ক্যাম্পাস
সময়ের পালাবদলে আজ আমরা আধুনিকতায় পদার্পণ করেছি। সেই আদিকাল হতে মানুষ শিখেছে দলবদ্ধভাবে জীবনধারণের চেতনা। সেই চেতনার জন্য প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ, সঠিক নেতৃত্ব। একটি পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রত্যক্ষ মতামতের ফল। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে, উন্নত সংস্কারের আশায়, বুদ্ধিভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে মানুষের প্রত্যাশা তৈরি হয় তাকে ঘিরে, তৈরি হয় নানা কল্পনা। তারা উৎফুল্ল হয় যেন পরিবর্তন হয় তাদের সমাজ, সভ্যতা ও সম্ভাবনার।
শাসক পরিবর্তনের হাওয়া বইলে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত হয় দেশের তরুণ সমাজ বিশেষ করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কারণ তারা আগামী দিনের নেতৃত্বের শক্তি, পরিবর্তনের শক্তি, গবেষক, নীতি-নির্ধারক ও উদ্যোক্তা। নতুন সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা শুধু উন্নয়নের পরিসংখ্যান নয়; বরং ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সম্ভাবনাময় একটি সোনার বাংলাদেশ। তারা চাইবে নতুন সরকার যেন তরুণদের বিপ্লবী চেতনার অংশীদ্বারীত্বের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে একটি বিজ্ঞান ও বুদ্ধিভিত্তিক রাষ্ট্রের প্রস্তাব রাখে এবং কাজ করে যায়।
নতুন সরকারের কাছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যাশা তুলে ধরছেন খরববেলার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম।
"ক্যাম্পাসগুলো হোক পড়াশোনা আর চিন্তার জায়গা, সহিংস রাজনীতির নয়"
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ইতিমধ্যে নতুন সরকার গঠন করেছে। জুলাই পরবর্তী এই পরিবর্তিত বাংলাদেশের একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হিসেবে নতুন সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া-পাওয়া খুব জটিল কিছু না- একটা স্বস্তির বাংলাদেশ। যেখানে কথা বলতে ভয় থাকবে না, যেখানে ভিন্ন মত দিলেই কাউকে শত্রু ভাবা হবে না। আমরা চাই আমাদের ক্যাম্পাসগুলো হোক পড়াশোনা আর চিন্তার জায়গা, সহিংস রাজনীতির নয়। তরুণদের জন্য বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হোক, যেন ডিগ্রী হাতে নিয়ে হতাশায় বসে থাকতে না হয়। নিত্যপণ্যের দাম একটু সহনীয় হোক এটা তো শুধু একজন শিক্ষার্থী নয় বরং বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের মৌলিক চাওয়া।দুর্নীতি আমাদের দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাঁধা। এই দূর্নীতি আর দূর্নীতিবাজদের লাগাম টানতে সরকার দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে-সেটাই প্রত্যাশা। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ হোক, যাতে সাধারণ মানুষের কাজ করতে দালাল বা অতিরিক্ত প্রভাব না লাগে। বিরোধী মতকে জায়গা দিলে সরকারই শক্তিশালী হয় এই বিশ্বাসটা বাস্তবে দেখতে চাই।
আমরা আসলে নিখুঁত সরকার চাই না; চাই দায়িত্বশীল সরকার। যে সরকার ক্ষমতাকে অধিকার নয়, আমানত মনে করবে। নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশের গল্পটা যেন সত্যিই আশার গল্প হয়।
রায়হানুল বারী রাসেল
ইংরেজি বিভাগ
"তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠুক"
নতুন সরকার, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর আরেকটি বিপ্লবী আত্নত্যাগ চব্বিশের ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের ফসল। ছাত্র জনতার রক্তের উপর আজ দাড়িয়ে গঠিত নতুন সরকারের কাছে সংষ্কার মুখী এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে শিক্ষা হবে দক্ষতাভিত্তিক ও গবেষণামুখী,যাতে তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়, উচ্চশিক্ষা শেষে হতাশা নয়,বরং আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে পারি। নিরাপদ,মাদকমুক্ত, সহিংসতামুক্ত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস চাই, যেখানে রাজনৈতিক সহিংসতার বলি যেন না হয় সাধারন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করার মতো পরিবেশ গড়ে তোলা মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গঠন হোক। চাই দুর্নীতিমুক্ত,স্বচ্ছ প্রশাসন এবং সর্বোত্তম আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা। বিভিন্ন নিয়োগ, ভর্তি ও বিভিন্ন সরকারি সেবায় যেন মেধা ও যোগ্যতাই হয় একমাত্র মানদণ্ড। তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।
উম্মে হাবিবা শান্তা
গণিত বিভাগ
"মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনীতি "
সরকার আসবে আর যাবে, কিন্তু বাংলাদেশ ঠিকই রয়ে যাবে। কিন্তু স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে প্রত্যাশার জায়গাটা একটু নতুন করেই স্বভাবতই বেড়ে যায়।নতুন সরকার নতুন সরকারে দেশ গঠন না করে, সকলের জন্য উন্নয়নশীল ও কল্যানমুখী দেশ গঠন করবে। যেখানে সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিদা নিশ্চিত থাকবে, শিক্ষা ব্যবস্থায় মান উন্নয়ন ও গবেষণার ক্ষেত্রে উন্নয়নে নিরলস ভুমিকা থাকবে , যাতে আমরা বিশ্বমানের জ্ঞানমুখী বাংলাদেশ গঠন করতে পারি। দেশে বেকারত্ব নিয়ে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে কাজ করবে। দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসিত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার সর্বোত্তম প্রচেষ্টা যেন এই নতুন সরকারের থাকে । নারী-পুরুষের সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য সকলে নিয়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশই আমাদের প্রত্যাশা।
মোহাম্মদ তারেক
একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ
"বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন দরকার"
এই প্রথম সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশ নিতে পেরে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি সত্যিই আনন্দিত। গততে নির্বাচন দেখেছি, কিন্তু দেখিনি সুষ্ঠু ভোটাদিকার প্রয়োগের স্বাধীনতা। দেখেছি জোর করে সহিংস ভিত্তিক রাজনৈতিক মনোভাব চাপিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা। দেখেছি রাজনীতির মধ্যমে দেশ দখল করে প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া।দেখেছি সরকার মানে রাজনৈতিক প্রক্রিয়াই রাষ্ট্রের ভোগ দখল। আমরা তার আর পুনরাবৃত্তি কখনোই চাইবনা। নতুন সরকারের কাছে সুন্দর এবং কল্যানমুখী দেশ গড়ার জন্য যেমনি প্রত্যাশা করি তেমনি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার ও আধুনিকায়ন চাই।কারিগরি ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষার বাস্তবায়ন চাই।শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিক ল্যাব, গবেষণায় বাজেট বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ–সুবিধা চাই যেন আমরা পুথিগত বিদ্যা থেকে বেরিয়ে জ্ঞানভিত্তিক ও বুদ্ধিভিত্তিক জীবনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি। বহুমুখী কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা দরকার যাতে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা বেকারত্ব নিয়ে চিন্তা না করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন দরকার।
সুমাইয়া রহমান প্রমি
গণিত বিভাগ

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়ের পালাবদলে আজ আমরা আধুনিকতায় পদার্পণ করেছি। সেই আদিকাল হতে মানুষ শিখেছে দলবদ্ধভাবে জীবনধারণের চেতনা। সেই চেতনার জন্য প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ, সঠিক নেতৃত্ব। একটি পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রত্যক্ষ মতামতের ফল। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে, উন্নত সংস্কারের আশায়, বুদ্ধিভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে মানুষের প্রত্যাশা তৈরি হয় তাকে ঘিরে, তৈরি হয় নানা কল্পনা। তারা উৎফুল্ল হয় যেন পরিবর্তন হয় তাদের সমাজ, সভ্যতা ও সম্ভাবনার।
শাসক পরিবর্তনের হাওয়া বইলে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত হয় দেশের তরুণ সমাজ বিশেষ করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কারণ তারা আগামী দিনের নেতৃত্বের শক্তি, পরিবর্তনের শক্তি, গবেষক, নীতি-নির্ধারক ও উদ্যোক্তা। নতুন সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা শুধু উন্নয়নের পরিসংখ্যান নয়; বরং ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সম্ভাবনাময় একটি সোনার বাংলাদেশ। তারা চাইবে নতুন সরকার যেন তরুণদের বিপ্লবী চেতনার অংশীদ্বারীত্বের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে একটি বিজ্ঞান ও বুদ্ধিভিত্তিক রাষ্ট্রের প্রস্তাব রাখে এবং কাজ করে যায়।
নতুন সরকারের কাছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যাশা তুলে ধরছেন খরববেলার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম।
"ক্যাম্পাসগুলো হোক পড়াশোনা আর চিন্তার জায়গা, সহিংস রাজনীতির নয়"
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ইতিমধ্যে নতুন সরকার গঠন করেছে। জুলাই পরবর্তী এই পরিবর্তিত বাংলাদেশের একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হিসেবে নতুন সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া-পাওয়া খুব জটিল কিছু না- একটা স্বস্তির বাংলাদেশ। যেখানে কথা বলতে ভয় থাকবে না, যেখানে ভিন্ন মত দিলেই কাউকে শত্রু ভাবা হবে না। আমরা চাই আমাদের ক্যাম্পাসগুলো হোক পড়াশোনা আর চিন্তার জায়গা, সহিংস রাজনীতির নয়। তরুণদের জন্য বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হোক, যেন ডিগ্রী হাতে নিয়ে হতাশায় বসে থাকতে না হয়। নিত্যপণ্যের দাম একটু সহনীয় হোক এটা তো শুধু একজন শিক্ষার্থী নয় বরং বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের মৌলিক চাওয়া।দুর্নীতি আমাদের দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাঁধা। এই দূর্নীতি আর দূর্নীতিবাজদের লাগাম টানতে সরকার দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে-সেটাই প্রত্যাশা। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ হোক, যাতে সাধারণ মানুষের কাজ করতে দালাল বা অতিরিক্ত প্রভাব না লাগে। বিরোধী মতকে জায়গা দিলে সরকারই শক্তিশালী হয় এই বিশ্বাসটা বাস্তবে দেখতে চাই।
আমরা আসলে নিখুঁত সরকার চাই না; চাই দায়িত্বশীল সরকার। যে সরকার ক্ষমতাকে অধিকার নয়, আমানত মনে করবে। নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশের গল্পটা যেন সত্যিই আশার গল্প হয়।
রায়হানুল বারী রাসেল
ইংরেজি বিভাগ
"তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠুক"
নতুন সরকার, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর আরেকটি বিপ্লবী আত্নত্যাগ চব্বিশের ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের ফসল। ছাত্র জনতার রক্তের উপর আজ দাড়িয়ে গঠিত নতুন সরকারের কাছে সংষ্কার মুখী এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে শিক্ষা হবে দক্ষতাভিত্তিক ও গবেষণামুখী,যাতে তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়, উচ্চশিক্ষা শেষে হতাশা নয়,বরং আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে পারি। নিরাপদ,মাদকমুক্ত, সহিংসতামুক্ত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস চাই, যেখানে রাজনৈতিক সহিংসতার বলি যেন না হয় সাধারন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করার মতো পরিবেশ গড়ে তোলা মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গঠন হোক। চাই দুর্নীতিমুক্ত,স্বচ্ছ প্রশাসন এবং সর্বোত্তম আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা। বিভিন্ন নিয়োগ, ভর্তি ও বিভিন্ন সরকারি সেবায় যেন মেধা ও যোগ্যতাই হয় একমাত্র মানদণ্ড। তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।
উম্মে হাবিবা শান্তা
গণিত বিভাগ
"মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনীতি "
সরকার আসবে আর যাবে, কিন্তু বাংলাদেশ ঠিকই রয়ে যাবে। কিন্তু স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে প্রত্যাশার জায়গাটা একটু নতুন করেই স্বভাবতই বেড়ে যায়।নতুন সরকার নতুন সরকারে দেশ গঠন না করে, সকলের জন্য উন্নয়নশীল ও কল্যানমুখী দেশ গঠন করবে। যেখানে সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিদা নিশ্চিত থাকবে, শিক্ষা ব্যবস্থায় মান উন্নয়ন ও গবেষণার ক্ষেত্রে উন্নয়নে নিরলস ভুমিকা থাকবে , যাতে আমরা বিশ্বমানের জ্ঞানমুখী বাংলাদেশ গঠন করতে পারি। দেশে বেকারত্ব নিয়ে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে কাজ করবে। দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসিত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার সর্বোত্তম প্রচেষ্টা যেন এই নতুন সরকারের থাকে । নারী-পুরুষের সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য সকলে নিয়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশই আমাদের প্রত্যাশা।
মোহাম্মদ তারেক
একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ
"বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন দরকার"
এই প্রথম সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশ নিতে পেরে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি সত্যিই আনন্দিত। গততে নির্বাচন দেখেছি, কিন্তু দেখিনি সুষ্ঠু ভোটাদিকার প্রয়োগের স্বাধীনতা। দেখেছি জোর করে সহিংস ভিত্তিক রাজনৈতিক মনোভাব চাপিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা। দেখেছি রাজনীতির মধ্যমে দেশ দখল করে প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া।দেখেছি সরকার মানে রাজনৈতিক প্রক্রিয়াই রাষ্ট্রের ভোগ দখল। আমরা তার আর পুনরাবৃত্তি কখনোই চাইবনা। নতুন সরকারের কাছে সুন্দর এবং কল্যানমুখী দেশ গড়ার জন্য যেমনি প্রত্যাশা করি তেমনি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার ও আধুনিকায়ন চাই।কারিগরি ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষার বাস্তবায়ন চাই।শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিক ল্যাব, গবেষণায় বাজেট বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ–সুবিধা চাই যেন আমরা পুথিগত বিদ্যা থেকে বেরিয়ে জ্ঞানভিত্তিক ও বুদ্ধিভিত্তিক জীবনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি। বহুমুখী কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা দরকার যাতে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা বেকারত্ব নিয়ে চিন্তা না করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন দরকার।
সুমাইয়া রহমান প্রমি
গণিত বিভাগ
