কৃষিকৃষি

সুন্দরগঞ্জে কৃষক কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ শুরু

সুন্দরগঞ্জে কৃষক কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ শুরু
কৃষকের তথ্য সংগ্রহের ছবি

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত 'কৃষক কার্ড' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কৃষকের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলার একটি ব্লকে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল ব্লকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ২ নম্বর ব্লকে গত ১৬ জুলাই থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এ ব্লকে একযোগে ১৮টি পয়েন্টে ১৮ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছেন।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি কৃষক পরিবারের গৃহকর্তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কৃষকের নাম-ঠিকানা, জমির পরিমাণ, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, চাষকৃত ফসল ও জমির পরিমাণ, সারের ব্যবহার, পরিবারের সদস্য সংখ্যা, মোবাইল নম্বর ও মোবাইলের ধরন, সরকারি সুবিধা প্রাপ্তির তথ্য, বিকাশ বা নগদ হিসাব, স্ত্রী ও নমিনীর তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, খামার, পেশা ও আয়ের উৎস, নার্সারি ও ফল বাগান, বীজের উৎস, বর্গা বা বন্ধকী জমির তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষি ঋণ ও বীমাসহ মোট ২৩টি বিষয়।

তথ্য সংগ্রহকারী উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান বলেন, প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।


উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে একটি ব্লকে ১৮টি পয়েন্টে একযোগে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।"

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ব্লকেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

Public Voice

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সুন্দরগঞ্জে কৃষক কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ শুরু

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত 'কৃষক কার্ড' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কৃষকের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলার একটি ব্লকে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল ব্লকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ২ নম্বর ব্লকে গত ১৬ জুলাই থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এ ব্লকে একযোগে ১৮টি পয়েন্টে ১৮ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছেন।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি কৃষক পরিবারের গৃহকর্তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কৃষকের নাম-ঠিকানা, জমির পরিমাণ, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, চাষকৃত ফসল ও জমির পরিমাণ, সারের ব্যবহার, পরিবারের সদস্য সংখ্যা, মোবাইল নম্বর ও মোবাইলের ধরন, সরকারি সুবিধা প্রাপ্তির তথ্য, বিকাশ বা নগদ হিসাব, স্ত্রী ও নমিনীর তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, খামার, পেশা ও আয়ের উৎস, নার্সারি ও ফল বাগান, বীজের উৎস, বর্গা বা বন্ধকী জমির তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষি ঋণ ও বীমাসহ মোট ২৩টি বিষয়।

তথ্য সংগ্রহকারী উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান বলেন, প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।


উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে একটি ব্লকে ১৮টি পয়েন্টে একযোগে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।"

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ব্লকেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত