আইন-কানুন
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ সকালে জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “শহিদ পরিবারসহ জাতিকে আশ্বস্ত করতে চাই—পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস ঘটনা আর না ঘটে।” তিনি মন্তব্য করেন, এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার অপচেষ্টা হয়েছিল এবং যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তারাই এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্ব ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি। ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য উদ্ঘাটনে তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে একটি জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হয় এবং সেই কমিশনের রিপোর্ট বর্তমানে সরকারের হাতে রয়েছে। তবে সে সময় রিপোর্ট বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে না। “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়েই তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল। কমিশনের সুপারিশ ও বিচারাধীন মামলাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। অন্যান্য সুপারিশ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে,” যোগ করেন তিনি।
জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিনটি পালন করা হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক এবং শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনিও বনানী সামরিক কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিকেলে সেনানিবাসে ইফতার, দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তারা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় ও চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন।”
প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ সকালে জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “শহিদ পরিবারসহ জাতিকে আশ্বস্ত করতে চাই—পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস ঘটনা আর না ঘটে।” তিনি মন্তব্য করেন, এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার অপচেষ্টা হয়েছিল এবং যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তারাই এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্ব ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি। ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য উদ্ঘাটনে তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে একটি জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হয় এবং সেই কমিশনের রিপোর্ট বর্তমানে সরকারের হাতে রয়েছে। তবে সে সময় রিপোর্ট বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে না। “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়েই তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল। কমিশনের সুপারিশ ও বিচারাধীন মামলাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। অন্যান্য সুপারিশ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে,” যোগ করেন তিনি।
জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিনটি পালন করা হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক এবং শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনিও বনানী সামরিক কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিকেলে সেনানিবাসে ইফতার, দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তারা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় ও চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন।”
প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত
