দুর্নীতি
নেত্রকোনার বারহাট্টা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জুয়া খেলার আসর থেকে দুইজন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাস ও জুয়া খেলার সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে (১৩ আগস্ট) বুধবার মধ্য রাতে উপজেলার আসমা ইউনিয়নের হরিয়াতলা গ্রামের মেম্বার মার্কেট এলাকায় এ অভিযান চালায় বারহাট্টা থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার আসমা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও হরিয়াতলা গ্রামের মৃত নবী নেওয়াজের ছেলে মো. লিটন মিয়া (৫০) এবং একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ছয়গাঁও গ্রামের মো. সামছুদ্দিনের ছেলে মো. এমদাদুল হক হীরা (৪০)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— উপজেলার আসমা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. লিটন মিয়া (৫০), ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. এমদাদুল হক হীরা (৪০), ছয়গাঁও গ্রামের মো. একদিল মিয়া (৩৮), হরিয়াতলা গ্রামের মুদিদোকানের মালিক মো. সাব্বির আহমেদ (৩২) এবং একই গ্রামের হিরেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বশর্মা (৩৭)।
পুলিশ জানায়, উপজেলার হরিয়াতলা গ্রামের পাকা রাস্তা সংলগ্ন মেম্বার মার্কেটে মো. সাব্বির আহমেদের মুদির দোকানের ভেতর জুয়ার আসর বসেছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে জুয়া খেলার সামগ্রীসহ হাতেনাতে ওই পাঁচজনকে গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সদ্য প্রণীত ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬’ এর আওতায় নিয়মিত মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও জানান, নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইনের অধীনে বারহাট্টা থানায় এটিই প্রথম মামলা।
জনপ্রতিনিধি হয়েও ইউপি সদস্যদের এমন কর্মকাণ্ডে জড়ানোর খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
নেত্রকোনার বারহাট্টা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জুয়া খেলার আসর থেকে দুইজন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাস ও জুয়া খেলার সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে (১৩ আগস্ট) বুধবার মধ্য রাতে উপজেলার আসমা ইউনিয়নের হরিয়াতলা গ্রামের মেম্বার মার্কেট এলাকায় এ অভিযান চালায় বারহাট্টা থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার আসমা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও হরিয়াতলা গ্রামের মৃত নবী নেওয়াজের ছেলে মো. লিটন মিয়া (৫০) এবং একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ছয়গাঁও গ্রামের মো. সামছুদ্দিনের ছেলে মো. এমদাদুল হক হীরা (৪০)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— উপজেলার আসমা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. লিটন মিয়া (৫০), ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. এমদাদুল হক হীরা (৪০), ছয়গাঁও গ্রামের মো. একদিল মিয়া (৩৮), হরিয়াতলা গ্রামের মুদিদোকানের মালিক মো. সাব্বির আহমেদ (৩২) এবং একই গ্রামের হিরেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বশর্মা (৩৭)।
পুলিশ জানায়, উপজেলার হরিয়াতলা গ্রামের পাকা রাস্তা সংলগ্ন মেম্বার মার্কেটে মো. সাব্বির আহমেদের মুদির দোকানের ভেতর জুয়ার আসর বসেছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে জুয়া খেলার সামগ্রীসহ হাতেনাতে ওই পাঁচজনকে গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সদ্য প্রণীত ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬’ এর আওতায় নিয়মিত মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও জানান, নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইনের অধীনে বারহাট্টা থানায় এটিই প্রথম মামলা।
জনপ্রতিনিধি হয়েও ইউপি সদস্যদের এমন কর্মকাণ্ডে জড়ানোর খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
