আইন-কানুন
হাতীবান্ধা উপজেলায় সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা স্কাইলার্ক পাবলিক স্কুল অপসারণে জেলা প্রশাসনের জারি করা নোটিশের ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।
গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে জারি করা এক নোটিশে উল্লেখ করা হয়, হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা মৌজার একটি সরকারি খাস জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। নোটিশে সংশ্লিষ্ট দখলদারকে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ দখল ও স্থাপনা অপসারণ না করা হলে সরকারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জোরপূর্বক উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং এ সংক্রান্ত সকল ব্যয় দখলদারের কাছ থেকে আদায় করা হবে। একই সঙ্গে Public Demands Recovery Act, 1913 (PDR Act) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে উল্লিখিত জমির বিবরণ অনুযায়ী, জমিটি লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা মৌজায় অবস্থিত। জমির শ্রেণি ‘বাড়ি’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত এবং নির্দিষ্ট দাগ ও খতিয়ান নম্বর অনুযায়ী জেলা পরিষদের নামে রেকর্ড রয়েছে। তবে নোটিশ জারির পর ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও মাঠ পর্যায়ে কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম কিংবা প্রশাসনিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কেন এ ধরনের গড়িমসি?
এ বিষয় হাতীবান্ধা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিস থেকে জানানো হয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি স্থাপনাটি অপসারণ না করে থাকে তাহলে সাত দিন পর জেলায় তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হবে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সরকারি খাস জমি উদ্ধার ও নোটিশ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
হাতীবান্ধা উপজেলায় সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা স্কাইলার্ক পাবলিক স্কুল অপসারণে জেলা প্রশাসনের জারি করা নোটিশের ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।
গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে জারি করা এক নোটিশে উল্লেখ করা হয়, হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা মৌজার একটি সরকারি খাস জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। নোটিশে সংশ্লিষ্ট দখলদারকে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ দখল ও স্থাপনা অপসারণ না করা হলে সরকারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জোরপূর্বক উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং এ সংক্রান্ত সকল ব্যয় দখলদারের কাছ থেকে আদায় করা হবে। একই সঙ্গে Public Demands Recovery Act, 1913 (PDR Act) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে উল্লিখিত জমির বিবরণ অনুযায়ী, জমিটি লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা মৌজায় অবস্থিত। জমির শ্রেণি ‘বাড়ি’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত এবং নির্দিষ্ট দাগ ও খতিয়ান নম্বর অনুযায়ী জেলা পরিষদের নামে রেকর্ড রয়েছে। তবে নোটিশ জারির পর ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও মাঠ পর্যায়ে কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম কিংবা প্রশাসনিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কেন এ ধরনের গড়িমসি?
এ বিষয় হাতীবান্ধা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিস থেকে জানানো হয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি স্থাপনাটি অপসারণ না করে থাকে তাহলে সাত দিন পর জেলায় তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হবে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সরকারি খাস জমি উদ্ধার ও নোটিশ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
