আইন-কানুন
ব্রহ্মপুত্র নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে ইজারাদারের এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ ওঠার পর ত্রিশালের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ড. গোলাম মোরশেদ।
ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। ওই দিন সকাল থেকেই ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান।
দুপুরে কানিহারী ইউনিয়নের কুলু বাড়ি মোড় এলাকার একটি বালুঘাটে অভিযান পরিচালনার সময় ইজারাদারের কর্মচারী ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি জোবায়ের হোসেন বাবুর সঙ্গে ইউএনওর বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এর একদিন পরই আসে বদলির আদেশ।
তবে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিকেলে ত্রিশাল মেডিকেল সেন্টারে (টিএমসি) স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের উপস্থিতিতে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী।
বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সামনে তিনি ওই ঘটনার জন্য নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং দুঃখপ্রকাশ করেন।
বৈঠকে ইজারাদার ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মিনহাজুল ইসলাম রাসু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান মাসুদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আহমেদ সেলিম, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল আলম জুয়েল মণ্ডলসহ বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একদিকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান, অন্যদিকে অভিযানের সময় কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে বিতর্ক—সব মিলিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ত্রিশালের প্রশাসনিক অঙ্গনে ঘটে গেল একের পর এক নাটকীয় ঘটনা।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
ব্রহ্মপুত্র নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে ইজারাদারের এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ ওঠার পর ত্রিশালের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ড. গোলাম মোরশেদ।
ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। ওই দিন সকাল থেকেই ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান।
দুপুরে কানিহারী ইউনিয়নের কুলু বাড়ি মোড় এলাকার একটি বালুঘাটে অভিযান পরিচালনার সময় ইজারাদারের কর্মচারী ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি জোবায়ের হোসেন বাবুর সঙ্গে ইউএনওর বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এর একদিন পরই আসে বদলির আদেশ।
তবে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিকেলে ত্রিশাল মেডিকেল সেন্টারে (টিএমসি) স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের উপস্থিতিতে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী।
বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সামনে তিনি ওই ঘটনার জন্য নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং দুঃখপ্রকাশ করেন।
বৈঠকে ইজারাদার ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মিনহাজুল ইসলাম রাসু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান মাসুদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আহমেদ সেলিম, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল আলম জুয়েল মণ্ডলসহ বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একদিকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান, অন্যদিকে অভিযানের সময় কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে বিতর্ক—সব মিলিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ত্রিশালের প্রশাসনিক অঙ্গনে ঘটে গেল একের পর এক নাটকীয় ঘটনা।
