দূর্ঘটনাদূর্ঘটনা

তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্যা নিরাশির পাতার বটতলায় হামিদুলের মর্মান্তিক মৃত্যু।

তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্যা নিরাশির পাতার বটতলায় হামিদুলের মর্মান্তিক মৃত্যু।
তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্যা বটতলা নিরাশির পাথার‌ এলাকায় মর্মান্তিক মৃত্যু

সাদুল্যা নিরাশির পাথার‌ বটতলা এলাকায় মর্মান্তিক মৃত্যু। তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্যা বটতলা নিরাশির পাথার‌ বটতলা সংলগ্ন এলাকায় ডাম্পার ড্রাইভার মোঃ হামিদুল ইসলাম (২৮)পিতা মোঃ জোবেদ ড্রাইভার এর ছেলের মরাদেহ পাওয়া যায়। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিগত কয়েক মাস ধরে, হামিদুল ইসলাম তার বড় আব্বু কুড়িগ্রাম জেলা ট্রাক ও ট্যাংলড়ী সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে থাকে। সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে, পরের দিন শনিবার ভোর বেলা ফজরের নামাজিরা নামাজ শেষে বটতলা নিরাশির পাতার তার নিজ এলাকায় মেইন রাস্তার পাশে ব্যবহৃত মটর সাইকেল সহ নিথর দেহ রাস্তার পাশে বালু‌ মাখা অবস্থায় উপর হয়ে পরে  থাকা দেখতে পায়।পরে বিষয়টি জানাজানি হলে,থানা পুলিশকে খবর দেয়, ঘটনা স্থলে ওসি সাঈদ ইবনে সিদ্দিক সঙ্গিয়সহ নিজে পুলিশ ভ্যানে চলে আসে। 

পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে,মরা দেহের নাক মুখ দিয়ে রক্তপাত ও পায়ের আংগুলে ঘষার দাগ লক্ষ্যে করা যায় এবং মটর সাইকেলের ছিটের নিচে ও সামনে ঘর্ষন দেখা যায়।লাশের পরনে প্যান্ট ও গেঞ্জি ছিল। হামিদুল ইসলাম এর দুই মায়ের মধ্যে তিন ভাই ও এক বোন ছিল। হামিদুল ১ম মায়ের ৩য় সন্তান। তাদের নিজস্ব ট্রাক আছে ।তার বাবা নিজেই একজন দক্ষ ড্রাইভার ।গত ৫থেকে৬ মাস হলো উলিপুর পৌরসভা মুন্সী পাড়া হ্যাপি আক্তার পিতা মোঃ হান্নান এর মেয়েকে বিবাহ করেন। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর ও শশুর বাড়ীর সাথে তার বনিবনা ছিল না। 

মৃত্যু হামিদুলের পরিবারের দাবি,শশুর বাড়ীর লোক জন ষড়যন্ত্র করে আমার ছেলেকে হত্যা করে। এলাকাবাসী জানান,সে ভালো ছেলে ছিল।তার মা ছেলে হত্যার শোকে বার বার মূর্ছা যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

এলাকাবাসীর দাবি, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

Public Voice

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্যা নিরাশির পাতার বটতলায় হামিদুলের মর্মান্তিক মৃত্যু।

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সাদুল্যা নিরাশির পাথার‌ বটতলা এলাকায় মর্মান্তিক মৃত্যু। তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্যা বটতলা নিরাশির পাথার‌ বটতলা সংলগ্ন এলাকায় ডাম্পার ড্রাইভার মোঃ হামিদুল ইসলাম (২৮)পিতা মোঃ জোবেদ ড্রাইভার এর ছেলের মরাদেহ পাওয়া যায়। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিগত কয়েক মাস ধরে, হামিদুল ইসলাম তার বড় আব্বু কুড়িগ্রাম জেলা ট্রাক ও ট্যাংলড়ী সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে থাকে। সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে, পরের দিন শনিবার ভোর বেলা ফজরের নামাজিরা নামাজ শেষে বটতলা নিরাশির পাতার তার নিজ এলাকায় মেইন রাস্তার পাশে ব্যবহৃত মটর সাইকেল সহ নিথর দেহ রাস্তার পাশে বালু‌ মাখা অবস্থায় উপর হয়ে পরে  থাকা দেখতে পায়।পরে বিষয়টি জানাজানি হলে,থানা পুলিশকে খবর দেয়, ঘটনা স্থলে ওসি সাঈদ ইবনে সিদ্দিক সঙ্গিয়সহ নিজে পুলিশ ভ্যানে চলে আসে। 

পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে,মরা দেহের নাক মুখ দিয়ে রক্তপাত ও পায়ের আংগুলে ঘষার দাগ লক্ষ্যে করা যায় এবং মটর সাইকেলের ছিটের নিচে ও সামনে ঘর্ষন দেখা যায়।লাশের পরনে প্যান্ট ও গেঞ্জি ছিল। হামিদুল ইসলাম এর দুই মায়ের মধ্যে তিন ভাই ও এক বোন ছিল। হামিদুল ১ম মায়ের ৩য় সন্তান। তাদের নিজস্ব ট্রাক আছে ।তার বাবা নিজেই একজন দক্ষ ড্রাইভার ।গত ৫থেকে৬ মাস হলো উলিপুর পৌরসভা মুন্সী পাড়া হ্যাপি আক্তার পিতা মোঃ হান্নান এর মেয়েকে বিবাহ করেন। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর ও শশুর বাড়ীর সাথে তার বনিবনা ছিল না। 

মৃত্যু হামিদুলের পরিবারের দাবি,শশুর বাড়ীর লোক জন ষড়যন্ত্র করে আমার ছেলেকে হত্যা করে। এলাকাবাসী জানান,সে ভালো ছেলে ছিল।তার মা ছেলে হত্যার শোকে বার বার মূর্ছা যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

এলাকাবাসীর দাবি, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত