ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নেতৃত্বে ছাত্র শিবিরের কর্মীদের ওপর ধারাবাহিক সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৬ জন শিবির কর্মী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর।
ঘটনাটি ঘটে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী–সাদুল্যাপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী লেবু মাওলানার নির্বাচনী প্রচারণার সময়। বিকেল আনুমানিক ৪.৩০ এর দিকে মহদিপুর ইউনিয়নের আমলাগাছি বাজারে ছাত্র শিবিরের কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের বর্ননা অনুযায়ী, প্রচারণার খবর পেয়ে বিএনপির মহদিপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা প্লাবন সরকার ওরফে লিটন তার সহযোগী সিয়াম, চঞ্চলসহ একদল সশস্ত্র কর্মী নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং শিবির কর্মীদের প্রচারণা বন্ধ করতে নির্দেশ দেন।
শিবির কর্মীরা আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণ প্রচারণা চালানোর কথা জানিয়ে নিষেধাজ্ঞা মানতে অস্বীকৃতি জানালে বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।
আরো জানা যায়, হামলার শুরুতে লিটন পিস্তল বের করে শিবির কর্মী লিওন সরকারের নাকে আঘাত করেন। এরপর তার সহযোগী সিয়াম ও চঞ্চল ধারালো চাকু দিয়ে লিওন সরকারের হাতে কোপ দেন।
এ সময় মহদিপুর ইউনিয়ন শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক নিশাত সরকারকে মাথায় ধারালো চাকু ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়, ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। পাশাপাশি অন্যান্য শিবির কর্মীদের পেট, হাত ও পিঠে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।
হামলার পর আহত শিবির কর্মীরা মাগরিবের সময় চিকিৎসার জন্য পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে হাসপাতাল গেটের সামনে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটন ও তার সহযোগীরা তাদের পথরোধ করে।
প্রাণভয়ে আহত শিবির কর্মীরা তখন হাসপাতালের পাশ্ববর্তী মান্নানের চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন।
এমতাবস্থায় অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটন প্রকাশ্যে পিস্তল বের করে গুলি চালানোর চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে দেখে স্থানীয় সাধারণ জনগণ দ্রুত এগিয়ে এসে লিটন ও তার সহযোগীদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এতে বড় ধরনের প্রাণহানি থেকে এলাকা রক্ষা পায়।
ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা নির্বাচনী মাঠে প্রতিপক্ষকে দমন করতে প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করে সন্ত্রাস চালিয়েছে, যা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও দেশের প্রচলিত আইনকে চরমভাবে লঙ্ঘন করে।
সচেতন মহল মনে করছে, এই ধারাবাহিক সশস্ত্র হামলার রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দায় বিএনপির স্থানীয় নেতৃত্ব কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। তারা অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রকাশ্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নেতৃত্বে ছাত্র শিবিরের কর্মীদের ওপর ধারাবাহিক সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৬ জন শিবির কর্মী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর।
ঘটনাটি ঘটে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী–সাদুল্যাপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী লেবু মাওলানার নির্বাচনী প্রচারণার সময়। বিকেল আনুমানিক ৪.৩০ এর দিকে মহদিপুর ইউনিয়নের আমলাগাছি বাজারে ছাত্র শিবিরের কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের বর্ননা অনুযায়ী, প্রচারণার খবর পেয়ে বিএনপির মহদিপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা প্লাবন সরকার ওরফে লিটন তার সহযোগী সিয়াম, চঞ্চলসহ একদল সশস্ত্র কর্মী নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং শিবির কর্মীদের প্রচারণা বন্ধ করতে নির্দেশ দেন।
শিবির কর্মীরা আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণ প্রচারণা চালানোর কথা জানিয়ে নিষেধাজ্ঞা মানতে অস্বীকৃতি জানালে বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।
আরো জানা যায়, হামলার শুরুতে লিটন পিস্তল বের করে শিবির কর্মী লিওন সরকারের নাকে আঘাত করেন। এরপর তার সহযোগী সিয়াম ও চঞ্চল ধারালো চাকু দিয়ে লিওন সরকারের হাতে কোপ দেন।
এ সময় মহদিপুর ইউনিয়ন শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক নিশাত সরকারকে মাথায় ধারালো চাকু ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়, ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। পাশাপাশি অন্যান্য শিবির কর্মীদের পেট, হাত ও পিঠে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।
হামলার পর আহত শিবির কর্মীরা মাগরিবের সময় চিকিৎসার জন্য পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে হাসপাতাল গেটের সামনে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটন ও তার সহযোগীরা তাদের পথরোধ করে।
প্রাণভয়ে আহত শিবির কর্মীরা তখন হাসপাতালের পাশ্ববর্তী মান্নানের চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন।
এমতাবস্থায় অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটন প্রকাশ্যে পিস্তল বের করে গুলি চালানোর চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে দেখে স্থানীয় সাধারণ জনগণ দ্রুত এগিয়ে এসে লিটন ও তার সহযোগীদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এতে বড় ধরনের প্রাণহানি থেকে এলাকা রক্ষা পায়।
ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা নির্বাচনী মাঠে প্রতিপক্ষকে দমন করতে প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করে সন্ত্রাস চালিয়েছে, যা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও দেশের প্রচলিত আইনকে চরমভাবে লঙ্ঘন করে।
সচেতন মহল মনে করছে, এই ধারাবাহিক সশস্ত্র হামলার রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দায় বিএনপির স্থানীয় নেতৃত্ব কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। তারা অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রকাশ্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
