক নাহিয়ান
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ
"এমন নির্বাচনী পরিবেশ চাই যেখানে কোনো ভয় বা প্রভাব ছাড়াই মানুষ ভোট দিতে পারবে"
একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে এমন একটি জাতীয় নির্বাচন চাই, যেখানে ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকবে। কোনো ভয় বা প্রভাব ছাড়াই মানুষ ভোট দিতে পারবে। অতীতে স্বৈরাচার হাসিনার আমলে আমরা দেখেছি নির্বাচন নিয়ে জনগণের আস্থার ঘাটতি ও অংশগ্রহণের সংকট, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক। আমি বিশ্বাস করি একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই পারে দেশের জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে। নির্বাচন হবে জনগণের কথা বলার মাধ্যম, কোনো শক্তির নয়, জনগণের ইচ্ছাই সেখানে চূড়ান্ত হিসাবে গণ্য হবে।
ইয়াছিন পাঠান সৈকত
আইন বিভাগ

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফায়ার! ফায়ার! ফায়ার! কাকা, কিসের শব্দ? হায়রে গেল-গেল, শেষ হয়ে গেল একেবারে, শেষ হয়ে গেল সব… হায় আল্লাহ! হায়! নাফি ঐখানে এত মানুষ কেন? হঠাৎ অ্যাম্বুল্যান্স ছুটে এসে রহিম মিয়াকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। কে জানে, আর কত দুঃখিনী মায়ের বুক আজ শূন্য হলো। গত ১৭ বছরে দেশের নির্বাচনী দৃশ্যপট ঠিক এমনভাবেই সাজানো হতো। মায়েদের বুক খালি হতো, সন্তানের লাশের রক্তে ভিজে যেত রাজপথ, আর সেই আহাজারি দেখার যেন কেউ থাকত না। সহিংসতা, গুলি, রক্ত, এসবই যেন ছিল নির্বাচনের অবধারিত অনুষঙ্গ।
হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছে এক নতুন বাংলাদেশ। সেই রক্তের উপর দিয়েই হতে যাচ্ছে আগামীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রশ্ন হলো, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সংস্কারের এই সময়ে এমন পরিবেশ কি আবার চাইবে সাধারণ জনগণ বা শিক্ষার্থীরা? তারা কি চায় আবার বুকের ওপর গুলি আসুক, রাজপথ রঞ্জিত হোক তাজা রক্তে? নিশ্চয়ই নয়। এই নতুন বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশি। তারা চায় এমন একটি নির্বাচন, যেখানে ভয় নয়, থাকবে উৎসব, রক্ত নয়, থাকবে রায়, সহিংসতা নয়, থাকবে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। সেই প্রত্যাশার কথাই তুলে ধরেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের নির্বাচন দিনের ভাবনা ও আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম।
"রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, সহিংসতাহীন ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ চাই"
প্রশাসনে রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব থাকায় বাংলাদেশের নির্বাচন বরাবরই ঝুকিপূর্ণ। প্রশাসনে ক্ষমতার ভারকেন্দ্র বিভিন্ন দিকে ঝুকে থাকায় মাঠপর্যায়ে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনা। ফলশ্রুতিতে ছোটখাটো মারামারি থেকে শুরু করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটার পূর্ব ইতিহাস রয়েছে। তবে ৫ই আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে প্রশাসনিক পর্যায়ে ব্যাপক সংস্কার করায় আশা করছি জটিলতা কম হবে। গণভোট পরবর্তী সময়ে পুলিশ কমিশন গঠন যেহেতু হবে তাই আশা রাখছি প্রশাসনের উপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কমে আসবে। তবে এতোকিছুর পরও প্রার্থীরা যখন ভোটকেন্দ্র দখলের আশঙ্কা করে তখন আমরা হতাশ হই। একটি গণঅভ্যুত্থানের পরও একটা সুন্দর নির্বাচনী সিস্টেম ডেভেলপ করতে না পারার ব্যার্থতা ইন্টেরিমকে নিতে হবে। আশা রাখছি ১২ই ফেব্রুয়ারী এদেশের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে একটি অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যেখানে অতীতের মতো কেন্দ্র দখল কিংবা হানাহানী থাকবেনা। তবে যারা আওয়ামী স্টাইলে কেন্দ্র দখল, ভোট প্রদানে বাধা দেয়া এবং ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে যাবে তাদের পরিণতিও হবে আওয়ামী লীগের মতো।
আরাফ ভূইয়া
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ
"শহীদের রক্তের মর্যাদায় উৎসবমুখর ও ফেয়ার নির্বাচনই নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি"
আমরা চাই একটা সুন্দর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর হোক।রক্তক্ষয়ী বিপ্লব পরবর্তী নির্বাচন হওয়ায় মানুষের প্রত্যাশা বেশি। এবারের নির্বাচন শুধু একটি নির্বাচন হবে না, এটা নতুন বাংলাদেশ গঠনের কারিগর। ফেয়ার ইলেকশন অবশ্যই উপহার দিতে হবে। যেহেতু শহীদের রক্তের উপর দিয়েই এ নির্বাচন। যদি এদেশের মানুষ নিজের প্রতিনিধি বাছাই করার সুযোগ না পায়। কোনোভাবে পরিবেশ ঘোলাটে করে কোনো পক্ষ সুযোগ নিতে চায়, কেন্দ্র দখল করতে চায় তা হবে জুলাইয়ের রক্তের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা। অধিকাংশ দলগুলোই মজলুম ছিল৷ সেখান থেকে জুলাই আমাদের নির্বাচনের সুযোগ করে দিল। মুক্ত মাঠে মুক্তবুলি বলতে দিল। সে জুলাইয়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভালো ফল বয়ে আনবে না। সকল দলকে জনগনের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। এবং আমরা আশাকরি বিপ্লবোত্তর বর্তমান সরকার একটা ফেয়ার ইলেকশনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কায়সুর রহমান
রসায়ন বিভাগ
"আমরা সরকার বা প্রশাসন এর নির্বাচন সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদী হলেও শতভাগ আস্থা রাখতে পারছিনা"
বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে এবং সবাই ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। সেই ভোট যাতে নির্বিঘ্নে সবাই দিতে পারে সেইটাই জুলাইয়ে স্বার্থকতা। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি নির্বাচন পূর্ববর্তী এই সময়ে সহিংসতার মাত্রা কয়েকগুন বেড়ে গিয়েছে নির্বাচনের দিনেও যে এমন আচরন দুষ্টচক্র করবে না তার নিশ্চয়তা হয়তো কেউই দিতে পারবে না। আমরা সরকার বা প্রশাসন এর নির্বাচন সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদী হলেও শতভাগ আস্থা রাখতে পারছিনা। তবে এতটুকু বিশ্বাস আছে যে গ্রামে-গঞ্জে যেইখানেই ভোট কারচুপি করার চেষ্টা করা হবে সেইখানেই জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
ফারুক নাহিয়ান
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ
"এমন নির্বাচনী পরিবেশ চাই যেখানে কোনো ভয় বা প্রভাব ছাড়াই মানুষ ভোট দিতে পারবে"
একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে এমন একটি জাতীয় নির্বাচন চাই, যেখানে ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকবে। কোনো ভয় বা প্রভাব ছাড়াই মানুষ ভোট দিতে পারবে। অতীতে স্বৈরাচার হাসিনার আমলে আমরা দেখেছি নির্বাচন নিয়ে জনগণের আস্থার ঘাটতি ও অংশগ্রহণের সংকট, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক। আমি বিশ্বাস করি একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই পারে দেশের জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে। নির্বাচন হবে জনগণের কথা বলার মাধ্যম, কোনো শক্তির নয়, জনগণের ইচ্ছাই সেখানে চূড়ান্ত হিসাবে গণ্য হবে।
ইয়াছিন পাঠান সৈকত
আইন বিভাগ
