অপরাধ
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ মরুয়াদহ গ্রামের এক হতদরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তির জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে আপন বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম আইনুল হক বেপারী, পিতা মৃত আব্দুল হাই বেপারী।
জানা যায়, আইনুল হক বেপারী তার নিজস্ব ক্রয়কৃত ৮৪.৮৩ শতক এবং পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ১৮.৫৬ শতক সহ মোট ১০৩.৩৯ শতক জমির বৈধ মালিক এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলেন। উক্ত জমিতে তিনি চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তার আপন বড় ভাই রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে নানা ভুয়া ও জাল দলিল দেখিয়ে ছোট ভাই আইনুল হককে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। এক পর্যায়ে তাকে নিজ বসতবাড়ি থেকে জোরপূর্বক তাড়িয়ে দেন।
বসতবাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে আইনুল হক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং ভারসাম্যহীন হয়ে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। পরে তার ছেলে-মেয়েরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে উদ্ধার করে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় দেন।
পরবর্তীতে পিতার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তার ছেলে-মেয়েরা পৈত্রিক জমিতে একটি থাকার ঘর উত্তোলন করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রফিকুল ইসলাম আবারও তাদের হয়রানি শুরু করেন বলে অভিযোগ। বর্তমানে নিরুপায় হয়ে আইনুল হক বেপারী ছাপড়হাটি ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী একাধিকবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পাননি। বড় ভাইয়ের প্রভাবের কারণে তারা সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারছেন না।
এমতাবস্থায় ভুক্তভোগী আইনুল হক বেপারীর ছেলে-মেয়ে ও দক্ষিণ মরুয়াদহ গ্রামের সর্বস্তরের এলাকাবাসী গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন, যেন দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ভুক্তভোগীকে তার বৈধ ১০৩.৩৯ শতক জমি ফিরিয়ে দিয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের আকুতি:
"আমরা গরিব মানুষ, আমরা জোর খাটাতে পারি না। আমরা আইনের কাছে ন্যায় বিচার চাই। আমার বাবা যেন তার শেষ বয়সে নিজের ভিটায় শান্তিতে থাকতে পারে।"
এ ব্যাপারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ছাপড়হাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ মরুয়াদহ গ্রামের এক হতদরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তির জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে আপন বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম আইনুল হক বেপারী, পিতা মৃত আব্দুল হাই বেপারী।
জানা যায়, আইনুল হক বেপারী তার নিজস্ব ক্রয়কৃত ৮৪.৮৩ শতক এবং পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ১৮.৫৬ শতক সহ মোট ১০৩.৩৯ শতক জমির বৈধ মালিক এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলেন। উক্ত জমিতে তিনি চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তার আপন বড় ভাই রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে নানা ভুয়া ও জাল দলিল দেখিয়ে ছোট ভাই আইনুল হককে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। এক পর্যায়ে তাকে নিজ বসতবাড়ি থেকে জোরপূর্বক তাড়িয়ে দেন।
বসতবাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে আইনুল হক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং ভারসাম্যহীন হয়ে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। পরে তার ছেলে-মেয়েরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে উদ্ধার করে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় দেন।
পরবর্তীতে পিতার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তার ছেলে-মেয়েরা পৈত্রিক জমিতে একটি থাকার ঘর উত্তোলন করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রফিকুল ইসলাম আবারও তাদের হয়রানি শুরু করেন বলে অভিযোগ। বর্তমানে নিরুপায় হয়ে আইনুল হক বেপারী ছাপড়হাটি ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী একাধিকবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পাননি। বড় ভাইয়ের প্রভাবের কারণে তারা সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারছেন না।
এমতাবস্থায় ভুক্তভোগী আইনুল হক বেপারীর ছেলে-মেয়ে ও দক্ষিণ মরুয়াদহ গ্রামের সর্বস্তরের এলাকাবাসী গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন, যেন দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ভুক্তভোগীকে তার বৈধ ১০৩.৩৯ শতক জমি ফিরিয়ে দিয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের আকুতি:
"আমরা গরিব মানুষ, আমরা জোর খাটাতে পারি না। আমরা আইনের কাছে ন্যায় বিচার চাই। আমার বাবা যেন তার শেষ বয়সে নিজের ভিটায় শান্তিতে থাকতে পারে।"
এ ব্যাপারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ছাপড়হাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।
