প্রতিক্রিয়াপ্রতিক্রিয়া

অবৈধ ইট ভাটা উচ্ছেদ/বন্ধে প্রশাসনের নিরবতা

প্রতিনিধিঃ ইটভাটার কারণে উর্বর কৃষিজমি নষ্ট হওয়া বর্তমানে একটি বড় সমস্যা। ইট তৈরির জন্য কৃষিজমির উপরিভাগের ৬-১০ ইঞ্চি মাটি কেটে নেওয়া হয়, যা মাটির আসল প্রাণ বা উর্বরতা শক্তি। উর্বর শক্তির এই স্তরটি তৈরি হতে শত শত বছর সময় লাগে। আইনের সঠিক প্রয়োগ না হওয়ায় অবাধে কৃষি জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটার মালিকরা।আর অল্প কিছু  টাকার লোভে উর্বর ফসলি জমির  মাটি বিক্রয় করছে জমির মালিকরা সুন্দরগঞ্জের অধিকাংশ ইটভাটার নেই লাইসেন্স পরিবেশ অধিদপ্তরের CTE/ এবং CTO ছাড়পত্র,কিংবা ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র, কৃষি জমি থেকে মাটি ব্যবহার না করার বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তার থেকে নেওয়া হয়নি কোনো ছাড়পত্র,  শুধু ট্রেড লাইসেন্স এর উপর নির্ভর করে চলছে সব ইটভাটা। এরপরেও লাইসেন্স বিহীন অবৈধ ইট ভাটার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি সুন্দরগঞ্জের প্রশাসন। তাহলে ইটভাটা চলছে কিভাবে। সচেতন মহল মনেকরে, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও প্রভাবশালী মহলের যোগসাজসে চলছে ইটভাটা গুলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু এক কাকড়া গাড়ীর মালিক বলেন, দু'মুঠো ভাত সুখে শান্তিতে ভালো খাবার আশায় আমি কিস্তিতে ঋণ করে একটি কাকড়া গাড়ী কিনেছি, গাড়ী থেকে এখন পর্যন্ত কোন আয় করতে পারিনি শুধু কিস্তি পরিশোধ, করতেছি টানাটানি করে কোনরকম সংসার চলছে এর মধ্যে জরিপানা খেয়েছি ৫০০০০/ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা যা পরিশোধ করতে হলো আবারো ঋণ করে। আমি জানিনা ডালা দিয়ে মাটি বহন করলে জরিমানা করা হয়। আমি মানছি যে, আমার গাড়ীর ডালা অবৈধ সেকারনে আমার জরিমানা হয়েছে, কিন্তু যে ব্যক্তি ফাসলি জমির উর্বর মাটি বিক্রয় করল এবং লাইসেন্স বিহীন ইট ভাটায় মাটি পোড়ানোর মহা উৎসব চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে  আইনের কতটুকু প্রয়োগ করা হলো, যতটুকু আমার উপর  আইনের প্রয়োগ হল। কেন প্রশাসন দুর্বল অবৈধ ইটভাটা বন্ধ কিংবা উচ্ছেদে।প্রশাসন অবৈধ ইট ভাটা বন্ধ না করে মাটি বহনকারী  কাকড়া গাড়ী ধরে  মালিকদের নামে জরিমানা করেছে, অথচ যারা এই গাড়ী  দিয়ে মাটি নিয়ে অবৈধ ভাবে ইট তৈরি করছে এবং ইট তৈরি করার কোন লাইসেন্স নেই তবুও তাদের বিরুদ্ধে আইন গত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সর্বমোট ২১ টি ইট ভাটা রয়েছে এর মধ্যে মাত্র ৩ টির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে।

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


অবৈধ ইট ভাটা উচ্ছেদ/বন্ধে প্রশাসনের নিরবতা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

প্রতিনিধিঃ ইটভাটার কারণে উর্বর কৃষিজমি নষ্ট হওয়া বর্তমানে একটি বড় সমস্যা। ইট তৈরির জন্য কৃষিজমির উপরিভাগের ৬-১০ ইঞ্চি মাটি কেটে নেওয়া হয়, যা মাটির আসল প্রাণ বা উর্বরতা শক্তি। উর্বর শক্তির এই স্তরটি তৈরি হতে শত শত বছর সময় লাগে। আইনের সঠিক প্রয়োগ না হওয়ায় অবাধে কৃষি জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটার মালিকরা।আর অল্প কিছু  টাকার লোভে উর্বর ফসলি জমির  মাটি বিক্রয় করছে জমির মালিকরা সুন্দরগঞ্জের অধিকাংশ ইটভাটার নেই লাইসেন্স পরিবেশ অধিদপ্তরের CTE/ এবং CTO ছাড়পত্র,কিংবা ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র, কৃষি জমি থেকে মাটি ব্যবহার না করার বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তার থেকে নেওয়া হয়নি কোনো ছাড়পত্র,  শুধু ট্রেড লাইসেন্স এর উপর নির্ভর করে চলছে সব ইটভাটা। এরপরেও লাইসেন্স বিহীন অবৈধ ইট ভাটার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি সুন্দরগঞ্জের প্রশাসন। তাহলে ইটভাটা চলছে কিভাবে। সচেতন মহল মনেকরে, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও প্রভাবশালী মহলের যোগসাজসে চলছে ইটভাটা গুলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু এক কাকড়া গাড়ীর মালিক বলেন, দু'মুঠো ভাত সুখে শান্তিতে ভালো খাবার আশায় আমি কিস্তিতে ঋণ করে একটি কাকড়া গাড়ী কিনেছি, গাড়ী থেকে এখন পর্যন্ত কোন আয় করতে পারিনি শুধু কিস্তি পরিশোধ, করতেছি টানাটানি করে কোনরকম সংসার চলছে এর মধ্যে জরিপানা খেয়েছি ৫০০০০/ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা যা পরিশোধ করতে হলো আবারো ঋণ করে। আমি জানিনা ডালা দিয়ে মাটি বহন করলে জরিমানা করা হয়। আমি মানছি যে, আমার গাড়ীর ডালা অবৈধ সেকারনে আমার জরিমানা হয়েছে, কিন্তু যে ব্যক্তি ফাসলি জমির উর্বর মাটি বিক্রয় করল এবং লাইসেন্স বিহীন ইট ভাটায় মাটি পোড়ানোর মহা উৎসব চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে  আইনের কতটুকু প্রয়োগ করা হলো, যতটুকু আমার উপর  আইনের প্রয়োগ হল। কেন প্রশাসন দুর্বল অবৈধ ইটভাটা বন্ধ কিংবা উচ্ছেদে।প্রশাসন অবৈধ ইট ভাটা বন্ধ না করে মাটি বহনকারী  কাকড়া গাড়ী ধরে  মালিকদের নামে জরিমানা করেছে, অথচ যারা এই গাড়ী  দিয়ে মাটি নিয়ে অবৈধ ভাবে ইট তৈরি করছে এবং ইট তৈরি করার কোন লাইসেন্স নেই তবুও তাদের বিরুদ্ধে আইন গত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সর্বমোট ২১ টি ইট ভাটা রয়েছে এর মধ্যে মাত্র ৩ টির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত