খাবারখাবার

সুন্দরগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে পচা দুর্গন্ধযুক্ত লালচে চাল বিতরণ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় কার্ড ধারীদের মাঝে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত লালচে চাল বিতরণ করা হয়। 

রবিবার (৮- মার্চ) সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারগণ চাল বিতরণ করেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চাল বিতরণের সময় কার্ডধারী দের সঙ্গে ডিলারদের চাল নিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে। কার্ড ধারীরা এসব পচা দুর্গন্ধ ও লালচে চাল নিতে চাচ্ছে না, কিন্তু ডিলাররা জোর করে তাদেরকে দিচ্ছে, ডিলাররা তাদেরকে বলছে গুদামে এর চেয়ে ভালো চাল ছিল না, ভালো চাল থাকলে আমরা নিয়ে আসতাম।

এ বিষয়ে একাধিক কার্ড ধারীদের সঙ্গে কথা হলে তার বলেন, এবারে ডিলার আমাদের কে যে চাল দিচ্ছে তা মোটেই খাওয়ার উপযোগী চাল নয়,সেই সাথে ১৫ টাকা কেজি দরে আমাদের কাছ থেকে ৩০ কেজি চালের দাম নেওয়া হচ্ছে কিন্তু আমরা চাল পাচ্ছি প্রায় ২৯ বা ২৯ কেজি ৩০০ গ্রাম করে। 

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন মহিলা কার্ডধারী বলেন, ২৯ কেজি দিলেও ভালো যদি আমাদেরকে এসব প্রসাদ দুর্গন্ধযুক্ত লালচে চাল না দিয়ে খাওয়ার উপযোগী চাল দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানান, আমার তদন্ত কমিটি গঠন করেছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে জানানো হলে তিনি বলেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

Public Voice

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সুন্দরগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে পচা দুর্গন্ধযুক্ত লালচে চাল বিতরণ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় কার্ড ধারীদের মাঝে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত লালচে চাল বিতরণ করা হয়। 

রবিবার (৮- মার্চ) সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারগণ চাল বিতরণ করেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চাল বিতরণের সময় কার্ডধারী দের সঙ্গে ডিলারদের চাল নিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে। কার্ড ধারীরা এসব পচা দুর্গন্ধ ও লালচে চাল নিতে চাচ্ছে না, কিন্তু ডিলাররা জোর করে তাদেরকে দিচ্ছে, ডিলাররা তাদেরকে বলছে গুদামে এর চেয়ে ভালো চাল ছিল না, ভালো চাল থাকলে আমরা নিয়ে আসতাম।

এ বিষয়ে একাধিক কার্ড ধারীদের সঙ্গে কথা হলে তার বলেন, এবারে ডিলার আমাদের কে যে চাল দিচ্ছে তা মোটেই খাওয়ার উপযোগী চাল নয়,সেই সাথে ১৫ টাকা কেজি দরে আমাদের কাছ থেকে ৩০ কেজি চালের দাম নেওয়া হচ্ছে কিন্তু আমরা চাল পাচ্ছি প্রায় ২৯ বা ২৯ কেজি ৩০০ গ্রাম করে। 

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন মহিলা কার্ডধারী বলেন, ২৯ কেজি দিলেও ভালো যদি আমাদেরকে এসব প্রসাদ দুর্গন্ধযুক্ত লালচে চাল না দিয়ে খাওয়ার উপযোগী চাল দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানান, আমার তদন্ত কমিটি গঠন করেছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে জানানো হলে তিনি বলেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত