নারী-শিশুনারী-শিশু

এএসআই এম এ সালাম বাবুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চেয়ে আবেদন

এএসআই এম এ সালাম বাবুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চেয়ে আবেদন
এএসআই এম এ সালাম বাবুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চেয়ে আবেদন

লালমনিরহাটে কর্মরত বলে পরিচিত এএসআই এম এ সালাম বাবুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দাবি করা এক নারী লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ন্যায়বিচার চেয়েছেন।

অভিযোগকারী মোছাঃ রুবাইয়া সুলতানা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে দীর্ঘদিন আগে এএসআই এম এ সালাম বাবুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩ জুলাই ২০২৬ অভিযুক্ত তাকে তার বোনের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে দুপুরের খাবারের পর বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক করতে অস্বীকৃতি জানালেও জোরপূর্বক তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগকারীর দাবি। পরে তাকে বিয়ের আশ্বাস দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় অভিযুক্তের কয়েকজন স্বজনকে ডেকে এনে একটি কাগজে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যেখানে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়েছে বলে লেখা ছিল।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই রাতেই অভিযুক্ত অভিযোগকারীর বাড়িতে অবস্থান করেন এবং সেখানেও তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরদিন সকালে অভিযুক্ত চলে যাওয়ার পর আর যোগাযোগ করেননি বলে অভিযোগকারীর দাবি। তিনি জানান, ফোনে যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত তাকে অস্বীকার করেন এবং পরবর্তীতে আর কোনো যোগাযোগ রাখেননি। অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারাও পরিচয় অস্বীকার করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযোগকারী দাবি করেন, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এএসআই এম এ সালাম বাবুলের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

ভুক্তভোগী তার লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Public Voice

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এএসআই এম এ সালাম বাবুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চেয়ে আবেদন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

লালমনিরহাটে কর্মরত বলে পরিচিত এএসআই এম এ সালাম বাবুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দাবি করা এক নারী লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ন্যায়বিচার চেয়েছেন।

অভিযোগকারী মোছাঃ রুবাইয়া সুলতানা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে দীর্ঘদিন আগে এএসআই এম এ সালাম বাবুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩ জুলাই ২০২৬ অভিযুক্ত তাকে তার বোনের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে দুপুরের খাবারের পর বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক করতে অস্বীকৃতি জানালেও জোরপূর্বক তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগকারীর দাবি। পরে তাকে বিয়ের আশ্বাস দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় অভিযুক্তের কয়েকজন স্বজনকে ডেকে এনে একটি কাগজে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যেখানে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়েছে বলে লেখা ছিল।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই রাতেই অভিযুক্ত অভিযোগকারীর বাড়িতে অবস্থান করেন এবং সেখানেও তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরদিন সকালে অভিযুক্ত চলে যাওয়ার পর আর যোগাযোগ করেননি বলে অভিযোগকারীর দাবি। তিনি জানান, ফোনে যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত তাকে অস্বীকার করেন এবং পরবর্তীতে আর কোনো যোগাযোগ রাখেননি। অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারাও পরিচয় অস্বীকার করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযোগকারী দাবি করেন, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এএসআই এম এ সালাম বাবুলের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

ভুক্তভোগী তার লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত