অপরাধ
রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় আইল ঠেলে কৃষিজমি দখলের অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এক ফসলি ও দুই ফসলি জমির সীমানা পরিবর্তন করে ধীরে ধীরে অন্যের জমি নিজেদের দখলে নিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
সম্প্রতি জমি দখলের এই প্রবণতা ঠেকাতে ভুক্তভোগী জমির মালিকরা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন। তারা নিজেদের জমির সীমানা চিহ্নিত রাখতে মাটির আইলের পরিবর্তে ইট দিয়ে শক্ত আইল নির্মাণ শুরু করেছেন। এতে করে রাতের আঁধারে কিংবা সুযোগ বুঝে আইল সরিয়ে জমি দখল করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন তারা।
ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, আগে মাটির আইল থাকায় তা সহজেই ঠেলে বা কেটে জমির পরিমাণ কমিয়ে নেওয়া হতো। ফলে প্রতিবছর চাষের সময় জমির পরিমাপে গরমিল দেখা দিত এবং প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদের সৃষ্টি হতো। ইটের আইল নির্মাণের ফলে জমির সীমানা স্পষ্ট থাকবে এবং দখলচেষ্টাও অনেকাংশে কমবে বলে তারা আশাবাদী।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক জানান, “আমাদের জমি বছরের পর বছর এভাবেই কমে যাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ দিয়েও তেমন কোনো স্থায়ী সমাধান পাইনি। তাই নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে ইটের আইল বানাচ্ছি।”
অন্যদিকে কিছু মহল দাবি করছে, ইটের আইল নির্মাণ কৃষিজমির স্বাভাবিক ব্যবহার ও পানি নিষ্কাশনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে জমির মালিকরা বলছেন, আইল এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে পানি চলাচলে বড় কোনো বাধা না সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। তারা ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি ও জমি দখল রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে রাজশাহীর গ্রামীণ জনপদে জমি দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও ইটের আইল নির্মাণ আপাতত জমির মালিকদের জন্য একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় আইল ঠেলে কৃষিজমি দখলের অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এক ফসলি ও দুই ফসলি জমির সীমানা পরিবর্তন করে ধীরে ধীরে অন্যের জমি নিজেদের দখলে নিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
সম্প্রতি জমি দখলের এই প্রবণতা ঠেকাতে ভুক্তভোগী জমির মালিকরা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন। তারা নিজেদের জমির সীমানা চিহ্নিত রাখতে মাটির আইলের পরিবর্তে ইট দিয়ে শক্ত আইল নির্মাণ শুরু করেছেন। এতে করে রাতের আঁধারে কিংবা সুযোগ বুঝে আইল সরিয়ে জমি দখল করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন তারা।
ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, আগে মাটির আইল থাকায় তা সহজেই ঠেলে বা কেটে জমির পরিমাণ কমিয়ে নেওয়া হতো। ফলে প্রতিবছর চাষের সময় জমির পরিমাপে গরমিল দেখা দিত এবং প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদের সৃষ্টি হতো। ইটের আইল নির্মাণের ফলে জমির সীমানা স্পষ্ট থাকবে এবং দখলচেষ্টাও অনেকাংশে কমবে বলে তারা আশাবাদী।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক জানান, “আমাদের জমি বছরের পর বছর এভাবেই কমে যাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ দিয়েও তেমন কোনো স্থায়ী সমাধান পাইনি। তাই নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে ইটের আইল বানাচ্ছি।”
অন্যদিকে কিছু মহল দাবি করছে, ইটের আইল নির্মাণ কৃষিজমির স্বাভাবিক ব্যবহার ও পানি নিষ্কাশনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে জমির মালিকরা বলছেন, আইল এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে পানি চলাচলে বড় কোনো বাধা না সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। তারা ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি ও জমি দখল রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে রাজশাহীর গ্রামীণ জনপদে জমি দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও ইটের আইল নির্মাণ আপাতত জমির মালিকদের জন্য একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
