পরিবেশ ও জলবায়ুপরিবেশ ও জলবায়ু

চিলমারীতে 'বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০'-এর কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চিলমারীতে 'বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০'-এর কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চিলমারীতে 'বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০'-এর কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

চিলমারীতে  ডেল্টা প্ল্যান ২১০০'-এর (টিসিএফ / বিজিডি  (৪০০৩)'  বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬ ইং ) বেলা সাড়ে নয়টা থেকে একটা পর্যন্ত উপজেলা অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ (BDP 2100) হলো জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের প্রণীত একটি শতবর্ষী ও সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা । নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো পানিসম্পদ, ভূমি ও পরিবেশের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন। কর্মশালায় আলোচকবৃন্দরা জানান, দেশে ৬ টি হট স্পটের  মধ্যে চিলমারী উপজেলা একটি। উপজেলায় কৃষি উৎপাদন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই এই কর্মশালার আয়োজন।

প্রধান উদ্দেশ্য টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন রোধ এবং জলবায়ুর পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা কৃষিখাতকে সম্প্রসারিত করা।

৬টি হটস্পট (দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল): দেশের ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক ঝুঁকির ওপর ভিত্তি করে সম্পূর্ণ অঞ্চলকে ৬টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ১. উপকূলীয় অঞ্চল ২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল ৩. হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল ৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল ৫. নদী ও মোহনা অঞ্চল ৬. নগর অঞ্চল।

দেশে মোট ৬টি হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলা অন্যতম। 

কর্মশালায় উপস্থিতি ব্যক্তিবর্গদেরকে নিয়ে ৩টি গ্রুপ করা হয়। প্রতিটি গ্রুপ থেকে কৃষি উৎপাদন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে,উপজেলার কৃষকদের খাদ্য শষ্য উৎপাদনে কি ধরনের প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় বের করতে লিখিত পরামর্শ নেয়া হয়।

গ্রুপ পরামর্শে উঠে আসে ১. চিলমারী উপজেলা তথা চরাঞ্চলে কৃষি তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র  ২. নদী শাসন ও ভাঙ্গন ৩. মাটির উর্বরতা অনুযায়ী উন্নত মানের বীজ ৪. সার ও ডিজেল সংকট ৫. পরিবহন সংকট, ৬. খাদ্য শষ্য সংরক্ষণ, ৭. আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ৮. সবুজ বনাঞ্চল ৯. বাজার বিপণন ব্যবস্থা ১০. কৃষি নির্ভর শিল্প কারখানা গড়ে তোলা। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে 'ডেল্টা প্যান ২১০০ বাস্তবায়নে উপজেলার কৃষি উৎপাদন ও সম্প্রসারণসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং দারিদ্রতা থেকে মুক্তির সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর (ফোকাল পয়েন্ট) ড. মোঃ আকরাম হোসেন চৌধুরী, আরো উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল পলিসি এক্সপার্ট, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মোঃ মাজহারুল আমিন, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর ড. রেজা অনিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায়, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক,সাবেক সাংসদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল বারী সরকার, বিএনপি নেতা মোঃ বদরুদ্দোজা বুলু, প্রশাসনিক কৃষি কর্মকর্তা সরোয়ার, মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ও সাংবাদিকবৃন্দ। চিলমারী  উপজেলা নির্বাহী অফিসার উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন।

Public Voice

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চিলমারীতে 'বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০'-এর কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬

featured Image

চিলমারীতে  ডেল্টা প্ল্যান ২১০০'-এর (টিসিএফ / বিজিডি  (৪০০৩)'  বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬ ইং ) বেলা সাড়ে নয়টা থেকে একটা পর্যন্ত উপজেলা অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ (BDP 2100) হলো জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের প্রণীত একটি শতবর্ষী ও সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা । নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো পানিসম্পদ, ভূমি ও পরিবেশের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন। কর্মশালায় আলোচকবৃন্দরা জানান, দেশে ৬ টি হট স্পটের  মধ্যে চিলমারী উপজেলা একটি। উপজেলায় কৃষি উৎপাদন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই এই কর্মশালার আয়োজন।

প্রধান উদ্দেশ্য টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন রোধ এবং জলবায়ুর পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা কৃষিখাতকে সম্প্রসারিত করা।


৬টি হটস্পট (দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল): দেশের ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক ঝুঁকির ওপর ভিত্তি করে সম্পূর্ণ অঞ্চলকে ৬টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ১. উপকূলীয় অঞ্চল ২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল ৩. হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল ৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল ৫. নদী ও মোহনা অঞ্চল ৬. নগর অঞ্চল।

দেশে মোট ৬টি হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলা অন্যতম। 

কর্মশালায় উপস্থিতি ব্যক্তিবর্গদেরকে নিয়ে ৩টি গ্রুপ করা হয়। প্রতিটি গ্রুপ থেকে কৃষি উৎপাদন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে,উপজেলার কৃষকদের খাদ্য শষ্য উৎপাদনে কি ধরনের প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় বের করতে লিখিত পরামর্শ নেয়া হয়।

গ্রুপ পরামর্শে উঠে আসে ১. চিলমারী উপজেলা তথা চরাঞ্চলে কৃষি তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র  ২. নদী শাসন ও ভাঙ্গন ৩. মাটির উর্বরতা অনুযায়ী উন্নত মানের বীজ ৪. সার ও ডিজেল সংকট ৫. পরিবহন সংকট, ৬. খাদ্য শষ্য সংরক্ষণ, ৭. আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ৮. সবুজ বনাঞ্চল ৯. বাজার বিপণন ব্যবস্থা ১০. কৃষি নির্ভর শিল্প কারখানা গড়ে তোলা। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে 'ডেল্টা প্যান ২১০০ বাস্তবায়নে উপজেলার কৃষি উৎপাদন ও সম্প্রসারণসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং দারিদ্রতা থেকে মুক্তির সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর (ফোকাল পয়েন্ট) ড. মোঃ আকরাম হোসেন চৌধুরী, আরো উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল পলিসি এক্সপার্ট, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মোঃ মাজহারুল আমিন, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর ড. রেজা অনিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায়, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক,সাবেক সাংসদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল বারী সরকার, বিএনপি নেতা মোঃ বদরুদ্দোজা বুলু, প্রশাসনিক কৃষি কর্মকর্তা সরোয়ার, মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ও সাংবাদিকবৃন্দ। চিলমারী  উপজেলা নির্বাহী অফিসার উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন।




Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত