ক্যাম্পাস
৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে একটি সুন্দর ও নিরাপদ ক্যাম্পাস চাওয়া ছিল আমাদের দাবি। সেখান থেকে নতুন নেতৃত্ব তৈরি হবে, যেই নেতৃত্ব আগামীর বাংলাদেশ গড়বে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) একটা শব্দ আমদানি করেছেন, তা হলো গুপ্ত। আর এই গুপ্ত শব্দ ব্যবহার করে নতুন করে ক্যাম্পাসকে অস্থিশীল করা এবং ছাত্র হত্যার পথ বাতলানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি কলেজে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামি ছাত্রশিবিরের মধ্যকার সংঘর্ষের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামি ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে যারা ছাত্রত্বের অধ্যায় ঘুচিয়ে চাঁদাবাজিতে নাম লিখিয়েছে তাদের ঐক্যবদ্ধ করে চট্টগ্রামের সিটি কলেজের ইস্যুতে ডাকা নগরের এক প্রতিবাদ সমাবেশে হামলা করা হয়েছে। এক সময় এই হামলাকারীরা ছিল হাসিনার পারপাস সার্ভকারী; যারা মানুষের অধিকার হনন, রাহাজানি ও লুটতরাজে যুক্ত ছিল তাদেরকে দিয়ে একত্রিত করে এই হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি আরো যোগ করেন, ‘আপনারা কাদের গুপ্ত বলছেন— ক্লাস থেকে রাজপথে নেমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে যারা রক্ত দিল, ঘাম ঝরাল, যারা জুলাইয়ে রাজপথে তার খেলার সাথি হারাল, ক্লাসের বন্ধুকে হারাল, অথচ আপনি তাকে গুপ্ত বলেন! তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা বলতে চাই— বিগত ১৫ বছর আপনি কোথায় ছিলেন।’
‘আমরা হামলা মামলা ও বিদ্বেষের রাজনীতি চাইনা। আমাদের ভদ্রতা, রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও সুন্দর আচরণের মন-মানসিকতাকে পুঁজি করে কেউ যদি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। তাহলে আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলছি— ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্ররা যে কাঁপুনি দিবে সেটা তারেক রহমান সহ্য করতে পারবেন না’, বলেন চাকসু ভিপি।
এ সময় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির নেতা ও বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের আবাসন ও যোগাযোগ সম্পাদক ইসহাক ভুঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদসহ সংগঠনটির একাধিক নেতা-কর্মী।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে একটি সুন্দর ও নিরাপদ ক্যাম্পাস চাওয়া ছিল আমাদের দাবি। সেখান থেকে নতুন নেতৃত্ব তৈরি হবে, যেই নেতৃত্ব আগামীর বাংলাদেশ গড়বে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) একটা শব্দ আমদানি করেছেন, তা হলো গুপ্ত। আর এই গুপ্ত শব্দ ব্যবহার করে নতুন করে ক্যাম্পাসকে অস্থিশীল করা এবং ছাত্র হত্যার পথ বাতলানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি কলেজে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামি ছাত্রশিবিরের মধ্যকার সংঘর্ষের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামি ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে যারা ছাত্রত্বের অধ্যায় ঘুচিয়ে চাঁদাবাজিতে নাম লিখিয়েছে তাদের ঐক্যবদ্ধ করে চট্টগ্রামের সিটি কলেজের ইস্যুতে ডাকা নগরের এক প্রতিবাদ সমাবেশে হামলা করা হয়েছে। এক সময় এই হামলাকারীরা ছিল হাসিনার পারপাস সার্ভকারী; যারা মানুষের অধিকার হনন, রাহাজানি ও লুটতরাজে যুক্ত ছিল তাদেরকে দিয়ে একত্রিত করে এই হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি আরো যোগ করেন, ‘আপনারা কাদের গুপ্ত বলছেন— ক্লাস থেকে রাজপথে নেমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে যারা রক্ত দিল, ঘাম ঝরাল, যারা জুলাইয়ে রাজপথে তার খেলার সাথি হারাল, ক্লাসের বন্ধুকে হারাল, অথচ আপনি তাকে গুপ্ত বলেন! তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা বলতে চাই— বিগত ১৫ বছর আপনি কোথায় ছিলেন।’
‘আমরা হামলা মামলা ও বিদ্বেষের রাজনীতি চাইনা। আমাদের ভদ্রতা, রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও সুন্দর আচরণের মন-মানসিকতাকে পুঁজি করে কেউ যদি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। তাহলে আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলছি— ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্ররা যে কাঁপুনি দিবে সেটা তারেক রহমান সহ্য করতে পারবেন না’, বলেন চাকসু ভিপি।
এ সময় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির নেতা ও বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের আবাসন ও যোগাযোগ সম্পাদক ইসহাক ভুঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদসহ সংগঠনটির একাধিক নেতা-কর্মী।
