বই পর্যালোচনা
বছরের শুরুতেই সারাদেশের শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের উৎসবে মেতে উঠলেও ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর (সুসং) উপজেলার দাখিল মাদ্রাসাগুলোতে। বছরের বেশ কিছু দিন অতিবাহিত হলেও উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এখনো নতুন পাঠ্যবই হাতে পায়নি। এতে চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশায় পড়েছে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
সরেজমিনে বিভিন্ন মাদ্রাসা ঘুরে দেখা গেছে, নতুন বই না থাকায় শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পুরনো বই বা সহায়ক বইয়ের ওপর নির্ভর করার চেষ্টা করলেও সিলেবাস পরিবর্তনের কারণে তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না। বিশেষ করে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমের বই না পাওয়ায় পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে।
অভিভাবকরা অভিযোগ করে জানান, প্রতি বছর ১লা জানুয়ারি বই উৎসবের কথা থাকলেও এবার মাদ্রাসার এই তিনটি শ্রেণীর জন্য কোনো বই আসেনি। শিক্ষা অফিস থেকে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বইয়ের দেখা মিলছে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় মাদ্রাসা প্রধানরা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদাপত্র পাঠানো হলেও ওপর থেকে বই সরবরাহ না হওয়ায় তারা শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে পারছেন না। এতে মাদ্রাসায় উপস্থিতির হারও দিন দিন কমে যাচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে বই সরবরাহ পাওয়া মাত্রই তা মাদ্রাসাগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে ঠিক কবে নাগাদ শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানা যায়নি।
দ্রুত বই সরবরাহের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
বছরের শুরুতেই সারাদেশের শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের উৎসবে মেতে উঠলেও ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর (সুসং) উপজেলার দাখিল মাদ্রাসাগুলোতে। বছরের বেশ কিছু দিন অতিবাহিত হলেও উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এখনো নতুন পাঠ্যবই হাতে পায়নি। এতে চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশায় পড়েছে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
সরেজমিনে বিভিন্ন মাদ্রাসা ঘুরে দেখা গেছে, নতুন বই না থাকায় শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পুরনো বই বা সহায়ক বইয়ের ওপর নির্ভর করার চেষ্টা করলেও সিলেবাস পরিবর্তনের কারণে তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না। বিশেষ করে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমের বই না পাওয়ায় পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে।
অভিভাবকরা অভিযোগ করে জানান, প্রতি বছর ১লা জানুয়ারি বই উৎসবের কথা থাকলেও এবার মাদ্রাসার এই তিনটি শ্রেণীর জন্য কোনো বই আসেনি। শিক্ষা অফিস থেকে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বইয়ের দেখা মিলছে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় মাদ্রাসা প্রধানরা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদাপত্র পাঠানো হলেও ওপর থেকে বই সরবরাহ না হওয়ায় তারা শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে পারছেন না। এতে মাদ্রাসায় উপস্থিতির হারও দিন দিন কমে যাচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে বই সরবরাহ পাওয়া মাত্রই তা মাদ্রাসাগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে ঠিক কবে নাগাদ শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানা যায়নি।
দ্রুত বই সরবরাহের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
