স্বাস্থ্য
সচেতন হোন, অন্যকে সচেতন করুন; ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতাই আমাদের প্রধান হাতিয়ার। এই প্রতিপাদ্যের আলোকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আজ (০৬ জুন ২০২৬) সকাল ১০:০০ ঘটিকায় সিভিল সার্জনের কার্যালয়, যশোর থেকে সচেতনতামূলক উক্ত র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও যশোর পৌরসভার সহযোগিতায় উক্ত র্যালির আয়োজন করা হয়।
উক্ত র্যালিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাবৃন্দ, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিগণ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, ইতিমধ্যেই প্রতি জুমার খুতবায় ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা, এর বিস্তারের কারণ, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং আক্রান্ত হলে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বক্তব্য সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম ও খতিবগণ প্রদান করছেন।
কোনো এলাকায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকা জরুরি ভিত্তিতে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নজরদারি কার্যক্রম জোরদারকরণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মশক নিধন কার্যক্রম, বিশেষ করে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত ও যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও করণীয় বিষয়ে তথ্যসমৃদ্ধ সচেতনতামূলক লিফলেট, প্রচারপত্র ও অন্যান্য প্রচারণামূলক উপকরণ মুদ্রণ ও বিতরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি/হার জনসাধারণের সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে বড় ও সুস্পষ্ট ফন্টে প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ডেঙ্গুর বিস্তারের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহ যেমন—নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত স্থাপনা, ঝোপঝাড়, জলাবদ্ধ এলাকা, খোলা পাত্র এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলসমূহে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা-সামগ্রী ব্যবহার, সংরক্ষণ বা বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
ডাব বিক্রয়ের ফলে সৃষ্ট বর্জ্য, বিশেষ করে ডাবের খোসা, নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণ ও যথাযথভাবে অপসারণ নিশ্চিতকরণে পৌরসভাকে নজরদারি, মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
সর্বোপরি, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছাড়া সামগ্রিক সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। তাই পরিচ্ছন্ন যশোর গড়তে নিজ নিজ জায়গা থেকে আমরা আমাদের আওতাভুক্ত জায়গা পরিচ্ছন্ন রাখি।
উক্ত র্যালি ও র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ আশেক হাসান-জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যশোর, পুলিশ সুপার (এসপি)-সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন-ডাঃ মোঃ মাসুদ রানা, প্রেসক্লাব সভাপতি-জাহিদ হাসান টুকুন, বিএনপি নেতা এডভোকেট হাজী আনিসুর রহমান মুকুলসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
M

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
সচেতন হোন, অন্যকে সচেতন করুন; ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতাই আমাদের প্রধান হাতিয়ার। এই প্রতিপাদ্যের আলোকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আজ (০৬ জুন ২০২৬) সকাল ১০:০০ ঘটিকায় সিভিল সার্জনের কার্যালয়, যশোর থেকে সচেতনতামূলক উক্ত র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও যশোর পৌরসভার সহযোগিতায় উক্ত র্যালির আয়োজন করা হয়।
উক্ত র্যালিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাবৃন্দ, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিগণ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, ইতিমধ্যেই প্রতি জুমার খুতবায় ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা, এর বিস্তারের কারণ, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং আক্রান্ত হলে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বক্তব্য সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম ও খতিবগণ প্রদান করছেন।
কোনো এলাকায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকা জরুরি ভিত্তিতে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নজরদারি কার্যক্রম জোরদারকরণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মশক নিধন কার্যক্রম, বিশেষ করে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত ও যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও করণীয় বিষয়ে তথ্যসমৃদ্ধ সচেতনতামূলক লিফলেট, প্রচারপত্র ও অন্যান্য প্রচারণামূলক উপকরণ মুদ্রণ ও বিতরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি/হার জনসাধারণের সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে বড় ও সুস্পষ্ট ফন্টে প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ডেঙ্গুর বিস্তারের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহ যেমন—নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত স্থাপনা, ঝোপঝাড়, জলাবদ্ধ এলাকা, খোলা পাত্র এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলসমূহে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা-সামগ্রী ব্যবহার, সংরক্ষণ বা বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
ডাব বিক্রয়ের ফলে সৃষ্ট বর্জ্য, বিশেষ করে ডাবের খোসা, নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণ ও যথাযথভাবে অপসারণ নিশ্চিতকরণে পৌরসভাকে নজরদারি, মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
সর্বোপরি, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছাড়া সামগ্রিক সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। তাই পরিচ্ছন্ন যশোর গড়তে নিজ নিজ জায়গা থেকে আমরা আমাদের আওতাভুক্ত জায়গা পরিচ্ছন্ন রাখি।
উক্ত র্যালি ও র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ আশেক হাসান-জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যশোর, পুলিশ সুপার (এসপি)-সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন-ডাঃ মোঃ মাসুদ রানা, প্রেসক্লাব সভাপতি-জাহিদ হাসান টুকুন, বিএনপি নেতা এডভোকেট হাজী আনিসুর রহমান মুকুলসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
M
