খাবার
পাবনা ঈশ্বরদীতে চলতি মৌসুমে হঠাৎ করেই গাছে থাকা অপরিপক্ব কাঁচা লিচু ফেটে যাওয়ার ঘটনায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন লিচু চাষিরা। শনিবার (১৬ মে) সকালে কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঈশ্বরদীর জয়নগর, মানিকনগর, মিরকামারী, বড়ইচারা, সাহাপুর, বাঘইল ও আওতাপাড়া এলাকার বিভিন্ন লিচু বাগান সরেজমিনে ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।চাষিরা জানান, গাছে থাকা অনেক কাঁচা লিচু হঠাৎ করেই ফেটে যাচ্ছে। এতে বাজারজাত করার আগেই ফল নষ্ট হয়ে পড়ছে। কেন এমন হচ্ছে সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছেন না অনেকেই। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লিচুর ফলন নিয়ে আশাবাদী ছিলেন বাগান মালিকরা। তবে শেষ মুহূর্তে এসে এ ধরনের সমস্যায় হতাশ হয়ে পড়েছেন তারা।স্থানীয় লিচু চাষিদের ভাষ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেও এমনটি হতে পারে। অনেকের মতে, মাটিতে দীর্ঘ সময় শুষ্ক অবস্থা থাকার পর অতিরিক্ত পানি পাওয়ায় লিচুর ভেতরের অংশ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে খোসা ফেটে যাচ্ছে।কৃষকদের আশঙ্কা, এভাবে লিচু ফেটে যেতে থাকলে এবার আশানুরূপ ফলন ও লাভ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন তারা। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও দ্রুত কার্যকর প্রতিকার চান ভুক্তভোগী চাষিরা।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
পাবনা ঈশ্বরদীতে চলতি মৌসুমে হঠাৎ করেই গাছে থাকা অপরিপক্ব কাঁচা লিচু ফেটে যাওয়ার ঘটনায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন লিচু চাষিরা। শনিবার (১৬ মে) সকালে কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঈশ্বরদীর জয়নগর, মানিকনগর, মিরকামারী, বড়ইচারা, সাহাপুর, বাঘইল ও আওতাপাড়া এলাকার বিভিন্ন লিচু বাগান সরেজমিনে ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।চাষিরা জানান, গাছে থাকা অনেক কাঁচা লিচু হঠাৎ করেই ফেটে যাচ্ছে। এতে বাজারজাত করার আগেই ফল নষ্ট হয়ে পড়ছে। কেন এমন হচ্ছে সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছেন না অনেকেই। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লিচুর ফলন নিয়ে আশাবাদী ছিলেন বাগান মালিকরা। তবে শেষ মুহূর্তে এসে এ ধরনের সমস্যায় হতাশ হয়ে পড়েছেন তারা।স্থানীয় লিচু চাষিদের ভাষ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেও এমনটি হতে পারে। অনেকের মতে, মাটিতে দীর্ঘ সময় শুষ্ক অবস্থা থাকার পর অতিরিক্ত পানি পাওয়ায় লিচুর ভেতরের অংশ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে খোসা ফেটে যাচ্ছে।কৃষকদের আশঙ্কা, এভাবে লিচু ফেটে যেতে থাকলে এবার আশানুরূপ ফলন ও লাভ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন তারা। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও দ্রুত কার্যকর প্রতিকার চান ভুক্তভোগী চাষিরা।
