দুর্নীতি
লালমনিরহাটের মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ (২৩ আগস্ট) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগীরা।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ত্রাণ, উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন খাতের অর্থ সঠিকভাবে বিতরণ না করে নিজস্ব স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।বক্তারা বলেন, জনগণের টাকা লুটপাটের এমন ঘটনায় তারা ক্ষুব্ধ। দুলাল হোসেনের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে তাকে প্যানেল চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণেরও দাবি করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।
এ সময় ইটাপোতা কলোনি জামে মসজিদে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ এলেও সভাপতকে শুধু মাত্র ৬৮ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে।বাকী টাকা প্যানেল চেয়ারম্যান আত্মসাৎ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।
আর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনিতা দাস।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
লালমনিরহাটের মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ (২৩ আগস্ট) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগীরা।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ত্রাণ, উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন খাতের অর্থ সঠিকভাবে বিতরণ না করে নিজস্ব স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।বক্তারা বলেন, জনগণের টাকা লুটপাটের এমন ঘটনায় তারা ক্ষুব্ধ। দুলাল হোসেনের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে তাকে প্যানেল চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণেরও দাবি করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।
এ সময় ইটাপোতা কলোনি জামে মসজিদে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ এলেও সভাপতকে শুধু মাত্র ৬৮ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে।বাকী টাকা প্যানেল চেয়ারম্যান আত্মসাৎ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।
আর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনিতা দাস।
