খাবার
যশোরের কেশবপুরে অবৈধভাবে দুধ তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে র্যাব-৬ এর সদস্যরা। জেলার কেশবপুর উপজেলার পাজিয়া গ্রামে পরিচালিত এক অভিযানে এ কারখানার অস্তিত্ব ধরা পড়ে। সোমবার বেলা ১২টার দিকে র্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান শুরু করে, যা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে দুধ তৈরির কার্যক্রম চলছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে কৃত্রিম দুধ তৈরি করে তা বাজারজাত করা হতো। বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে র্যাব-৬ যশোরের একটি দল অভিযান পরিচালনা শুরু করে। অভিযানের সময় কারখানার ভেতর থেকে দুধ তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম, কাঁচামাল ও প্রস্তুতকৃত দুধের নমুনা জব্দ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে অভিযান শেষ না হওয়ায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জব্দকৃত মালামালের পরিমাণ কিংবা কারখানার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে র্যাবের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। র্যাব সূত্রে শুধু জানানো হয়েছে, অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, খাদ্যপণ্যে ভেজাল ও অবৈধ উৎপাদন বন্ধে এমন অভিযান নিয়মিত হলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
যশোরের কেশবপুরে অবৈধভাবে দুধ তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে র্যাব-৬ এর সদস্যরা। জেলার কেশবপুর উপজেলার পাজিয়া গ্রামে পরিচালিত এক অভিযানে এ কারখানার অস্তিত্ব ধরা পড়ে। সোমবার বেলা ১২টার দিকে র্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান শুরু করে, যা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে দুধ তৈরির কার্যক্রম চলছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে কৃত্রিম দুধ তৈরি করে তা বাজারজাত করা হতো। বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে র্যাব-৬ যশোরের একটি দল অভিযান পরিচালনা শুরু করে। অভিযানের সময় কারখানার ভেতর থেকে দুধ তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম, কাঁচামাল ও প্রস্তুতকৃত দুধের নমুনা জব্দ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে অভিযান শেষ না হওয়ায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জব্দকৃত মালামালের পরিমাণ কিংবা কারখানার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে র্যাবের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। র্যাব সূত্রে শুধু জানানো হয়েছে, অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, খাদ্যপণ্যে ভেজাল ও অবৈধ উৎপাদন বন্ধে এমন অভিযান নিয়মিত হলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।
