আইন-কানুনআইন-কানুন

সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে ‘সন্ত্রাসী’ বলে গালিগালাজ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান

|
শেয়ার করুন
অ+ অ-
সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে ‘সন্ত্রাসী’ বলে গালিগালাজ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান
সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে ‘সন্ত্রাসী’ বলে গালিগালাজ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক পাবলিক ভয়েস ২৪।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে ‘সন্ত্রাসী’ বলে গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনার পরপরই তাকে করতোয়া নদীর আওলিয়া ঘাটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

গতকাল রবিবার ২১ শে সেপ্টেম্বর মহালয়ার অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনার তিন বছর পূর্তিতে স্মরণসভা ও সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সাংবাদিকেরা ঘটনাস্থলে যান।ভয়াবহ ঐ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৭১ জন। 

ঘাটে কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাহমিদুর রহমান সাংবাদিকদের নৌকায় উঠতে বাধা দেন।একই সময়ে ৩/৪চারটি নৌকায় মোটর সাইকেলসহ যাত্রী পারাপার হতে দেখা যায়।সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন যখন অন্যরা মোটর সাইকেল নিয়ে পারাপার হচ্ছেন আমরা কেন সংবাদ সংগ্রহের কাজে যেতে পারব না?

এ সময় ক্ষুব্ধ হয়ে ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনি আল জাজিরার সাংবাদিক হন আর যেই সাংবাদিক হন,তাতে আমার যায় আসে না।যেতে পারবেন না।

এ সময় সাংবাদিকদের ক্যামরা ধরা দেখে তিনি আরও রেগে গিয়ে বলেন “আপনারা সন্ত্রাসী, আপনাদের কর্মকান্ড সন্ত্রাসী। ’শতাধিক মানুষের সামনে সাংবাদিকদের এভাবে অপমানিত করায় স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ফাহিম হাসান বলেন আমরা মহালয়ার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে বাধা দেন। অথচ ঘাট ফাঁকা ছিল এবং অন্যদের মোটর সাইকেল পার হতে দেখা যায়।এমনকি ইউএনও নিজেও মোটরসাইকেল নিয়ে নৌকায় পারাপার করছিলেন।তাহলে সাংবাদিকদের কেন বাধা দেওয়া হলো?

কালবেলার সাংবাদিক মোশারফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন আমাদের সাংবাদিক পরিচয় শুনে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, ‘আল জাজিরা সাংবাদিক হন যে সাংবাদিক হন,যেতে পারবেন না।’ এরপর তিনি আমাদের উদ্দেশে বলেন ‘আপনারা তো সন্ত্রাসী।’ এভাবে সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী বলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল ইসলাম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।বরং তিনি মন্তব্য করেন,‘কি পারেন করেন।’

অভিযোগ প্রসঙ্গে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাহমিদুর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে আওলিয়া ঘাটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে ‘সন্ত্রাসী’ বলে গালিগালাজ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক পাবলিক ভয়েস ২৪।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে ‘সন্ত্রাসী’ বলে গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনার পরপরই তাকে করতোয়া নদীর আওলিয়া ঘাটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

গতকাল রবিবার ২১ শে সেপ্টেম্বর মহালয়ার অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনার তিন বছর পূর্তিতে স্মরণসভা ও সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সাংবাদিকেরা ঘটনাস্থলে যান।ভয়াবহ ঐ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৭১ জন। 

ঘাটে কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাহমিদুর রহমান সাংবাদিকদের নৌকায় উঠতে বাধা দেন।একই সময়ে ৩/৪চারটি নৌকায় মোটর সাইকেলসহ যাত্রী পারাপার হতে দেখা যায়।সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন যখন অন্যরা মোটর সাইকেল নিয়ে পারাপার হচ্ছেন আমরা কেন সংবাদ সংগ্রহের কাজে যেতে পারব না?

এ সময় ক্ষুব্ধ হয়ে ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনি আল জাজিরার সাংবাদিক হন আর যেই সাংবাদিক হন,তাতে আমার যায় আসে না।যেতে পারবেন না।

এ সময় সাংবাদিকদের ক্যামরা ধরা দেখে তিনি আরও রেগে গিয়ে বলেন “আপনারা সন্ত্রাসী, আপনাদের কর্মকান্ড সন্ত্রাসী। ’শতাধিক মানুষের সামনে সাংবাদিকদের এভাবে অপমানিত করায় স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ফাহিম হাসান বলেন আমরা মহালয়ার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে বাধা দেন। অথচ ঘাট ফাঁকা ছিল এবং অন্যদের মোটর সাইকেল পার হতে দেখা যায়।এমনকি ইউএনও নিজেও মোটরসাইকেল নিয়ে নৌকায় পারাপার করছিলেন।তাহলে সাংবাদিকদের কেন বাধা দেওয়া হলো?

কালবেলার সাংবাদিক মোশারফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন আমাদের সাংবাদিক পরিচয় শুনে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, ‘আল জাজিরা সাংবাদিক হন যে সাংবাদিক হন,যেতে পারবেন না।’ এরপর তিনি আমাদের উদ্দেশে বলেন ‘আপনারা তো সন্ত্রাসী।’ এভাবে সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী বলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল ইসলাম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।বরং তিনি মন্তব্য করেন,‘কি পারেন করেন।’

অভিযোগ প্রসঙ্গে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাহমিদুর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে আওলিয়া ঘাটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত