অপরাধ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরশহরের প্রাণকেন্দ্র কালীবাড়ি বাজারের মুরগি হাটে চরম নৈরাজ্য ও বর্বরতার ঘটনা ঘটেছে। তুচ্ছ একটি বিষয়—মুরগির খাঁচা রাখাকে কেন্দ্র করে মুহূর্তেই রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় রূপ নেয় পরিস্থিতি। প্রকাশ্য হাটে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কালীবাড়ি মুরগি হাটে এ ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের ধারাই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে মুরগি ব্যবসায়ী সুমন ও মিলন—এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দোকানের ব্যবসায়ী, পলাশবাড়ী পৌরশহরের গৃধারীপুর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে রেজাউলের সঙ্গে মুরগির খাঁচা রাখাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তর্কের মাত্রা বেড়ে গেলে সুমন ও মিলন দুই ভাই উত্তেজিত হয়ে উঠেন এবং প্রকাশ্যেই সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে তারা হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে রেজাউলের পেট ও মাথায় একাধিক আঘাত করে। অতর্কিত ও নির্মম এই হামলায় রেজাউল রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার আর্তচিৎকারে পুরো হাটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের ব্যবসায়ীরা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে জরুরি ভিত্তিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
এ ঘটনার পর কালীবাড়ি বাজারের মুরগি হাটে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রকাশ্য বাজারে এমন নৃশংস হামলায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন—ব্যস্ততম হাটে প্রকাশ্য ছুরিকাঘাত হলেও অপরাধীরা কীভাবে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে? তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরশহরের প্রাণকেন্দ্র কালীবাড়ি বাজারের মুরগি হাটে চরম নৈরাজ্য ও বর্বরতার ঘটনা ঘটেছে। তুচ্ছ একটি বিষয়—মুরগির খাঁচা রাখাকে কেন্দ্র করে মুহূর্তেই রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় রূপ নেয় পরিস্থিতি। প্রকাশ্য হাটে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কালীবাড়ি মুরগি হাটে এ ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের ধারাই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে মুরগি ব্যবসায়ী সুমন ও মিলন—এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দোকানের ব্যবসায়ী, পলাশবাড়ী পৌরশহরের গৃধারীপুর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে রেজাউলের সঙ্গে মুরগির খাঁচা রাখাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তর্কের মাত্রা বেড়ে গেলে সুমন ও মিলন দুই ভাই উত্তেজিত হয়ে উঠেন এবং প্রকাশ্যেই সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে তারা হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে রেজাউলের পেট ও মাথায় একাধিক আঘাত করে। অতর্কিত ও নির্মম এই হামলায় রেজাউল রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার আর্তচিৎকারে পুরো হাটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের ব্যবসায়ীরা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে জরুরি ভিত্তিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
এ ঘটনার পর কালীবাড়ি বাজারের মুরগি হাটে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রকাশ্য বাজারে এমন নৃশংস হামলায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন—ব্যস্ততম হাটে প্রকাশ্য ছুরিকাঘাত হলেও অপরাধীরা কীভাবে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে? তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
