অপরাধ
চরফ্যাশন পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সম্প্রতি ওয়াহেদিয়া আলিম মাদ্রাসায় পাঠদান চলাকালীন সময়ে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের উদ্দেশ্যে ক্লাসে ঢুকে পড়ে ৭–৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং।
এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে, প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি আলমগীর হোসেন ভান্ডারী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ইমন ও হাসনাইন নামের দুই কিশোরকে আটক করেন এবং পরে তাদের চরফ্যাশন থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই কিশোর গ্যাং শুধু মারামারিতেই জড়িত নয়, বরং এলাকায় হাঁস-মুরগি চুরি, পথচারীদের হয়রানি এবং স্কুলগামী ছোট মেয়েদের উত্যক্ত করার মতো অপরাধেও নিয়মিত জড়িত। বিশেষ করে সাহাদাত কেরানির বাড়ির সামনে থেকে চরফ্যাশন টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এলাকা তাদের মূল টার্গেট হিসেবে পরিচিত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৭নং ও ৮নং ওয়ার্ডে একাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা এই কিশোরদের পাশাপাশি তাদের অভ

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চরফ্যাশন পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সম্প্রতি ওয়াহেদিয়া আলিম মাদ্রাসায় পাঠদান চলাকালীন সময়ে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের উদ্দেশ্যে ক্লাসে ঢুকে পড়ে ৭–৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং।
এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে, প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি আলমগীর হোসেন ভান্ডারী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ইমন ও হাসনাইন নামের দুই কিশোরকে আটক করেন এবং পরে তাদের চরফ্যাশন থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই কিশোর গ্যাং শুধু মারামারিতেই জড়িত নয়, বরং এলাকায় হাঁস-মুরগি চুরি, পথচারীদের হয়রানি এবং স্কুলগামী ছোট মেয়েদের উত্যক্ত করার মতো অপরাধেও নিয়মিত জড়িত। বিশেষ করে সাহাদাত কেরানির বাড়ির সামনে থেকে চরফ্যাশন টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এলাকা তাদের মূল টার্গেট হিসেবে পরিচিত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৭নং ও ৮নং ওয়ার্ডে একাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা এই কিশোরদের পাশাপাশি তাদের অভ
