দুর্নীতিদুর্নীতি

রাণীশংকৈলে ফের কবর থেকে ৮ কঙ্কাল উধাও, এলাকায় চাঞ্চল্য

রাণীশংকৈলে ফের কবর থেকে ৮ কঙ্কাল উধাও, এলাকায় চাঞ্চল্য
রাণীশংকৈলে ফের কবর থেকে ৮ কঙ্কাল উধাও, এলাকায় চাঞ্চল্য

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার গোগর গ্রামের ঢাকাডাঙ্গী গোরস্থানে আবারও কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা অন্তত ৮টি কবর থেকে কঙ্কাল নিয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর স্থানীয় বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম তার প্রয়াত বাবার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে একটি কবরের মাটি খোঁড়া দেখতে পান। কাছে গিয়ে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। পরে একাধিক কবর ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং কঙ্কাল চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

গ্রামবাসীর দাবি, এর আগেও গত বছরের জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে একই গোরস্থান থেকে ১০ থেকে ১১টি কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এমন ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে গোরস্থান এলাকায় ভিড় জমায় উৎসুক মানুষ।

Public Voice

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাণীশংকৈলে ফের কবর থেকে ৮ কঙ্কাল উধাও, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার গোগর গ্রামের ঢাকাডাঙ্গী গোরস্থানে আবারও কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা অন্তত ৮টি কবর থেকে কঙ্কাল নিয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।


শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর স্থানীয় বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম তার প্রয়াত বাবার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে একটি কবরের মাটি খোঁড়া দেখতে পান। কাছে গিয়ে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। পরে একাধিক কবর ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং কঙ্কাল চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হয়।


গ্রামবাসীর দাবি, এর আগেও গত বছরের জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে একই গোরস্থান থেকে ১০ থেকে ১১টি কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এমন ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।


স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে গোরস্থান এলাকায় ভিড় জমায় উৎসুক মানুষ।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত