ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত।
বিজয়ী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লুৎফুজ্জামান বাবর জানান - ‘এই বিজয় জনগণের বিজয়। আল্লাহ রহমতে এবং দেশবাসীর দোয়া কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছি। এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করে যাব। বিগত সময়ের মতো বেকার কর্মসংস্থানে কাজ করবো। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে ২০০৪ সালের মার্চে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থাতেই সংঘটিত হয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঘটনা— ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান জব্দ।
আলোচিত দুটি মামলাতেই দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বাবরকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেন আদালত। এছাড়া সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলা ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি ছিলেন তিনি। তার নামে আরও মামলা ছিল।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আদালত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দেন। তার নামে থাকা অন্য মামলাগুলো থেকেও তাকে খালাস দেওয়া হয়। দীর্ঘ সাড়ে ১৭বছর কারাবন্দি থাকার পর ২০২৫ সালের ১৬জানুয়ারি কারামুক্ত হন লুৎফুজ্জামান বাবর।
দীর্ঘ কারাবাসের পর গত বছর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক বিএনপি-জামাত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। সব মামলায় খালাস পাওয়ার পর কেরানীগঞ্জের ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
২০০৭ সালের ২৮ মে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় লুৎফুজ্জামান বাবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। জরুরি অবস্থার দুই বছর এবং পরে বিগত সময়ের সরকারের আমলে তাকে কয়েকটি মামলায় সাজা দেওয়া হয়। এরমধ্যে দুটি মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং একটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টে পটপরিবর্তন পর আপিল শুনানি শেষে এসব মামলায় একে একে খালাস পান লুৎফুজ্জামান বাবর। ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির এক মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে খালাস পান। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট খালাস দেয়।
১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলাতেও লুৎফুজ্জামান বাবরের মৃত্যুদণ্ড ছিল। এছাড়া অস্ত্র আইনের আলাদা মামলায় ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ১৮ ডিসেম্বর ও ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্টের আপিল রায়ে দুই মামলাতেই লুৎফুজ্জামান বাবর খালাস পান এবং তার মুক্তির পথ খুলে যায়।
লুৎফুজ্জামান বাবর ১৯৯১ ও ২০০১ সালে নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান কেষ্টু জানান - সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর দলের জন্যে, দেশের জন্যে কারাবরণ করেছেন। আমরা আশা করছি কারা নির্যাতিত লুৎফুজ্জামান বাবর মহোদয়কে পূর্ণ মন্ত্রী দেওয়া হবে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত।
বিজয়ী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লুৎফুজ্জামান বাবর জানান - ‘এই বিজয় জনগণের বিজয়। আল্লাহ রহমতে এবং দেশবাসীর দোয়া কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছি। এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করে যাব। বিগত সময়ের মতো বেকার কর্মসংস্থানে কাজ করবো। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে ২০০৪ সালের মার্চে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থাতেই সংঘটিত হয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঘটনা— ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান জব্দ।
আলোচিত দুটি মামলাতেই দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বাবরকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেন আদালত। এছাড়া সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলা ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি ছিলেন তিনি। তার নামে আরও মামলা ছিল।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আদালত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দেন। তার নামে থাকা অন্য মামলাগুলো থেকেও তাকে খালাস দেওয়া হয়। দীর্ঘ সাড়ে ১৭বছর কারাবন্দি থাকার পর ২০২৫ সালের ১৬জানুয়ারি কারামুক্ত হন লুৎফুজ্জামান বাবর।
দীর্ঘ কারাবাসের পর গত বছর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক বিএনপি-জামাত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। সব মামলায় খালাস পাওয়ার পর কেরানীগঞ্জের ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
২০০৭ সালের ২৮ মে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় লুৎফুজ্জামান বাবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। জরুরি অবস্থার দুই বছর এবং পরে বিগত সময়ের সরকারের আমলে তাকে কয়েকটি মামলায় সাজা দেওয়া হয়। এরমধ্যে দুটি মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং একটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টে পটপরিবর্তন পর আপিল শুনানি শেষে এসব মামলায় একে একে খালাস পান লুৎফুজ্জামান বাবর। ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির এক মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে খালাস পান। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট খালাস দেয়।
১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলাতেও লুৎফুজ্জামান বাবরের মৃত্যুদণ্ড ছিল। এছাড়া অস্ত্র আইনের আলাদা মামলায় ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ১৮ ডিসেম্বর ও ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্টের আপিল রায়ে দুই মামলাতেই লুৎফুজ্জামান বাবর খালাস পান এবং তার মুক্তির পথ খুলে যায়।
লুৎফুজ্জামান বাবর ১৯৯১ ও ২০০১ সালে নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান কেষ্টু জানান - সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর দলের জন্যে, দেশের জন্যে কারাবরণ করেছেন। আমরা আশা করছি কারা নির্যাতিত লুৎফুজ্জামান বাবর মহোদয়কে পূর্ণ মন্ত্রী দেওয়া হবে।
