দুর্নীতি
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও অসহায় ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পিআইও নুরুন্নবী দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দপ্তর পরিচালনা করছেন এবং সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রায়ই অশালীন ও অবমাননাকর আচরণ করেন।
বক্তারা জানান, সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে তিনি অফিস কক্ষেই ধূমপান করেন, যা শৃঙ্খলা ও আচরণবিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এছাড়া শীত মৌসুমে দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি কম্বল প্রকৃত উপকারভোগীদের না দিয়ে স্বচ্ছল ও নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণ করার অভিযোগ তোলা হয়। এমনকি সরকারি কোয়ার্টারের শয়নকক্ষে কম্বল মজুদ রেখে নির্বাচিত ব্যক্তিদের দেওয়ার কথাও মানববন্ধনে উঠে আসে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক ছিন্নমূল মানুষ বলেন, শীতবস্ত্রের আশায় তারা বারবার পিআইও কার্যালয়ে গিয়েও কোনো সহায়তা পাননি। দীর্ঘদিন বঞ্চিত থাকার কারণেই তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।
কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রানীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও মোহনা টিভির প্রতিনিধি সাংবাদিক ফারুক আহম্মেদ বলেন, পিআইও নুরুন্নবী নিজেকে ‘সবকিছুর ঊর্ধ্বে’ মনে করে সাধারণ মানুষকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। অফিসে বসে ধূমপান করা শুধু অনৈতিক নয়, এটি সরাসরি সরকারি বিধি লঙ্ঘন। এমন কর্মকর্তার দ্রুত প্রত্যাহার দাবি করেন তিনি।
একই সুরে সাংবাদিক পেয়ার আলী অভিযোগ করেন, পিআইও নুরুন্নবী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশনাও মানেন না। তিনি প্রকাশ্যে বলেন, এমপি, মন্ত্রী কিংবা ইউএনও—কাউকেই তিনি তোয়াক্কা করেন না।
শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম বলেন, সাধারণ মানুষ কোনো প্রয়োজনে অফিসে গেলে পিআইও তাদের গালিগালাজ করেন। একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণ অগ্রহণযোগ্য এবং তাকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।
মানববন্ধনে কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পিআইও নুরুন্নবীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা বেগম বলেন, তিনি ওই সময় জেলায় অবস্থান করছিলেন। সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও অসহায় ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পিআইও নুরুন্নবী দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দপ্তর পরিচালনা করছেন এবং সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রায়ই অশালীন ও অবমাননাকর আচরণ করেন।
বক্তারা জানান, সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে তিনি অফিস কক্ষেই ধূমপান করেন, যা শৃঙ্খলা ও আচরণবিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এছাড়া শীত মৌসুমে দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি কম্বল প্রকৃত উপকারভোগীদের না দিয়ে স্বচ্ছল ও নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণ করার অভিযোগ তোলা হয়। এমনকি সরকারি কোয়ার্টারের শয়নকক্ষে কম্বল মজুদ রেখে নির্বাচিত ব্যক্তিদের দেওয়ার কথাও মানববন্ধনে উঠে আসে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক ছিন্নমূল মানুষ বলেন, শীতবস্ত্রের আশায় তারা বারবার পিআইও কার্যালয়ে গিয়েও কোনো সহায়তা পাননি। দীর্ঘদিন বঞ্চিত থাকার কারণেই তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।
কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রানীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও মোহনা টিভির প্রতিনিধি সাংবাদিক ফারুক আহম্মেদ বলেন, পিআইও নুরুন্নবী নিজেকে ‘সবকিছুর ঊর্ধ্বে’ মনে করে সাধারণ মানুষকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। অফিসে বসে ধূমপান করা শুধু অনৈতিক নয়, এটি সরাসরি সরকারি বিধি লঙ্ঘন। এমন কর্মকর্তার দ্রুত প্রত্যাহার দাবি করেন তিনি।
একই সুরে সাংবাদিক পেয়ার আলী অভিযোগ করেন, পিআইও নুরুন্নবী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশনাও মানেন না। তিনি প্রকাশ্যে বলেন, এমপি, মন্ত্রী কিংবা ইউএনও—কাউকেই তিনি তোয়াক্কা করেন না।
শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম বলেন, সাধারণ মানুষ কোনো প্রয়োজনে অফিসে গেলে পিআইও তাদের গালিগালাজ করেন। একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণ অগ্রহণযোগ্য এবং তাকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।
মানববন্ধনে কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পিআইও নুরুন্নবীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা বেগম বলেন, তিনি ওই সময় জেলায় অবস্থান করছিলেন। সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।
