নারী-শিশু
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে দাফনের ৩মাস পর গৃহবধূ মনোয়ারা খাতুন (৪৫) লাশ কবর দেবার ৩ মাস পর উত্তোলন করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পরার থেকেই সেখানে মানুষ ভিড় জমাচ্ছে।
আদালতের নির্দেশে রবিবার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর ও নওদা ক্ষেমিড়দিয়াড় কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করে পুলিশ। লাশ কবর থেকে উত্তলনের পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়|
মৃত মনোয়ারা খাতুন উপজেলার নওদা ক্ষেমিরদিয়াড় এলাকার আমিন ব্যাপারীর স্ত্রী ছিলেন। আমিন ব্যাপারী তাঁর দ্বিতীয় স্বামী।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০শে মার্চ মনোয়ারা খাতুন মারা যায়। সে সময় তিনি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছিল জানান এলাকাবাসীর মধ্যে। ঘটনার পর থেকেই তাঁর স্বামী আমিন ব্যাপারী পলাতক আছেন।
এ ঘটনায় মনোয়ার খাতুনের আগের পক্ষের ছেলের সুমন কুষ্টিয়া আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার পায় ভেড়ামারা থানা পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে আদালত লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন।
ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ রাকিবুল ইসলাম (রকিব) বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে দাফনের ৩মাস পর গৃহবধূ মনোয়ারা খাতুন (৪৫) লাশ কবর দেবার ৩ মাস পর উত্তোলন করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পরার থেকেই সেখানে মানুষ ভিড় জমাচ্ছে।
আদালতের নির্দেশে রবিবার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর ও নওদা ক্ষেমিড়দিয়াড় কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করে পুলিশ। লাশ কবর থেকে উত্তলনের পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়|
মৃত মনোয়ারা খাতুন উপজেলার নওদা ক্ষেমিরদিয়াড় এলাকার আমিন ব্যাপারীর স্ত্রী ছিলেন। আমিন ব্যাপারী তাঁর দ্বিতীয় স্বামী।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০শে মার্চ মনোয়ারা খাতুন মারা যায়। সে সময় তিনি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছিল জানান এলাকাবাসীর মধ্যে। ঘটনার পর থেকেই তাঁর স্বামী আমিন ব্যাপারী পলাতক আছেন।
এ ঘটনায় মনোয়ার খাতুনের আগের পক্ষের ছেলের সুমন কুষ্টিয়া আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার পায় ভেড়ামারা থানা পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে আদালত লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন।
ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ রাকিবুল ইসলাম (রকিব) বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
