প্রতিক্রিয়াপ্রতিক্রিয়া

চিলমারীতে আওয়ামী সিন্ডিকেটের সংবাদ কর্মীদের স্বেচ্ছাচারিতা ও অপতৎপরতা বৃদ্ধি

চিলমারীতে আওয়ামী সিন্ডিকেটের সংবাদ কর্মীদের স্বেচ্ছাচারিতা ও অপতৎপরতা বৃদ্ধি
চিলমারীতে আওয়ামী সিন্ডিকেটের সংবাদ কর্মীদের স্বেচ্ছাচারিতা ও অপতৎপরতা বৃদ্ধি

চিলমারীতে আওয়ামী মদদপুষ্ট সংবাদকর্মীর স্বেচ্ছাচারীতা  ও অপতৎপরতা লক্ষ করা গেছে। মাদককারবারীদের সাথে সখ্যতা, চলা-ফেরা করা, অন্যায় ভাবে টাকা দাবী ও আদায় করা সহ অসহায় মানুষকে বেকায়দায় ফেলানো সহ নানাবিধ অভিযোগ পাওয়া যায়। তাছাড়া  অসমাঞ্জস্য বক্তব্য, বাজে মন্তব্য করে অন্য সংবাদকর্মীদের ধৈর্যচ্যূতির কারন হয়ে দাড়িয়েছে।এর মধ্যে দু'তিনজন আবার মাফিয়া চক্রের মাধ্যমে উস্কানীমূলক কর্মকান্ডের সাথে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলেছেন। ফলে নেতিবাচক  সাংবাদিকতাকে কেন্দ্র করে চিলমারীতে ভয়াবহ সামজিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ও উঠানী বা বহিরাগতদের দ্বন্দকে পূজিকরে স্থানীয় দলীয় প্রতিনিধি, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী সহ সংবাপত্রকে সমাজের দর্পন বলা হলেও নতুন প্রজন্মের হাতে এখন তা  যাদুর আয়নায় রুপান্তরিত হয়েছে! ফলে মফস্বল সাংবাদিকতায় প্রতিনিধিদের দূর্দিন থাকলেও অনেকেই রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। তাদের একজন জনৈক রিগান জেলা সদরে বাস করার সুবাধে মফস্বলের সংবাদকর্মীদের সাথে আচরনে দাম্ভিকতা ও বিভিন্ন বার্তায় তেলবাজ, পা চাটা বলেও উল্লেখ্য করেন। নির্বোধ যুবক জানেন না, কলুষিত রক্তে কখনই সমাজ ভাল হয়না। ভদ্র পরিচ্ছদের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা স্বভাবটা তোমার চরিত্রের আসল মুখোশটা উন্মোচন করবেই। 

 সম্প্রতি কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় বিগত পতিত সরকারের আমলের এধরনেরই গুটি কয়েক একটি সিন্ডিকেট তাদের আধিপত্যকে টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। হাটে, মাঠে, ঘাটে ও অফিস সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের ক্ষিপ্ত পদাচারনা, সিনিয়র সংবাদ দাতাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা, নিজেকে অনেক বড় করে তুলে ধরার অপকৌশল, সংবাদ সংগ্রহে দাবী করে  লেনদেনে অভ্যস্থ হওয়া, সর্বোপরি তাদের সকলের গোয়ার্তুমি সমাজকে শিষ্টাচারহীন, বেহায়পনা ও নিজের স্বার্থের অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে। 

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ১৯৮৭ সালের পর থেকে চিলমারীতে আনুষ্ঠানিক ভাবে সংবাদ প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে একটি প্রেসক্লাব গঠিত হয়। কিন্তু উক্ত সংগঠনের সভাপতি মরহুম অধ্যাপক আব্দুল মান্নান (জামালপুর)  ও সাধারন সম্পাদক নাজমুলহুদা পাভেজ ( অত্র উপজেলায় রাণীগঞ্জ) এর মানুষ ছিলেন। স্থানীয় ভাবে কয়েক জন তরুন তাদের সাথে থাকলেও তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে ক্ষমতা কুক্ষগত করে রাখা সহ বহিরাগত মনোভাবের প্রচলন শুরু করেন। এরই ফাকে সংহঠনের নেতত্তাবের প্রতি অনিহানপ্রকাশ করে আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েল ও হুমায়ুন কবির পদত্যাগ করে রিপোর্টার্সক্লাব নামে আরেকটি সংগঠনের যাত্রা শুরু করেন।  সিলসিলায় ২০০০ সালের পর থেকেই আরো কিছু বহিরাগতদের প্রবেশ ঘটে উপজেলা সদরের থানাহাটে।  মামুনুর রশিদ মামু, উজ্বজল তাদের নেতৃত্হিব সাংবাদিক ফোরাম ও ফজলু -গোলাম মাহবুব মিলে চিলমারী প্রেস এসোসিয়েশন নামে আরো দুটি সংগঠনের জন্ম হয়। ২০১৫ সালে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রয়াত শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম এর সময়কালে রিপোর্টার্সক্লাব, সাংবাদিক ফোরাম ও চিলমারী প্রেসএসোসিয়েশনের বিলুপ্ত ঘোষনা করে তিনটি সংগঠন একিভূত হয়ে প্রেসক্লাব চিলমারী নামে নতুন একটি সাংবাদিক সংগঠনের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আওয়ামীদের বেড়াজালে পড়ে সে সময় মাহবুব,মনিরুল আলম লিটু অন্যান্যদের সাথে বনিবনা না হওয়ায় প্রেসক্লাব চিলমারীর সংগঠনের একাধিক কমিটি ঞোষনা করা হয়। ৫ আগষ্টের পর সাংবাদিক মহলকে নিজের স্বার্থে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সাংবাদিক ফোরামের আবারও উৎপত্তি হয় এবং তার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উলিপুরের তবকপুর ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের তেলী পাড়ার বাসিন্দা জনৈক ওমর ফারুক নিজেক দাবী করেন। বিভিন্বন প্হিরলোভন দেখিয়ে বিশেষ করে আওয়ামী  মদদ থেকে বের হয়ে গিয়ে সোহেল,রকি,রিয়াদ,রাফি সহ অনেকে চিলমারী প্রেসক্লাব ও প্রেসক্লাব চিলমারীর অনেকেই সেখানে যোগ দেন। 

তদের একই কৌশলে স্থানীয় কিছু নপুংশকদের মোসাহেবীপনার মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করায় বিগত দিনের প্রগতিশীলদেরকে আত্মসন্মান রক্ষায় প্রতিযোগিতায় ক্ষান্ত দিতে হয়। সুযোগ সন্ধানীদের চিলমারীতে এখন তাই আত্মস্বীকৃত কিছু বহিরাগত ও স্থানীয় নপুংশকের দৌরাত্মে অনলাইন পত্রিকাকে অমুক ডটকম, তমুক ডটকম নাম দিয়ে তাচ্ছিল্য করছেন। কেউ আবার নীতি, স্বচ্ছতার কথা বলে ফিটফাট পরিচ্ছদে আমলাদের দপ্তরে তেলবাজির জাল বিছায়। অবশ্য প্রশাসন বহিরাগতদের কথায় তুষ্ট!  সে কারনে আমলারা প্রকৃত ব্যক্তিদের সন্মান করতে না পারায় নিজেদেরকে স্বার্থবাজদের লাঞ্চিতের হাত থেকে  রেহাইও পাচ্ছেন না। ক্ষুদে সাংবাদিকদেরকে ফেসবুকে বিভিন্ন ঘটনার বিবরনের হাত নাড়ানী দেখে বাহবা যোগাচ্ছেন। যদিও এটা তাদের মহা মূর্খতারই প্রমান। এ ধরনের স্বভাবের কারনে চিলমারী নয় গোটা কুড়িগ্রামের বিভিন্ন উপজেলাতেও তাদের একই সিন্ডিকেট কাজ করছে। তাদের এ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়শই অবলোকন করা যায়। এই নতুন প্রজন্মের কাছে নীতি বলতে কোন কিছু তা মনে হয়না। অন্যের ইন্ধনে ও   পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাদেরকে সব সময় সচল থাকতে দেখা যায়। তাইতো বৈধ ও অবৈধ সব ধরনের ব্যবসায়ী, সমাজপতি, জনপ্রতিনিধি এবং অবৈধ কারবারী এমনকি প্রশাসনের সাথেও গলায়গলায় মিল থাকতে দেখা যায়। চিলমারীতে এদের নেপথ্যেই রয়ছে সুযোগ সন্ধানী গডফাদার, যিনি মোটা অংকের অর্থ ও চ্যানেল খুজে নিয়ে নিজের সব ধরনের স্বার্থ হাছিলে রাজনৈতিক ক্রোন্দল ও স্থানীয় অস্থিরতায় মদদ যোগাচ্ছেন!

বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন গুলোও তাদেরই ইশারায় উঠছে বসছে। তোষামোদকারীরা লাভবান হলেও দিন শেষে দেহটা ক্লান্ত হয়ে নূয়ে পড়ে! 

সম্প্রতি চিলমারী প্রেসক্লাবকে কুক্ষিগত করে রাখা আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আওয়ামীলীগের  নিতেন্দ্রনাথ ( উলিপুরের বাসিন্দা), রাশেদুল ইসলাম বাদল ( গাইবান্ধার স্থায়ী বাসিন্দা) সদস্য ও বিএনপির আবু হানিফা (চিলমারী) সদস্য হিসেবে রয়েছেন। ১৭ সদস্য বিশিষ্ট সংগঠনটি নিজেদের নামে অবৈৎভাবে এফিডেফিট করে নিয়ে নতুন সদস্যের অংশগ্রহনের পথকে রুদ্ধ করে ফেলা হয়েছে। সংগঠনটিতে ১৭ জনের মধ্যে ৩/৪ জন সংবাদ পত্রের সাথে যুক্ত থাকলেও বাকি সকলেই অসংবাদিক। এরাই আবার বহিরাগতদের মোক্ষম ধারকও বাহক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে কর্তব্য পালন করছেন।

বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সক্রিয় ইন্ধনদাতারা আজও সক্রিয় থাকায় ৫ আগষ্টের পরবর্তি প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়ে আরেকটি স্বার্থান্বেষি গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটেছে যাদের হাতে চিলমারী নামের ঐতিহ্যের লোকজ সমাজ ব্যবস্থা দিন দিন মুখ থুবরে পড়ছে! তাই সংবাদপত্র নামের যাদূর আয়নার খুউব প্রয়োজন! প্রয়োজন গাড়িয়াল ভাইয়ের অন্তর নিংড়ানো গানের রুপান্তর, যাদুর আয়নার কারিগর, আরো কত দূরে!

Public Voice

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চিলমারীতে আওয়ামী সিন্ডিকেটের সংবাদ কর্মীদের স্বেচ্ছাচারিতা ও অপতৎপরতা বৃদ্ধি

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চিলমারীতে আওয়ামী মদদপুষ্ট সংবাদকর্মীর স্বেচ্ছাচারীতা  ও অপতৎপরতা লক্ষ করা গেছে। মাদককারবারীদের সাথে সখ্যতা, চলা-ফেরা করা, অন্যায় ভাবে টাকা দাবী ও আদায় করা সহ অসহায় মানুষকে বেকায়দায় ফেলানো সহ নানাবিধ অভিযোগ পাওয়া যায়। তাছাড়া  অসমাঞ্জস্য বক্তব্য, বাজে মন্তব্য করে অন্য সংবাদকর্মীদের ধৈর্যচ্যূতির কারন হয়ে দাড়িয়েছে।এর মধ্যে দু'তিনজন আবার মাফিয়া চক্রের মাধ্যমে উস্কানীমূলক কর্মকান্ডের সাথে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলেছেন। ফলে নেতিবাচক  সাংবাদিকতাকে কেন্দ্র করে চিলমারীতে ভয়াবহ সামজিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ও উঠানী বা বহিরাগতদের দ্বন্দকে পূজিকরে স্থানীয় দলীয় প্রতিনিধি, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী সহ সংবাপত্রকে সমাজের দর্পন বলা হলেও নতুন প্রজন্মের হাতে এখন তা  যাদুর আয়নায় রুপান্তরিত হয়েছে! ফলে মফস্বল সাংবাদিকতায় প্রতিনিধিদের দূর্দিন থাকলেও অনেকেই রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। তাদের একজন জনৈক রিগান জেলা সদরে বাস করার সুবাধে মফস্বলের সংবাদকর্মীদের সাথে আচরনে দাম্ভিকতা ও বিভিন্ন বার্তায় তেলবাজ, পা চাটা বলেও উল্লেখ্য করেন। নির্বোধ যুবক জানেন না, কলুষিত রক্তে কখনই সমাজ ভাল হয়না। ভদ্র পরিচ্ছদের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা স্বভাবটা তোমার চরিত্রের আসল মুখোশটা উন্মোচন করবেই। 

 সম্প্রতি কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় বিগত পতিত সরকারের আমলের এধরনেরই গুটি কয়েক একটি সিন্ডিকেট তাদের আধিপত্যকে টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। হাটে, মাঠে, ঘাটে ও অফিস সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের ক্ষিপ্ত পদাচারনা, সিনিয়র সংবাদ দাতাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা, নিজেকে অনেক বড় করে তুলে ধরার অপকৌশল, সংবাদ সংগ্রহে দাবী করে  লেনদেনে অভ্যস্থ হওয়া, সর্বোপরি তাদের সকলের গোয়ার্তুমি সমাজকে শিষ্টাচারহীন, বেহায়পনা ও নিজের স্বার্থের অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে। 

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ১৯৮৭ সালের পর থেকে চিলমারীতে আনুষ্ঠানিক ভাবে সংবাদ প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে একটি প্রেসক্লাব গঠিত হয়। কিন্তু উক্ত সংগঠনের সভাপতি মরহুম অধ্যাপক আব্দুল মান্নান (জামালপুর)  ও সাধারন সম্পাদক নাজমুলহুদা পাভেজ ( অত্র উপজেলায় রাণীগঞ্জ) এর মানুষ ছিলেন। স্থানীয় ভাবে কয়েক জন তরুন তাদের সাথে থাকলেও তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে ক্ষমতা কুক্ষগত করে রাখা সহ বহিরাগত মনোভাবের প্রচলন শুরু করেন। এরই ফাকে সংহঠনের নেতত্তাবের প্রতি অনিহানপ্রকাশ করে আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েল ও হুমায়ুন কবির পদত্যাগ করে রিপোর্টার্সক্লাব নামে আরেকটি সংগঠনের যাত্রা শুরু করেন।  সিলসিলায় ২০০০ সালের পর থেকেই আরো কিছু বহিরাগতদের প্রবেশ ঘটে উপজেলা সদরের থানাহাটে।  মামুনুর রশিদ মামু, উজ্বজল তাদের নেতৃত্হিব সাংবাদিক ফোরাম ও ফজলু -গোলাম মাহবুব মিলে চিলমারী প্রেস এসোসিয়েশন নামে আরো দুটি সংগঠনের জন্ম হয়। ২০১৫ সালে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রয়াত শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম এর সময়কালে রিপোর্টার্সক্লাব, সাংবাদিক ফোরাম ও চিলমারী প্রেসএসোসিয়েশনের বিলুপ্ত ঘোষনা করে তিনটি সংগঠন একিভূত হয়ে প্রেসক্লাব চিলমারী নামে নতুন একটি সাংবাদিক সংগঠনের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আওয়ামীদের বেড়াজালে পড়ে সে সময় মাহবুব,মনিরুল আলম লিটু অন্যান্যদের সাথে বনিবনা না হওয়ায় প্রেসক্লাব চিলমারীর সংগঠনের একাধিক কমিটি ঞোষনা করা হয়। ৫ আগষ্টের পর সাংবাদিক মহলকে নিজের স্বার্থে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সাংবাদিক ফোরামের আবারও উৎপত্তি হয় এবং তার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উলিপুরের তবকপুর ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের তেলী পাড়ার বাসিন্দা জনৈক ওমর ফারুক নিজেক দাবী করেন। বিভিন্বন প্হিরলোভন দেখিয়ে বিশেষ করে আওয়ামী  মদদ থেকে বের হয়ে গিয়ে সোহেল,রকি,রিয়াদ,রাফি সহ অনেকে চিলমারী প্রেসক্লাব ও প্রেসক্লাব চিলমারীর অনেকেই সেখানে যোগ দেন। 

তদের একই কৌশলে স্থানীয় কিছু নপুংশকদের মোসাহেবীপনার মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করায় বিগত দিনের প্রগতিশীলদেরকে আত্মসন্মান রক্ষায় প্রতিযোগিতায় ক্ষান্ত দিতে হয়। সুযোগ সন্ধানীদের চিলমারীতে এখন তাই আত্মস্বীকৃত কিছু বহিরাগত ও স্থানীয় নপুংশকের দৌরাত্মে অনলাইন পত্রিকাকে অমুক ডটকম, তমুক ডটকম নাম দিয়ে তাচ্ছিল্য করছেন। কেউ আবার নীতি, স্বচ্ছতার কথা বলে ফিটফাট পরিচ্ছদে আমলাদের দপ্তরে তেলবাজির জাল বিছায়। অবশ্য প্রশাসন বহিরাগতদের কথায় তুষ্ট!  সে কারনে আমলারা প্রকৃত ব্যক্তিদের সন্মান করতে না পারায় নিজেদেরকে স্বার্থবাজদের লাঞ্চিতের হাত থেকে  রেহাইও পাচ্ছেন না। ক্ষুদে সাংবাদিকদেরকে ফেসবুকে বিভিন্ন ঘটনার বিবরনের হাত নাড়ানী দেখে বাহবা যোগাচ্ছেন। যদিও এটা তাদের মহা মূর্খতারই প্রমান। এ ধরনের স্বভাবের কারনে চিলমারী নয় গোটা কুড়িগ্রামের বিভিন্ন উপজেলাতেও তাদের একই সিন্ডিকেট কাজ করছে। তাদের এ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়শই অবলোকন করা যায়। এই নতুন প্রজন্মের কাছে নীতি বলতে কোন কিছু তা মনে হয়না। অন্যের ইন্ধনে ও   পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাদেরকে সব সময় সচল থাকতে দেখা যায়। তাইতো বৈধ ও অবৈধ সব ধরনের ব্যবসায়ী, সমাজপতি, জনপ্রতিনিধি এবং অবৈধ কারবারী এমনকি প্রশাসনের সাথেও গলায়গলায় মিল থাকতে দেখা যায়। চিলমারীতে এদের নেপথ্যেই রয়ছে সুযোগ সন্ধানী গডফাদার, যিনি মোটা অংকের অর্থ ও চ্যানেল খুজে নিয়ে নিজের সব ধরনের স্বার্থ হাছিলে রাজনৈতিক ক্রোন্দল ও স্থানীয় অস্থিরতায় মদদ যোগাচ্ছেন!

বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন গুলোও তাদেরই ইশারায় উঠছে বসছে। তোষামোদকারীরা লাভবান হলেও দিন শেষে দেহটা ক্লান্ত হয়ে নূয়ে পড়ে! 

সম্প্রতি চিলমারী প্রেসক্লাবকে কুক্ষিগত করে রাখা আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আওয়ামীলীগের  নিতেন্দ্রনাথ ( উলিপুরের বাসিন্দা), রাশেদুল ইসলাম বাদল ( গাইবান্ধার স্থায়ী বাসিন্দা) সদস্য ও বিএনপির আবু হানিফা (চিলমারী) সদস্য হিসেবে রয়েছেন। ১৭ সদস্য বিশিষ্ট সংগঠনটি নিজেদের নামে অবৈৎভাবে এফিডেফিট করে নিয়ে নতুন সদস্যের অংশগ্রহনের পথকে রুদ্ধ করে ফেলা হয়েছে। সংগঠনটিতে ১৭ জনের মধ্যে ৩/৪ জন সংবাদ পত্রের সাথে যুক্ত থাকলেও বাকি সকলেই অসংবাদিক। এরাই আবার বহিরাগতদের মোক্ষম ধারকও বাহক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে কর্তব্য পালন করছেন।

বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সক্রিয় ইন্ধনদাতারা আজও সক্রিয় থাকায় ৫ আগষ্টের পরবর্তি প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়ে আরেকটি স্বার্থান্বেষি গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটেছে যাদের হাতে চিলমারী নামের ঐতিহ্যের লোকজ সমাজ ব্যবস্থা দিন দিন মুখ থুবরে পড়ছে! তাই সংবাদপত্র নামের যাদূর আয়নার খুউব প্রয়োজন! প্রয়োজন গাড়িয়াল ভাইয়ের অন্তর নিংড়ানো গানের রুপান্তর, যাদুর আয়নার কারিগর, আরো কত দূরে!


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত